
মিয়ানমারে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ২০০০ ছাড়িয়ে গেছে। সোমবার (৩১ মার্চ) দেশটির সামরিক সরকার জানায়, এখন পর্যন্ত ২০৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন প্রায় ৩৯০০ জন। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ২৭০ জন। খবর- বিবিসি
ভূমিকম্পের ৬০ ঘণ্টা পরও জীবন রক্ষার লড়াই চলছে। রোববার সাগাইং অঞ্চলের ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া একটি স্কুল ভবন থেকে চারজনকে জীবিত উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। এই বিপর্যয়ের পর দেশটিতে এক সপ্তাহের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। ৬ এপ্রিল পর্যন্ত জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।
শুক্রবার ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প দেশটিতে আঘাত হানে, যা ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি করেছে। মান্দালয় অঞ্চলে মসজিদ, সেতু, বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে। টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা বিকল থাকায় বহু অঞ্চলের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।
ভূমিকম্পের কারণে দেশটির হাসপাতাল ও রাস্তার ওপর লাশের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। হাসপাতালগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ায় চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যা ত্রাণ প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করছে। জাতিসংঘ জরুরি ভিত্তিতে ৮০ লাখ মার্কিন ডলারের তহবিল সহায়তা চেয়েছে।
দেশটিতে চলমান গৃহযুদ্ধের কারণে ভূমিকম্পের ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার ও সহায়তা প্রদান আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। সামরিক সরকার আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানালেও বিরোধী ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট (NUG) দাবি করেছে, যেকোনো সহায়তা যেন স্বাধীনভাবে এবং স্থানীয় নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়।
২০২১ সাল থেকে দেশ শাসন করা সামরিক জান্তা সাগাইং, মান্দালয়, মাগওয়ে, বাগো, ইস্টার্ন শান রাজ্য ও নেপিডোতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। মান্দালয় ও ইয়াংগুনে বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনও বিচ্ছিন্ন। উদ্ধারকর্মীরা হাতের কাছে থাকা সরঞ্জাম দিয়েই ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিতদের সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এসকে
ভূমিকম্পের ৬০ ঘণ্টা পরও জীবন রক্ষার লড়াই চলছে। রোববার সাগাইং অঞ্চলের ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া একটি স্কুল ভবন থেকে চারজনকে জীবিত উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। এই বিপর্যয়ের পর দেশটিতে এক সপ্তাহের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। ৬ এপ্রিল পর্যন্ত জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।
শুক্রবার ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প দেশটিতে আঘাত হানে, যা ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি করেছে। মান্দালয় অঞ্চলে মসজিদ, সেতু, বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে। টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা বিকল থাকায় বহু অঞ্চলের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।
ভূমিকম্পের কারণে দেশটির হাসপাতাল ও রাস্তার ওপর লাশের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। হাসপাতালগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ায় চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যা ত্রাণ প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করছে। জাতিসংঘ জরুরি ভিত্তিতে ৮০ লাখ মার্কিন ডলারের তহবিল সহায়তা চেয়েছে।
দেশটিতে চলমান গৃহযুদ্ধের কারণে ভূমিকম্পের ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার ও সহায়তা প্রদান আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। সামরিক সরকার আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানালেও বিরোধী ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট (NUG) দাবি করেছে, যেকোনো সহায়তা যেন স্বাধীনভাবে এবং স্থানীয় নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়।
২০২১ সাল থেকে দেশ শাসন করা সামরিক জান্তা সাগাইং, মান্দালয়, মাগওয়ে, বাগো, ইস্টার্ন শান রাজ্য ও নেপিডোতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। মান্দালয় ও ইয়াংগুনে বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনও বিচ্ছিন্ন। উদ্ধারকর্মীরা হাতের কাছে থাকা সরঞ্জাম দিয়েই ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিতদের সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এসকে