ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রাম পার্শ্ববর্তী বরিশল ইউনিয়নে যুক্ত করার প্রতিবাদে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রায় চার ঘণ্টা অবরোধের পর জেলা বিএনপির নেতাদের আশ্বাসে কর্মসূচি স্থগিত করেন তারা। তবে আগামী তিন দিনের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে আবারও আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
রোববার (৮ নভেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে অবরোধ তুলে নেয়া হয়। এতে বেলা ১১টা ৫০ মিনিট থেকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে। একই সঙ্গে আখাউড়া-আগরতলা সড়কেও যান চলাচল শুরু হয়।
রেলপথ অবরোধের কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটগামী অন্তত সাতটি আন্তঃনগর ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের মে মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের কোড্ডা, বৈষ্ণবপুর, শ্যামনগর, কোড়াবাড়ি, চান্দি ও বরিশল—এই ছয়টি গ্রাম নিয়ে নতুন বরিশল ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করে আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এ বিষয়ে গত ৪ জুন গেজেট প্রকাশিত হয়। শুরু থেকেই এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিলেন বাসুদেব ইউনিয়নের বাসিন্দারা।
সম্প্রতি সদর উপজেলার বাসুদেব, সুলতানপুর ও রামরাইল ইউনিয়ন ভেঙে আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা বরিশল ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে ‘বরিশল’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাবের বিষয়টি সামনে আসে। স্থানীয়দের অভিযোগ, জেলা বিএনপির নেতা কবির আহমেদ ভূঁইয়ার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দাপ্তরিক চিঠি পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী।
পরে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে আগামী তিন দিনের জন্য অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করেন তারা।
সিরাজুল ইসলাম জানান, আন্দোলনকারীদের কয়েকজন প্রতিনিধিকে নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বৈঠক করা হবে। সেখানে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের কর্তব্যরত স্টেশনমাস্টার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, রেলপথ থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার পর বিভিন্ন স্টেশনে আটকে থাকা ট্রেনগুলো বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সকাল থেকেই ঘটনাস্থলে পুলিশ দায়িত্ব পালন করেছে। অবরোধ স্থগিত হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
রোববার (৮ নভেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে অবরোধ তুলে নেয়া হয়। এতে বেলা ১১টা ৫০ মিনিট থেকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে। একই সঙ্গে আখাউড়া-আগরতলা সড়কেও যান চলাচল শুরু হয়।
রেলপথ অবরোধের কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটগামী অন্তত সাতটি আন্তঃনগর ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের মে মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের কোড্ডা, বৈষ্ণবপুর, শ্যামনগর, কোড়াবাড়ি, চান্দি ও বরিশল—এই ছয়টি গ্রাম নিয়ে নতুন বরিশল ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করে আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এ বিষয়ে গত ৪ জুন গেজেট প্রকাশিত হয়। শুরু থেকেই এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিলেন বাসুদেব ইউনিয়নের বাসিন্দারা।
সম্প্রতি সদর উপজেলার বাসুদেব, সুলতানপুর ও রামরাইল ইউনিয়ন ভেঙে আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা বরিশল ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে ‘বরিশল’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাবের বিষয়টি সামনে আসে। স্থানীয়দের অভিযোগ, জেলা বিএনপির নেতা কবির আহমেদ ভূঁইয়ার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দাপ্তরিক চিঠি পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী।
পরে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে আগামী তিন দিনের জন্য অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করেন তারা।
সিরাজুল ইসলাম জানান, আন্দোলনকারীদের কয়েকজন প্রতিনিধিকে নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বৈঠক করা হবে। সেখানে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের কর্তব্যরত স্টেশনমাস্টার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, রেলপথ থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার পর বিভিন্ন স্টেশনে আটকে থাকা ট্রেনগুলো বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সকাল থেকেই ঘটনাস্থলে পুলিশ দায়িত্ব পালন করেছে। অবরোধ স্থগিত হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন