বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় এক শিক্ষার্থীর মুখ চেপে ধরা শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক মো. আরশাদ হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বুধবার (২৯জানুয়ারি) এ তথ্য জানান প্রসিকিউটর বিএম সুলতান মাহমুদ।
তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার পুলিশ কর্মকর্তা আরশাদ হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কারাগারে পাঠিয়েছেন।
গত বছরের ৩১ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির সময় ঢাকার নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী নাহিদুল ইসলামের মুখ চেপে ধরেন পুলিশ পরিদর্শক মো. আরশাদ হোসেন। পরবর্তী সময়ে ওই ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হলে ব্যাপক সমালোচনা হয়।
একপর্যায়ে গত ১৮ আগস্ট শাহবাগ থানার ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, ‘সুশৃঙ্খল পুলিশ বাহিনীর একজন সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তার এ ধরনের অপেশাদার কর্মকাণ্ডের ফলে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টিসহ পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বাংলা স্কুপ/ প্রতিবেদক/ এনআইএন/এসকে
তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেফতার পুলিশ কর্মকর্তা আরশাদ হোসেনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কারাগারে পাঠিয়েছেন।
গত বছরের ৩১ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির সময় ঢাকার নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী নাহিদুল ইসলামের মুখ চেপে ধরেন পুলিশ পরিদর্শক মো. আরশাদ হোসেন। পরবর্তী সময়ে ওই ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হলে ব্যাপক সমালোচনা হয়।
একপর্যায়ে গত ১৮ আগস্ট শাহবাগ থানার ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, ‘সুশৃঙ্খল পুলিশ বাহিনীর একজন সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তার এ ধরনের অপেশাদার কর্মকাণ্ডের ফলে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টিসহ পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বাংলা স্কুপ/ প্রতিবেদক/ এনআইএন/এসকে