
চোরের হাত থেকে সম্পদ রক্ষায় তালা ব্যবহারের রীতি অনেক পুরোনো। কিন্তু সেই তালা যদি মারা হয় মাটির হাড়িতে, তাহলে বিষয়টি কেমন হবে? হ্যাঁ আশ্চর্যজনক ঘটনা ঘটেছে শরীয়তপুরের গোসাইহাটে। চোরের হাত থেকে রস রক্ষায় খেজুর গাছের সাথে হাড়িতে তালা ঝুলিয়ে রাখতে হয় এখানকার এক গাছিকে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গোসাইরহাট পৌরসভার মহিষকান্দি এলাকার হারুন সরদার (৫০) দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে শীত মৌসুমে খেজুর গাছ কেটে রস সংগ্রহ করে তা দিয়ে গুড় তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। চলতি বছর তিনি ২৩০টি খেজুর গাছ কেটে রস সংগ্রহ করে আসছেন। আর এসব গাছ থেকে রস সংগ্রহের জন্য প্রয়োজন হয় মাটির হাড়ি। যার একেকটির মূল্য প্রায় ১২০ টাকা। তবে চলতি বছর প্রতিরাতেই এসব গাছ থেকে হাড়িসহ রস চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে চোরেরা। চোরেদের হাত থেকে রসের হাড়ি বাঁচাতে গাছের গোড়ায় বিভিন্ন গাছের কাটা আর কয়েকদিন রাত জেগে পাহাড়া দেওয়ার পরেও সুরাহা না মেলায় সিদ্ধান্ত নেন শিকল দিয়ে তালা লাগানোর বিষয়টি। যেমন ভাবা তেমন কাজ, পরে বাজার থেকে তালা আর শিকল কিনে গাছের সাথে জুড়ে দেন তিনি।
গাছি হারুন সরদার বলেন, এই মৌসুমে এলে আমি রস বেঁচে সংসার চালাই। কিন্তু চোরেরা প্রতিরাতেই আমার হাড়িসহ রস চুরি করে নিয়ে যায়। এতে আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলাম। প্রতিদিন গাছ কাটার পর গাছের গোড়ায় কাটা দিয়ে রাখলেও সেটা সরিয়ে ফেলে রস চোরেরা। পরে বাধ্য হয়ে চুরি ঠেকাতে বাজার থেকে শিকল আর তালা কিনে হাড়িতে দিয়ে রাখি।
তামিম নামের এক ব্যক্তি বলেন, এক সময় খেজুর গাছের সংখ্যা ছিল অনেক, আর অল্প টাকায় খেজুর রস কিনে খাওয়ার সুযোগ ছিল। তবে সময়ের পরিবর্তনে খেজুর গাছ কমে যাওয়ার পাশাপাশি রসের দামও বেড়ে গেছে। এমনকি এখন খেজুর রস চুরি হওয়ার ঘটনাও শোনা যায়। তবে সম্প্রতি হারুন ভাই খেজুর গাছে রসের হাঁড়ি শিকল দিয়ে তালাবদ্ধ করে রাখার বুদ্ধি অবলম্বন করেছেন, যা দেখে মুগ্ধ হয়েছি। এমন উদ্ভাবনী চিন্তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
নাহিদ হাসান সৌরভ নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, শীতের মধ্যে খুব পরিশ্রম করে হারুন ভাই গাছ কেটে রস সংগ্রহ করে থাকেন। এই আয় দিয়েই তার সংসার চলে। তবে কিছুদিন ধরে চোরেরা রস চুরি করার পাশাপাশি হাড়িও ভেঙে ফেলে। তার এই বুদ্ধিটি খুব ভালো লাগলো। এখন আর চোরেরা হাড়ি নিয়ে যেতে পারবে না।
বাংলা স্কুপ/ প্রতিনিধি/ এনআইএন/এসকে
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গোসাইরহাট পৌরসভার মহিষকান্দি এলাকার হারুন সরদার (৫০) দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে শীত মৌসুমে খেজুর গাছ কেটে রস সংগ্রহ করে তা দিয়ে গুড় তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। চলতি বছর তিনি ২৩০টি খেজুর গাছ কেটে রস সংগ্রহ করে আসছেন। আর এসব গাছ থেকে রস সংগ্রহের জন্য প্রয়োজন হয় মাটির হাড়ি। যার একেকটির মূল্য প্রায় ১২০ টাকা। তবে চলতি বছর প্রতিরাতেই এসব গাছ থেকে হাড়িসহ রস চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে চোরেরা। চোরেদের হাত থেকে রসের হাড়ি বাঁচাতে গাছের গোড়ায় বিভিন্ন গাছের কাটা আর কয়েকদিন রাত জেগে পাহাড়া দেওয়ার পরেও সুরাহা না মেলায় সিদ্ধান্ত নেন শিকল দিয়ে তালা লাগানোর বিষয়টি। যেমন ভাবা তেমন কাজ, পরে বাজার থেকে তালা আর শিকল কিনে গাছের সাথে জুড়ে দেন তিনি।
গাছি হারুন সরদার বলেন, এই মৌসুমে এলে আমি রস বেঁচে সংসার চালাই। কিন্তু চোরেরা প্রতিরাতেই আমার হাড়িসহ রস চুরি করে নিয়ে যায়। এতে আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলাম। প্রতিদিন গাছ কাটার পর গাছের গোড়ায় কাটা দিয়ে রাখলেও সেটা সরিয়ে ফেলে রস চোরেরা। পরে বাধ্য হয়ে চুরি ঠেকাতে বাজার থেকে শিকল আর তালা কিনে হাড়িতে দিয়ে রাখি।
তামিম নামের এক ব্যক্তি বলেন, এক সময় খেজুর গাছের সংখ্যা ছিল অনেক, আর অল্প টাকায় খেজুর রস কিনে খাওয়ার সুযোগ ছিল। তবে সময়ের পরিবর্তনে খেজুর গাছ কমে যাওয়ার পাশাপাশি রসের দামও বেড়ে গেছে। এমনকি এখন খেজুর রস চুরি হওয়ার ঘটনাও শোনা যায়। তবে সম্প্রতি হারুন ভাই খেজুর গাছে রসের হাঁড়ি শিকল দিয়ে তালাবদ্ধ করে রাখার বুদ্ধি অবলম্বন করেছেন, যা দেখে মুগ্ধ হয়েছি। এমন উদ্ভাবনী চিন্তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
নাহিদ হাসান সৌরভ নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, শীতের মধ্যে খুব পরিশ্রম করে হারুন ভাই গাছ কেটে রস সংগ্রহ করে থাকেন। এই আয় দিয়েই তার সংসার চলে। তবে কিছুদিন ধরে চোরেরা রস চুরি করার পাশাপাশি হাড়িও ভেঙে ফেলে। তার এই বুদ্ধিটি খুব ভালো লাগলো। এখন আর চোরেরা হাড়ি নিয়ে যেতে পারবে না।
বাংলা স্কুপ/ প্রতিনিধি/ এনআইএন/এসকে