পশ্চিমবঙ্গে তিন কনটেন্ট ক্রিয়েটর গ্রেপ্তার

আপলোড সময় : ০৬-১১-২০২৬ ০৩:২৪:৪২ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৬-১১-২০২৬ ০৩:২৪:৪২ অপরাহ্ন
ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার এবং দলটির বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে সমালোচনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার কারণে পশ্চিমবঙ্গের তিন কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত তিন কনটেন্ট ক্রিয়েটর হলেন―আকাশ সরকার, সুরজিৎ শী এবং শ্রীময়ী চক্রবর্তী। তাদের গ্রেপ্তারের পরই অবশ্য পুলিশের পদক্ষেপ ও বাকস্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন ও সমালোচনা শুরু হয়েছে রাজ্যজুড়ে।

পশ্চিমবঙ্গের তথ্য যাচাইকারী সংস্থা অল্ট নিউজের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য। প্রতিবেদন অনুযায়ী পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে আকাশ সরকার গত ২৯ অক্টোবর তিনদিন পুলিশ হেফাজতে থাকার পর আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন। আর শ্রীময়ীকে গত ২৬ অক্টোবর ব্যক্তিগত বন্ডে মুক্তি দিয়েছে বিধাননগর পূর্ব থানা। 

এ দুই কনটেন্ট ক্রিয়েটর মুক্তি পেলেও ‘কোর বাংলা জনগণঠা’ নামের জনপ্রিয় ফেসবুক পেজের উপস্থাপক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর সুরজিৎ এখনো পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা করা হয়েছে।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ―দুর্গা পূর্জার সময় চোরবাগানের পদপিষ্টে ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনা এবং সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পোস্ট করেছিলেন। ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির সদস্য সুরজিতের পরিবারের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের আগে স্থানীয় বিজেপি-আরএসএস কর্মীরা তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে এবং পরবর্তীতে তাদের ছেলেকে পুলিশের কাছে তুলে দেয়া হয়।

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সুরজিতের আইনজীবী ও স্বজনদের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাজানো মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের ছেলেকে।

অন্যদিকে, পদপিষ্টের ঘটনা এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে উদ্দেশ্য করে কটাক্ষমূলক পোস্ট করার কারণে গত ২৫ অক্টোবর নাগড়াবাজারের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আকাশ সরকারকে। তার দাবি―পূজামণ্ডপে বিশৃঙ্খলা ও প্রতিমা বিসর্জনে প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলার কারণে তাকে ফাঁসানো হয়েছে। আর ‘তিন বাটি’ রাজনৈতিক কটাক্ষ ও মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কারণে শ্রীময়ীকে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়।


বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন 

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :