​ছাত্রীকে পড়াতে গিয়ে হত্যার শিকার জবি শিক্ষার্থী, বিচারিক কার্যক্রম শুরু

আপলোড সময় : ০৮-১১-২০২৬ ০৪:১৪:৫৫ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৮-১১-২০২৬ ০৪:১৪:৫৫ অপরাহ্ন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী জোবায়েদ হোসেন হত্যা মামলায় তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার ১৫তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত আগামী ৯ ডিসেম্বর মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করেছেন।  

বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশতিয়াক হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, তিন আসামির আইনজীবীরা তাদের মক্কেলদের নির্দোষ দাবি করে মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন করেছিলেন। আদালত আবেদনটি নামঞ্জুর করেন। আদালত অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেন। 

অভিযুক্ত তিন আসামি হলেন জোবায়েদের ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষা (১৯), মাহির রহমান (১৯) ও মাহিরের বন্ধু ফারদীন আহম্মেদ আয়লান (২১)। তিন আসামিই গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। আজ অভিযোগ গঠনের শুনানি উপলক্ষে তাদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে বলা হয়, এক মাস ধরে পরিকল্পনা করে জোবায়েদকে হত্যা করা হয়েছিল। তদন্তে উঠে এসেছে, প্রেমের সম্পর্কের জটিলতা এবং অন্তরঙ্গ ছবি–ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাই ছিল এই হত্যার মূল কারণ। মাহির ছিলেন মূল হামলাকারী, বর্ষা হত্যার পরিকল্পনাকারী ও আয়লান সহযোগী।

মামলায় অভিযোগে বলা হয়, জোবায়েদ পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করতেন। প্রতিদিনের মতো তিনি গত বছর ১৯ অক্টোবর বিকেলে বংশাল থানা এলাকার আরমানিটোলার বাসায় বর্ষাকে পড়াতে যান। বর্ষা সেদিন সন্ধ্যার দিকে জোবায়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছোট ভাইকে জানান, তার গৃহশিক্ষক (জোবায়েদ) খুন হয়েছেন। কে বা কারা তাকে খুন করেছে। খবর পেয়ে জোবায়েদের ভাই এনায়েত হোসেন ঘটনাস্থলে যান। ভবনের সিঁড়িতে জোবায়েদের রক্তাক্ত মরদেহ উপুড় অবস্থায় দেখতেন পান তিনি।

এ ঘটনায় জোবায়েদের বড় ভাই এনায়েত বাদী হয়ে বংশাল থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে গত ৩০ জুন তিন আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় বংশাল থানার পুলিশ।

বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :