ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য নুপুর আখতারকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনসহ ৯৩ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে।
রোববার (১২ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুর রহমানের আদালতে ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে এ আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ দেবেন বলে জানান।
আরও যাদের আসামির করার আবেদন করা তাদের মধ্যে রয়েছেন— শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, ওবায়দুল কাদের, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আসাদুজ্জামান খান কামাল, হাসানুল হক ইনু, আনিসুল হক, মোহাম্মদ এ আরাফাত, ফজলে নূর তাপস, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, শেখ হেলাল উদ্দিন, নসরুল হামিদ বিপু, জুনাইদ আহমেদ পলক, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, হারুন অর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ৪ আগস্ট বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ভুক্তভোগী নুপুর আখতার এতে অংশ নেন। এসময় হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করলে তার বাম হাতে ও মাথায় গুলি লাগে। এতে তিনি গুরুতর জখম হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের হুমকিতে চিকিৎসা না করে ফেরত যেতে হয়। পরবর্তীকালে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মাথার এক্স-রে করান। পরে চিকিৎসক রিপোর্ট দেখে তাকে অপারেশন করাতে বলেন। গত ১৭ ডিসেম্বর অপারেশন করে তার মাথা থেকে গুলির বিচ্ছিন্ন অংশ বের করা হয়।
বাংলা স্কুপ/ প্রতিবেদক/ এনআইএন/এসকে
রোববার (১২ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুর রহমানের আদালতে ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে এ আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ দেবেন বলে জানান।
আরও যাদের আসামির করার আবেদন করা তাদের মধ্যে রয়েছেন— শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, ওবায়দুল কাদের, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আসাদুজ্জামান খান কামাল, হাসানুল হক ইনু, আনিসুল হক, মোহাম্মদ এ আরাফাত, ফজলে নূর তাপস, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, শেখ হেলাল উদ্দিন, নসরুল হামিদ বিপু, জুনাইদ আহমেদ পলক, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, হারুন অর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ৪ আগস্ট বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ভুক্তভোগী নুপুর আখতার এতে অংশ নেন। এসময় হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করলে তার বাম হাতে ও মাথায় গুলি লাগে। এতে তিনি গুরুতর জখম হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের হুমকিতে চিকিৎসা না করে ফেরত যেতে হয়। পরবর্তীকালে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মাথার এক্স-রে করান। পরে চিকিৎসক রিপোর্ট দেখে তাকে অপারেশন করাতে বলেন। গত ১৭ ডিসেম্বর অপারেশন করে তার মাথা থেকে গুলির বিচ্ছিন্ন অংশ বের করা হয়।
বাংলা স্কুপ/ প্রতিবেদক/ এনআইএন/এসকে