যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে ইরান হয়ে তুর্কমেনিস্তান থেকে গ্যাস আমদানি বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে তুরস্ক। সম্প্রতি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক ব্রিফিংয়ে দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী আলপারসলান বায়রাকতার এ তথ্য জানিয়েছেন।
২০২৫ সালের মার্চে ইরানি অবকাঠামো ব্যবহার করে বার্ষিক ১৩০ কোটি ঘনমিটার গ্যাস সরবরাহের চুক্তি অনুযায়ী তুরস্ক গ্যাস গ্রহণ শুরু করে। তবে মার্কিন বৈদেশিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণ দফতরের (ওএফএসি) হস্তক্ষেপ এবং মার্কিন-ইরান যুদ্ধের কারণে এটি বন্ধ হয়ে যায়।
বায়রাকতার বলেন, আমরা ইরানকে কোনও অর্থ না দেওয়া সত্ত্বেও পরিস্থিতি মার্কিন-ইরানের মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় আমদানি বন্ধ করতে হয়।
ইসরায়েলে সরকার গঠনের দায়িত্ব কার, জানা যাবে রবিবারইসরায়েলে সরকার গঠনের দায়িত্ব কার, জানা যাবে রবিবার
তুর্কমেনিস্তানের প্রাচুর্যপূর্ণ গ্যাস তুরস্ক ও ইউরোপের চাহিদা মেটাতে বিকল্প হতে পারে বলে মনে করেন তুর্কি জ্বালানিমন্ত্রী। তিনি জানান, ট্রান্স-আনাতোলিয়ান গ্যাসে তুরস্কের অতিরিক্ত ক্ষমতা রয়েছে এবং তারা ইউরোপে গ্যাস রফতানি দ্বিগুণ করতে প্রস্তুত। তবে কাস্পিয়ান সাগরের অর্থনৈতিক অঞ্চল বিরোধ এবং অবকাঠামোগত জটিলতার কারণে তুর্কমেনিস্তান ও আজারবাইজানের মধ্যে পাইপলাইন নির্মাণ কঠিন হচ্ছে।
এদিকে ইরানের সঙ্গে তুরস্কের নিজস্ব গ্যাস চুক্তির মেয়াদ এ বছরের নভেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই চুক্তি নবায়ন করা হবে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
২০২৫ সালের মার্চে ইরানি অবকাঠামো ব্যবহার করে বার্ষিক ১৩০ কোটি ঘনমিটার গ্যাস সরবরাহের চুক্তি অনুযায়ী তুরস্ক গ্যাস গ্রহণ শুরু করে। তবে মার্কিন বৈদেশিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণ দফতরের (ওএফএসি) হস্তক্ষেপ এবং মার্কিন-ইরান যুদ্ধের কারণে এটি বন্ধ হয়ে যায়।
বায়রাকতার বলেন, আমরা ইরানকে কোনও অর্থ না দেওয়া সত্ত্বেও পরিস্থিতি মার্কিন-ইরানের মধ্যে উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় আমদানি বন্ধ করতে হয়।
ইসরায়েলে সরকার গঠনের দায়িত্ব কার, জানা যাবে রবিবারইসরায়েলে সরকার গঠনের দায়িত্ব কার, জানা যাবে রবিবার
তুর্কমেনিস্তানের প্রাচুর্যপূর্ণ গ্যাস তুরস্ক ও ইউরোপের চাহিদা মেটাতে বিকল্প হতে পারে বলে মনে করেন তুর্কি জ্বালানিমন্ত্রী। তিনি জানান, ট্রান্স-আনাতোলিয়ান গ্যাসে তুরস্কের অতিরিক্ত ক্ষমতা রয়েছে এবং তারা ইউরোপে গ্যাস রফতানি দ্বিগুণ করতে প্রস্তুত। তবে কাস্পিয়ান সাগরের অর্থনৈতিক অঞ্চল বিরোধ এবং অবকাঠামোগত জটিলতার কারণে তুর্কমেনিস্তান ও আজারবাইজানের মধ্যে পাইপলাইন নির্মাণ কঠিন হচ্ছে।
এদিকে ইরানের সঙ্গে তুরস্কের নিজস্ব গ্যাস চুক্তির মেয়াদ এ বছরের নভেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই চুক্তি নবায়ন করা হবে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন