
প্রায় এক মাসেরও অধিক সময় ধরে রাজবাড়ীর গড়াই নদীতে ভেসে উঠছে কুমির। কখনো একটা কুমির, কখনো একসঙ্গে তিন থেকে চারটা কুমির ঘুরছে নদীতে। কুমির দেখতে নদীপাড়ে ভিড় করে স্কুলের শিক্ষার্থী, এলাকাবাসীসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ। কুমির দেখাকে কেন্দ্র করে নদীপাড়ে বসেছে খাবারের দোকান। তবে কুমির আতঙ্কে দিন কাটছে গ্রামবাসীর।
স্থানীয়রা জানান, নদীতে পানি বাড়ার সময় হয়তো ভেসে এসেছে ওই কুমির। এখন নদীর পানি কমে গেছে। এই ঘাটে পানি একটু বেশি। তাই কুমিরগুলো এখানে আশ্রয় নিয়েছে। প্রায় এক মাসেরও বেশি সময় ধরে এখানে কুমিরগুলো দেখা যাচ্ছে। প্রতিদিন দুই থেকে তিনবার নদীতে কুমির ভাসতে দেখা যায়। আমরা ভয়ে কেউ নদীতে নামতে সাহস পাচ্ছি না।
তারা আরও জানান, প্রতিদিন এলাকার শত শত মানুষ এই নদীতে গোসল, জামা-কাপড় ধোয়াসহ দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজে নদীর পানি ব্যবহার করতেন। এখন কুমির আতঙ্কে কেউ নদীতে নামতে পারছেন না। তাই নদীর পানি ব্যবহার করতে না পারায় বিপাকে পড়েছেন তারা। দ্রুত এ থেকে পরিত্রাণ পেতে চান তারা।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে কুমির ভাসছে নদীতে এমন খবরে রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের কেওয়াগ্রামের মোহনের ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, কুমির দেখতে নদীর পাড়ে অপেক্ষা করছে স্কুল শিক্ষার্থীরা ও বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা দর্শনার্থীরা। এ সময় তারা জানান, অনেক দিন ধরে এখানে কুমির আছে সংবাদ শুনছেন। তাই তারা কুমির দেখতে এসেছেন।
এ বিষয়ে পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম আবু দারদা বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি এবং সরেজমিনে গিয়েছি। কুমির দেখতে পাইনি। তবে কয়েকটি ভিডিও দেখেছি। ভিডিওতে যেটা দেখা যাচ্ছে, সেটা কুমির কি না বোঝা যাচ্ছে না। কুমির সনাক্ত করা মাত্রই বন বিভাগকে অবগত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
কমবামাজাইল ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহরিয়ার সুফল মাহমুদ বলেন, প্রায় দেড় মাস আগে নদীতে কুমির দেখা যায়। আমরা ভেবেছিলাম চলে যাবে। এখন মাঝে মাঝেই দেখা যায়। উপজেলা প্রশাসনকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য উপজেলা প্রশাসন বরাবর লিখিত ভাবে আবেদন করা হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন/এসকে
স্থানীয়রা জানান, নদীতে পানি বাড়ার সময় হয়তো ভেসে এসেছে ওই কুমির। এখন নদীর পানি কমে গেছে। এই ঘাটে পানি একটু বেশি। তাই কুমিরগুলো এখানে আশ্রয় নিয়েছে। প্রায় এক মাসেরও বেশি সময় ধরে এখানে কুমিরগুলো দেখা যাচ্ছে। প্রতিদিন দুই থেকে তিনবার নদীতে কুমির ভাসতে দেখা যায়। আমরা ভয়ে কেউ নদীতে নামতে সাহস পাচ্ছি না।
তারা আরও জানান, প্রতিদিন এলাকার শত শত মানুষ এই নদীতে গোসল, জামা-কাপড় ধোয়াসহ দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজে নদীর পানি ব্যবহার করতেন। এখন কুমির আতঙ্কে কেউ নদীতে নামতে পারছেন না। তাই নদীর পানি ব্যবহার করতে না পারায় বিপাকে পড়েছেন তারা। দ্রুত এ থেকে পরিত্রাণ পেতে চান তারা।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে কুমির ভাসছে নদীতে এমন খবরে রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের কেওয়াগ্রামের মোহনের ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, কুমির দেখতে নদীর পাড়ে অপেক্ষা করছে স্কুল শিক্ষার্থীরা ও বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা দর্শনার্থীরা। এ সময় তারা জানান, অনেক দিন ধরে এখানে কুমির আছে সংবাদ শুনছেন। তাই তারা কুমির দেখতে এসেছেন।
এ বিষয়ে পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম আবু দারদা বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি এবং সরেজমিনে গিয়েছি। কুমির দেখতে পাইনি। তবে কয়েকটি ভিডিও দেখেছি। ভিডিওতে যেটা দেখা যাচ্ছে, সেটা কুমির কি না বোঝা যাচ্ছে না। কুমির সনাক্ত করা মাত্রই বন বিভাগকে অবগত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
কমবামাজাইল ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহরিয়ার সুফল মাহমুদ বলেন, প্রায় দেড় মাস আগে নদীতে কুমির দেখা যায়। আমরা ভেবেছিলাম চলে যাবে। এখন মাঝে মাঝেই দেখা যায়। উপজেলা প্রশাসনকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য উপজেলা প্রশাসন বরাবর লিখিত ভাবে আবেদন করা হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন/এসকে