পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ থেকে মুক্তিপণের দাবিতে ১০ জেলেকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের আমির আলী ও দাতিনাখালী গ্রামের আলম সানার নেতৃত্বাধীন দু’টি বাহিনীর পরিচয়ে তাদের অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল পর্যন্ত সুন্দরবনের নোটাবেঁকী, আগুনজ্বালা, জলঢাকা এবং চালতেবেড়ে ও রায়মঙ্গল নদী থেকে এসব জেলেকে অপহরণ করা হয়।
অপহৃত জেলেরা হলেন- শ্যামনগর উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামের রুবেল, ইমরান, খোরশেদ, ছোটভেটখালী গ্রামের নুরুজ্জামান, কালিঞ্চি গ্রামের সিদ্দিক গাজী, জহুর আলী, সিংহড়তলী গ্রামের সুরাত আলী ও কয়রা উপজেলার মোমিন মোড়ল, দিদারুল ও ইমরান।
জলদস্যুদের হাতে জিম্মি জেলেদের স্বজন ও ফিরে আসা জেলেরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, তাদের নৌকায় তিনজন করে জেলে ছিল। প্রতিটি নৌকা থেকে একজন করে জেলেকে তারা তুলেছে নিয়েছে। নুরুজ্জামান, দিদারুল ও ইমরানসহ নয় জনের জন্য মুক্তিপণ বাবদ মাথাপিছু এক লাখ টাকা দাবি করেছে। নৌকা নিয়ে বনের ভেতরে একা থাকায় সুরাত আলীর কাছে তুলনামূলক কম টাকা দাবির কথা জানালেও অংক প্রকাশ করেনি।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক শাহিনুর ইসলাম জানান, কয়েকজন জেলেকে অপহরণের কথা জেলেদের মাধ্যমে জানা গেছে। বনবিভাগের টহল টিমের সদস্যরা সুন্দরবনের মধ্যে অভিযান চালাচ্ছে। তবে বিশাল সুন্দরবনের মধ্যে শুধু বনবিভাগের পক্ষে জলদস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযান দুরূহ ব্যাপার।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাফিউল ইসলাম বলেন, জলদস্যুরা কোনো জেলেকে জিম্মি করলে সাধারণত তার পরিবার গোপনে দস্যুদের সাথে সমঝোতা করে। যে কারণে জিম্মি জেলে মুক্তি পেয়ে ফিরলেও তারা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কোনো তথ্য দিতে রাজি হয় না। তবে পুলিশ মুক্তিপণের টাকা আদায়ের কাজে ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরের মালিককে শনাক্তের মাধ্যমে দস্যুদের আটকে তৎপর রয়েছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
অপহৃত জেলেরা হলেন- শ্যামনগর উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামের রুবেল, ইমরান, খোরশেদ, ছোটভেটখালী গ্রামের নুরুজ্জামান, কালিঞ্চি গ্রামের সিদ্দিক গাজী, জহুর আলী, সিংহড়তলী গ্রামের সুরাত আলী ও কয়রা উপজেলার মোমিন মোড়ল, দিদারুল ও ইমরান।
জলদস্যুদের হাতে জিম্মি জেলেদের স্বজন ও ফিরে আসা জেলেরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, তাদের নৌকায় তিনজন করে জেলে ছিল। প্রতিটি নৌকা থেকে একজন করে জেলেকে তারা তুলেছে নিয়েছে। নুরুজ্জামান, দিদারুল ও ইমরানসহ নয় জনের জন্য মুক্তিপণ বাবদ মাথাপিছু এক লাখ টাকা দাবি করেছে। নৌকা নিয়ে বনের ভেতরে একা থাকায় সুরাত আলীর কাছে তুলনামূলক কম টাকা দাবির কথা জানালেও অংক প্রকাশ করেনি।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক শাহিনুর ইসলাম জানান, কয়েকজন জেলেকে অপহরণের কথা জেলেদের মাধ্যমে জানা গেছে। বনবিভাগের টহল টিমের সদস্যরা সুন্দরবনের মধ্যে অভিযান চালাচ্ছে। তবে বিশাল সুন্দরবনের মধ্যে শুধু বনবিভাগের পক্ষে জলদস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযান দুরূহ ব্যাপার।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাফিউল ইসলাম বলেন, জলদস্যুরা কোনো জেলেকে জিম্মি করলে সাধারণত তার পরিবার গোপনে দস্যুদের সাথে সমঝোতা করে। যে কারণে জিম্মি জেলে মুক্তি পেয়ে ফিরলেও তারা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কোনো তথ্য দিতে রাজি হয় না। তবে পুলিশ মুক্তিপণের টাকা আদায়ের কাজে ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরের মালিককে শনাক্তের মাধ্যমে দস্যুদের আটকে তৎপর রয়েছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে