
গণ আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ছয় মাস পরেও সাংবাদিকেরা তাঁদের কাজের জন্য হুমকি পাচ্ছেন এবং হামলার শিকার হচ্ছেন। একই সঙ্গে খসড়া পর্যায়ে থাকা দুটি অধ্যাদেশ আইনে পরিণত হলে তা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টসের (সিপিজে) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) প্রতিবেদনটি সিপিজের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের উচ্চ প্রত্যাশার মধ্যে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার গত জানুয়ারিতে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর যে খসড়া তৈরি করেছে, তা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করতে পারে বলেও বাংলাদেশের সংবাদকর্মীরা শঙ্কিত।
সোমবার (১৭ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে সিপিজে বলেছে, যদিও সরকার খসড়া সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে মানহানি এবং বিনা পরোয়ানায় তল্লাশি সম্পর্কিত বিতর্কিত ধারাগুলো বাদ দিয়েছে বলে জানা গেছে, তবে থেকে যাওয়া কিছু বিধি সাংবাদিকদের নিশানা করতে ব্যবহার হতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অধিকার গোষ্ঠীগুলো।
সিপিজে যে ফোরামের সদস্য, সেই গ্লোবাল নেটওয়ার্ক ইনিশিয়েটিভ বলছে, খসড়াটি সরকারকে ব্যবহারকারীদের ডেটা অ্যাক্সেস এবং অনলাইন কন্টেন্টের উপর বিধিনিষেধ আরোপের ‘ঢালাও কর্তৃত্ব’ দেয়। সাংবাদিকরা আরও উদ্বিগ্ন যে, প্রস্তাবিত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ সরকারকে ব্যক্তিগত ডেটা অ্যাক্সেস করার ‘অবারিত ক্ষমতা’ দেবে, যেখানে বিচারিক প্রতিকারের সুযোগ রাখা হয়েছে নামমাত্র।
সিপিজের এশিয়া প্রোগ্রাম সমন্বয়ক বেহ লিহ ই বলেন, “শক্তিশালী সাংবাদিকতা ছাড়া গণতন্ত্র বিকশিত হতে পারে না। সাংবাদিকদের সুরক্ষা এবং তারা যাতে স্বাধীনভাবে প্রতিবেদন করতে পারে, সেই অধিকার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে অবশ্যই রক্ষা করতে হবে।“কর্তৃপক্ষের উচিত, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করতে পারে- এমন ধারা সংশোধন করা এবং সংবাদমাধ্যমের ওপর হামলার পেছনে জড়িতদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা।”সিপিজে বলছে, অধ্যাদেশের বিষয়ে বক্তব্যের জন্য তারা অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামকে ফোন করার পাশাপাশি বার্তা পাঠালেও কোনো উত্তর পায়নি।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন/এসকে
সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টসের (সিপিজে) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) প্রতিবেদনটি সিপিজের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের উচ্চ প্রত্যাশার মধ্যে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার গত জানুয়ারিতে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর যে খসড়া তৈরি করেছে, তা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করতে পারে বলেও বাংলাদেশের সংবাদকর্মীরা শঙ্কিত।
সোমবার (১৭ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে সিপিজে বলেছে, যদিও সরকার খসড়া সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে মানহানি এবং বিনা পরোয়ানায় তল্লাশি সম্পর্কিত বিতর্কিত ধারাগুলো বাদ দিয়েছে বলে জানা গেছে, তবে থেকে যাওয়া কিছু বিধি সাংবাদিকদের নিশানা করতে ব্যবহার হতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অধিকার গোষ্ঠীগুলো।
সিপিজে যে ফোরামের সদস্য, সেই গ্লোবাল নেটওয়ার্ক ইনিশিয়েটিভ বলছে, খসড়াটি সরকারকে ব্যবহারকারীদের ডেটা অ্যাক্সেস এবং অনলাইন কন্টেন্টের উপর বিধিনিষেধ আরোপের ‘ঢালাও কর্তৃত্ব’ দেয়। সাংবাদিকরা আরও উদ্বিগ্ন যে, প্রস্তাবিত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ সরকারকে ব্যক্তিগত ডেটা অ্যাক্সেস করার ‘অবারিত ক্ষমতা’ দেবে, যেখানে বিচারিক প্রতিকারের সুযোগ রাখা হয়েছে নামমাত্র।
সিপিজের এশিয়া প্রোগ্রাম সমন্বয়ক বেহ লিহ ই বলেন, “শক্তিশালী সাংবাদিকতা ছাড়া গণতন্ত্র বিকশিত হতে পারে না। সাংবাদিকদের সুরক্ষা এবং তারা যাতে স্বাধীনভাবে প্রতিবেদন করতে পারে, সেই অধিকার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে অবশ্যই রক্ষা করতে হবে।“কর্তৃপক্ষের উচিত, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করতে পারে- এমন ধারা সংশোধন করা এবং সংবাদমাধ্যমের ওপর হামলার পেছনে জড়িতদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা।”সিপিজে বলছে, অধ্যাদেশের বিষয়ে বক্তব্যের জন্য তারা অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামকে ফোন করার পাশাপাশি বার্তা পাঠালেও কোনো উত্তর পায়নি।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন/এসকে