মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে সরকার দক্ষিণাঞ্চলে নতুন অর্থনৈতিক হাব গড়ে তুলবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ১৫ দিনের মধ্যে দুবার মোংলা বন্দর পরিদর্শন করেছেন।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়ন ও সম্ভাবনা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) মোংলা বন্দর জেটিতে ‘মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের’ নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের অভিষেক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মোংলা বন্দরের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, বন্দরে নতুন কনটেইনার জেটি, ইয়ার্ড ও আধুনিক সরঞ্জাম স্থাপন করা হচ্ছে। এখানে চায়না ইপিজেড গড়ে উঠছে।
এ অঞ্চলে অনেক বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান আসছে। ভাগা থেকে মোংলা পর্যন্ত মহাসড়ক সম্প্রসারণের কাজ চলছে। পাশাপাশি রেল যোগাযোগও চালু হবে।
তিনি বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও দক্ষিণ-উত্তরাঞ্চলে জ্বালানি ও শিল্পায়নের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।
সরকার এ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে উদ্যোগ নিয়েছেন। বর্তমান সরকারের মেয়াদেই মোংলাকে কেন্দ্র করে দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতি, অবকাঠামো, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হবে।
নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাকে জানিয়েছেন যে মোংলা, খুলনা, ফরিদপুর ও বরিশাল অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে পিছিয়ে রয়েছে। একটি অঞ্চলকে পিছিয়ে রেখে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।
জ্বালানি সংকটের সমাধানে কাজ চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিল্পায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা তৈরি এবং সেবা খাত প্রতিষ্ঠায় সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।
এখন প্রয়োজন স্বস্তি, শান্তি ও অগ্রগতির লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা। তা না হলে বৃহত্তর খুলনা, ফরিদপুর ও বরিশাল অঞ্চলের মানুষের সম্ভাবনা, যোগ্যতা ও সক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হবে না; বরং তা আবারও ভূলুণ্ঠিত হতে পারে।
তিনি বলেন, বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। মতপার্থক্য থাকবে, তবে বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে ঐকমত্যে পৌঁছাতে হবে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়ন ও সম্ভাবনা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) মোংলা বন্দর জেটিতে ‘মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের’ নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের অভিষেক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মোংলা বন্দরের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, বন্দরে নতুন কনটেইনার জেটি, ইয়ার্ড ও আধুনিক সরঞ্জাম স্থাপন করা হচ্ছে। এখানে চায়না ইপিজেড গড়ে উঠছে।
এ অঞ্চলে অনেক বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান আসছে। ভাগা থেকে মোংলা পর্যন্ত মহাসড়ক সম্প্রসারণের কাজ চলছে। পাশাপাশি রেল যোগাযোগও চালু হবে।
তিনি বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও দক্ষিণ-উত্তরাঞ্চলে জ্বালানি ও শিল্পায়নের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।
সরকার এ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে উদ্যোগ নিয়েছেন। বর্তমান সরকারের মেয়াদেই মোংলাকে কেন্দ্র করে দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতি, অবকাঠামো, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হবে।
নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাকে জানিয়েছেন যে মোংলা, খুলনা, ফরিদপুর ও বরিশাল অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে পিছিয়ে রয়েছে। একটি অঞ্চলকে পিছিয়ে রেখে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।
জ্বালানি সংকটের সমাধানে কাজ চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিল্পায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা তৈরি এবং সেবা খাত প্রতিষ্ঠায় সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।
এখন প্রয়োজন স্বস্তি, শান্তি ও অগ্রগতির লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা। তা না হলে বৃহত্তর খুলনা, ফরিদপুর ও বরিশাল অঞ্চলের মানুষের সম্ভাবনা, যোগ্যতা ও সক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হবে না; বরং তা আবারও ভূলুণ্ঠিত হতে পারে।
তিনি বলেন, বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। মতপার্থক্য থাকবে, তবে বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে ঐকমত্যে পৌঁছাতে হবে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন