
এনসিপি নেতা হান্নান মাসউদ আওয়ামী লীগের এজেন্ডা নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে বলে মন্তব্য করেছেন হাতিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. ইসমাইল হোসেন ইলিয়াস। সোমবার (২৪ মার্চ) রাত ১২টা ৩২ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে এক স্টাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।
স্টাটাসে তিনি বলেন, আজকে তুমি মিডিয়া কাভারেজ করার জন্য যে পরিস্থিতি তৈরি করেছ! কোনোভাবে কাম্য ছিল না। আবার আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের নিয়ে বিএনপি/তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বিষোদগার করার সাহস দেখে রীতিমতো হতবাক হয়ে গেলাম। দয়া করে হাতিয়ায় এহেন কার্যকলাপ বন্ধ করো, না হলে সকল পরিস্থিতির জন্য তুমি দায়ী থাকবে। প্রিয় যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা ও কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, আব্দুল হান্নান মাসউদের উসকানিমূলক বক্তব্যতে কান দিবেন না। তিনি আওয়ামী লীগের এজেন্ডা নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে। সুতরাং তাকে পাগলামি করতে দিন। একটা সময় পাগলের পাগলামি বন্ধ হয়ে যাবে। সকলকে শান্ত থাকার আহ্বান করছি।
ইসমাইল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হান্নান মাসউদ আওয়ামী লীগের এজেন্ডা নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে। জাহাজমারা ইউনিয়ন ৫৫ হাজার ভোটারের এলাকা। এর মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ বিএনপি করে। হান্নান মাসউদ বিএনপির বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের লোকজন রয়েছে। তার মধ্যে জাহাজমারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম মালোশিয়া ও বুড়িরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান কল্লোল ও নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহেরাজের লোকজন ছিল। বর্তমানে আমরা সবাইকে শান্ত থাকতে বলেছি।
এ বিষয়ে আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছি। ছাত্র জনতা মাথা নোয়াবার নয়। আমি কারো এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য মাঠে নামি নাই। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য নেমেছি। বর্তমানে আমরা শুনতেছি চারপাশ থেকে বিএনপির লোকজন অস্ত্রসহ জড়ো হচ্ছেন। আমরা এসব ভয় পাই না। আমাদের মেরে ফেলুক, তবুও আমরা আপোষ করব না। আসামিদের গ্রেপ্তারের আগ পর্যন্ত আমরা মাঠ ছাড়ব না।
এদিকে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজমল হুদা বলেন, আমারা ঘটনাস্থলে আছি। বর্তমানে নৌবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। জাহাজমারা বাজারে উভয় পক্ষের লোকজন মুখোমুখি অবস্থান করছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এসকে
স্টাটাসে তিনি বলেন, আজকে তুমি মিডিয়া কাভারেজ করার জন্য যে পরিস্থিতি তৈরি করেছ! কোনোভাবে কাম্য ছিল না। আবার আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের নিয়ে বিএনপি/তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বিষোদগার করার সাহস দেখে রীতিমতো হতবাক হয়ে গেলাম। দয়া করে হাতিয়ায় এহেন কার্যকলাপ বন্ধ করো, না হলে সকল পরিস্থিতির জন্য তুমি দায়ী থাকবে। প্রিয় যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা ও কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, আব্দুল হান্নান মাসউদের উসকানিমূলক বক্তব্যতে কান দিবেন না। তিনি আওয়ামী লীগের এজেন্ডা নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে। সুতরাং তাকে পাগলামি করতে দিন। একটা সময় পাগলের পাগলামি বন্ধ হয়ে যাবে। সকলকে শান্ত থাকার আহ্বান করছি।
ইসমাইল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হান্নান মাসউদ আওয়ামী লীগের এজেন্ডা নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে। জাহাজমারা ইউনিয়ন ৫৫ হাজার ভোটারের এলাকা। এর মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ বিএনপি করে। হান্নান মাসউদ বিএনপির বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের লোকজন রয়েছে। তার মধ্যে জাহাজমারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম মালোশিয়া ও বুড়িরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান কল্লোল ও নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহেরাজের লোকজন ছিল। বর্তমানে আমরা সবাইকে শান্ত থাকতে বলেছি।
এ বিষয়ে আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছি। ছাত্র জনতা মাথা নোয়াবার নয়। আমি কারো এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য মাঠে নামি নাই। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য নেমেছি। বর্তমানে আমরা শুনতেছি চারপাশ থেকে বিএনপির লোকজন অস্ত্রসহ জড়ো হচ্ছেন। আমরা এসব ভয় পাই না। আমাদের মেরে ফেলুক, তবুও আমরা আপোষ করব না। আসামিদের গ্রেপ্তারের আগ পর্যন্ত আমরা মাঠ ছাড়ব না।
এদিকে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজমল হুদা বলেন, আমারা ঘটনাস্থলে আছি। বর্তমানে নৌবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। জাহাজমারা বাজারে উভয় পক্ষের লোকজন মুখোমুখি অবস্থান করছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এসকে