
রাজধানীর বনশ্রীতে গুলি করে স্বর্ণ ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেনকে হত্যার চেষ্টা ও স্বর্ণ লুটের ঘটনার প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ জানিয়েছেন স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা। ফলে স্বল্প সময়ের জন্য বনশ্রী এলাকায় সড়কে যান চলাচলে ধীরগতি দেখা গেছে।
বুধবার (২৬ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বনশ্রী এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন জুয়েলারি মালিক সমিতির সদস্যরা। তাঁরা খিলগাঁও, সবুজবাগ, রামপুরা ও শাহজাহানপুর এলাকার জুয়েলারি মালিক সমিতির সদস্য। বিভিন্ন ব্যানারে তাঁরা একত্রিত হয়ে এই বিক্ষোভ করেন।
সড়ক অবরোধে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ীরা বলেন, আগামী শনিবারের মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। লুট করা স্বর্ণ উদ্ধার করতে হবে। তা না হলে সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হবে।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, যারা ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেট থাকলেও ধরতে পারছে না কেউ। সন্ত্রাসীদের চাঁদা দেওয়া বন্ধ করায় এমন হামলার ঘটনা ঘটেছে। টাকা পাঠানোর ম্যাসেজ চেক করলেই আসামি ধরা যায়। ঘটনার পর এত সময় পার হলেও এখনো আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।তাঁরা বলেন, হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ ব্যর্থ হয়েছে। এই এলাকার ব্যবসায়ীরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান।
এ বিষয়ে রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, ব্যবসায়ীরা সকালে ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ জানিয়েছেন। আমরা হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তাঁরা কিছুক্ষণ সড়কে থেকে আবার ফিরে এসেছেন। এখন যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন/এসকে
বুধবার (২৬ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বনশ্রী এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন জুয়েলারি মালিক সমিতির সদস্যরা। তাঁরা খিলগাঁও, সবুজবাগ, রামপুরা ও শাহজাহানপুর এলাকার জুয়েলারি মালিক সমিতির সদস্য। বিভিন্ন ব্যানারে তাঁরা একত্রিত হয়ে এই বিক্ষোভ করেন।
সড়ক অবরোধে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ীরা বলেন, আগামী শনিবারের মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। লুট করা স্বর্ণ উদ্ধার করতে হবে। তা না হলে সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হবে।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, যারা ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেট থাকলেও ধরতে পারছে না কেউ। সন্ত্রাসীদের চাঁদা দেওয়া বন্ধ করায় এমন হামলার ঘটনা ঘটেছে। টাকা পাঠানোর ম্যাসেজ চেক করলেই আসামি ধরা যায়। ঘটনার পর এত সময় পার হলেও এখনো আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।তাঁরা বলেন, হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ ব্যর্থ হয়েছে। এই এলাকার ব্যবসায়ীরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান।
এ বিষয়ে রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, ব্যবসায়ীরা সকালে ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ জানিয়েছেন। আমরা হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তাঁরা কিছুক্ষণ সড়কে থেকে আবার ফিরে এসেছেন। এখন যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন/এসকে