
দেশে চলতি বছরের দ্বিতীয় মাস ফেব্রুয়ারিতে প্রায় ২৫২ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের (২০২৪) একই মাসের তুলনায় যা ৫০ কোটি ডলার বা ২৫ শতাংশ বেশি। গতবছরের ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২ কোটি ডলার। আর চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রথম ৮ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৮৪৯ কোটি ডলার।
গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৩৫৫ কোটি ডলার বা ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
এতে দেখা গেছে, চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে প্রায় ২১৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। অর্থাৎ জানুয়ারি মাসের চেয়ে ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩৩ কোটি ডলার। রেমিট্যান্সের পাশাপাশি রফতানিতেও ভালো প্রবৃদ্ধির কারণে বৈদেশিক মুদ্রাবাজার এবং রিজার্ভ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে কোনও ডলার বিক্রি করছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২১ বিলিয়ন ডলারের আশপাশেই রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, গত আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়ছে। এর প্রধান কারণ হুন্ডি কমে যাওয়া। ফলে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়ছে। বাণিজ্যের আড়ালে কিংবা দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ হুন্ডি করে যারা দেশের বাইরে পাঠাতো, তাদের বেশিরভাগই এখন চাপে আছে। অর্থপাচার ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৬৪ কোটি ডলার। একক মাস হিসেবে যা ছিল সর্বোচ্চ। এর আগে একক মাসে সর্বোচ্চ ২৬০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২০ সালের জুলাইতে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন/এসকে
গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৩৫৫ কোটি ডলার বা ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
এতে দেখা গেছে, চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে প্রায় ২১৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। অর্থাৎ জানুয়ারি মাসের চেয়ে ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩৩ কোটি ডলার। রেমিট্যান্সের পাশাপাশি রফতানিতেও ভালো প্রবৃদ্ধির কারণে বৈদেশিক মুদ্রাবাজার এবং রিজার্ভ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে কোনও ডলার বিক্রি করছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২১ বিলিয়ন ডলারের আশপাশেই রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, গত আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়ছে। এর প্রধান কারণ হুন্ডি কমে যাওয়া। ফলে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়ছে। বাণিজ্যের আড়ালে কিংবা দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ হুন্ডি করে যারা দেশের বাইরে পাঠাতো, তাদের বেশিরভাগই এখন চাপে আছে। অর্থপাচার ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৬৪ কোটি ডলার। একক মাস হিসেবে যা ছিল সর্বোচ্চ। এর আগে একক মাসে সর্বোচ্চ ২৬০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২০ সালের জুলাইতে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন/এসকে