ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৮৩টি ভবনের ছাদে ১৬.৬৩ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। প্রকল্পটি চালু হলে বছরে প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে। একই সঙ্গে প্রকল্পের মেয়াদে বিদ্যুৎ ব্যয় বাবদ ২০০ কোটি টাকারও বেশি সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নগর ভবনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, স্টেকল করপোরেশন এবং লোডস্টার ইনোভেশন পার্টনার্সের মধ্যে এ-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
‘ওপেক্স’ (OPEX) মডেলে বাস্তবায়িতব্য এ প্রকল্পে সম্পূর্ণ অর্থায়ন, স্থাপন ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা। ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে ডিএসসিসির নিজস্ব অর্থায়নের প্রয়োজন হবে না।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, উৎপাদিত সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে ডিপিডিসির বর্তমান বিদ্যুৎ মূল্যহারের তুলনায় ডিএসসিসির উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে প্রকল্পটি। এর মাধ্যমে প্রতিবছর প্রায় ১২ হাজার ৬০০ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমবে। ২৫ বছরে মোট প্রায় ৩ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের সম্ভাবনা রয়েছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাওয়ার চায়না বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি ম্যানেজার লিউ ঝি, স্টেকল কর্পোরেশন (দক্ষিণ এশিয়া)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট গং চ্যাংয়িন এবং প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশ অফিসের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জিয়াং নিংগান।
লোডস্টার ইনোভেশন পার্টনার্সেরপক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব মোহাম্মদ হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ডিএসসিসির পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খায়বার রহমান, প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, প্রধান এস্টেট কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা জুনায়েদ কবির সোহাগ, নির্বাহী প্রকৌশলী (তড়িৎ) নূর মোহাম্মদ এবং সচিব মো. মাশিউর রহমান খানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
প্রকল্পে স্টেকল কর্পোরেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন ঠিকাদার ও প্রধান কারিগরি অংশীদার হিসেবে কাজ করবে। অন্যদিকে, প্রকল্পের ডেভেলপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে লোডস্টার ইনোভেশন পার্টনার্স।
উল্লেখ্য, ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত স্টেকল কর্পোরেশন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অবকাঠামো ও প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান পাওয়ার চায়নার অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। পাওয়ার চায়না ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকাভুক্ত একটি কোম্পানি।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ, বিদ্যুৎ ব্যয় কমানো এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্যে ডিএসসিসির এ উদ্যোগকে নগর অবকাঠামোয় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নগর ভবনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, স্টেকল করপোরেশন এবং লোডস্টার ইনোভেশন পার্টনার্সের মধ্যে এ-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
‘ওপেক্স’ (OPEX) মডেলে বাস্তবায়িতব্য এ প্রকল্পে সম্পূর্ণ অর্থায়ন, স্থাপন ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা। ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে ডিএসসিসির নিজস্ব অর্থায়নের প্রয়োজন হবে না।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, উৎপাদিত সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে ডিপিডিসির বর্তমান বিদ্যুৎ মূল্যহারের তুলনায় ডিএসসিসির উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে প্রকল্পটি। এর মাধ্যমে প্রতিবছর প্রায় ১২ হাজার ৬০০ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমবে। ২৫ বছরে মোট প্রায় ৩ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের সম্ভাবনা রয়েছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাওয়ার চায়না বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি ম্যানেজার লিউ ঝি, স্টেকল কর্পোরেশন (দক্ষিণ এশিয়া)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট গং চ্যাংয়িন এবং প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশ অফিসের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জিয়াং নিংগান।
লোডস্টার ইনোভেশন পার্টনার্সেরপক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব মোহাম্মদ হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ডিএসসিসির পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খায়বার রহমান, প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, প্রধান এস্টেট কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা জুনায়েদ কবির সোহাগ, নির্বাহী প্রকৌশলী (তড়িৎ) নূর মোহাম্মদ এবং সচিব মো. মাশিউর রহমান খানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
প্রকল্পে স্টেকল কর্পোরেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন ঠিকাদার ও প্রধান কারিগরি অংশীদার হিসেবে কাজ করবে। অন্যদিকে, প্রকল্পের ডেভেলপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে লোডস্টার ইনোভেশন পার্টনার্স।
উল্লেখ্য, ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত স্টেকল কর্পোরেশন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অবকাঠামো ও প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান পাওয়ার চায়নার অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। পাওয়ার চায়না ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকাভুক্ত একটি কোম্পানি।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ, বিদ্যুৎ ব্যয় কমানো এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্যে ডিএসসিসির এ উদ্যোগকে নগর অবকাঠামোয় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন