প্রাথমিকসহ সব শিক্ষককে প্রথম শ্রেণির চাকরির অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। তিনি বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাইলে শিক্ষকদের অগ্রভাগে রাখতে হবে।’
শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে শহীদ মিনারে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের দশম গ্রেডের দাবিতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে মিছিল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ অভিমুখে মিছিল করেন শিক্ষকরা।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘শিক্ষকরা যদি জাতির মেরুদণ্ড হন, শিক্ষকরা যদি সমাজ গড়ার কারিগর হন তাদের প্রথম শ্রেণির অর্ন্তভুক্ত করতে হবে। আমি চাই, সব শিক্ষককে প্রথম শ্রেণির চাকরির ব্যবস্থা করা হবে। এ সময় শিক্ষকদের বেতন কাঠামো সম্মানজনক করার দাবি জানান গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি।
শিক্ষকরা বলেন, ১৩তম গ্রেডের মাধ্যমে শিক্ষকদের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এমন গ্রেডে থাকা মানেই শিক্ষকদের অমর্যাদা করার শামিল। জাতীয় শহীদ মিনারের সমাবেশ থেকে দাবি আদায়ে শপথবাক্য পাঠ করেন তারা। অধিকার আদায়ের প্রশ্নে কারো সঙ্গে আপস না করার ঘোষণা দেওয়া হয় সমাবেশ থেকে।
বাংলা স্কুপ/ প্রতিবেদক/ এনআইএন/এসকে
শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে শহীদ মিনারে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের দশম গ্রেডের দাবিতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে মিছিল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ অভিমুখে মিছিল করেন শিক্ষকরা।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘শিক্ষকরা যদি জাতির মেরুদণ্ড হন, শিক্ষকরা যদি সমাজ গড়ার কারিগর হন তাদের প্রথম শ্রেণির অর্ন্তভুক্ত করতে হবে। আমি চাই, সব শিক্ষককে প্রথম শ্রেণির চাকরির ব্যবস্থা করা হবে। এ সময় শিক্ষকদের বেতন কাঠামো সম্মানজনক করার দাবি জানান গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি।
শিক্ষকরা বলেন, ১৩তম গ্রেডের মাধ্যমে শিক্ষকদের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এমন গ্রেডে থাকা মানেই শিক্ষকদের অমর্যাদা করার শামিল। জাতীয় শহীদ মিনারের সমাবেশ থেকে দাবি আদায়ে শপথবাক্য পাঠ করেন তারা। অধিকার আদায়ের প্রশ্নে কারো সঙ্গে আপস না করার ঘোষণা দেওয়া হয় সমাবেশ থেকে।
বাংলা স্কুপ/ প্রতিবেদক/ এনআইএন/এসকে