সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের পর এবার রাজধানী রিয়াদকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। তবে রিয়াদে ছোড়া দুটি মিসাইল ভূপাতিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট।
রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে সৌদির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে সতর্কতা জারি করা হয়। এর কিছুক্ষণ পর সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায় সেখানে একটি ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল হুথিরা। যা সফলভাবে ভূপাতিত করা হয়েছে।
এর প্রায় দুই ঘণ্টা পর রাজধানী রিয়াদকে লক্ষ্য করে দুটি ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ে ইয়েমেনের বিদ্রোহীরা। এ দুটি মিসাইলও সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি আরব।
গত জুলাই থেকে সৌদি আরব ও হুথিরা একেঅপরের বিরুদ্ধে হামলা ও পাল্টা হামলা চালাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে যা চরম আকার ধারণ করেছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সৌদির বিমানবাহিনী ইয়েমেনের রাজধানী সানার একটি গ্রামে বিমান হামলা চালায়। এতে সেখানে অন্তত ৩৩ জন নিহত হয়েছেন। এরপরই সৌদিতে আবারও ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে ইয়েমেনের বিদ্রোহীরা।
জুলাইয়ের আগে দীর্ঘদিন সৌদি ও হুথিদের মধ্যে সম্পর্ক তুলনামূলক শান্ত ছিল। কিন্তু ওই মাসে ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথি এবং সৌদি-সমর্থিত সরকারের মধ্যে পুনরায় যুদ্ধ শুরু হয়, যা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ক্ষেত্রে একটি নতুন ফ্রন্ট খুলে দিয়েছে।
তখন থেকেই সৌদি আরব নিয়মিতভাবে হুথিদের অবস্থানে বোমা বর্ষণ করে আসছে। অন্যদিকে, হুথি গোষ্ঠীও তেলসমৃদ্ধ সৌদি আরবের ওপর হামলার মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে সৌদির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে সতর্কতা জারি করা হয়। এর কিছুক্ষণ পর সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায় সেখানে একটি ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল হুথিরা। যা সফলভাবে ভূপাতিত করা হয়েছে।
এর প্রায় দুই ঘণ্টা পর রাজধানী রিয়াদকে লক্ষ্য করে দুটি ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ে ইয়েমেনের বিদ্রোহীরা। এ দুটি মিসাইলও সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি আরব।
গত জুলাই থেকে সৌদি আরব ও হুথিরা একেঅপরের বিরুদ্ধে হামলা ও পাল্টা হামলা চালাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে যা চরম আকার ধারণ করেছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সৌদির বিমানবাহিনী ইয়েমেনের রাজধানী সানার একটি গ্রামে বিমান হামলা চালায়। এতে সেখানে অন্তত ৩৩ জন নিহত হয়েছেন। এরপরই সৌদিতে আবারও ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছে ইয়েমেনের বিদ্রোহীরা।
জুলাইয়ের আগে দীর্ঘদিন সৌদি ও হুথিদের মধ্যে সম্পর্ক তুলনামূলক শান্ত ছিল। কিন্তু ওই মাসে ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথি এবং সৌদি-সমর্থিত সরকারের মধ্যে পুনরায় যুদ্ধ শুরু হয়, যা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ক্ষেত্রে একটি নতুন ফ্রন্ট খুলে দিয়েছে।
তখন থেকেই সৌদি আরব নিয়মিতভাবে হুথিদের অবস্থানে বোমা বর্ষণ করে আসছে। অন্যদিকে, হুথি গোষ্ঠীও তেলসমৃদ্ধ সৌদি আরবের ওপর হামলার মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে