গাজীপুর সাফারি পার্কে নীলগাইয়ের পালে জন্ম নিয়েছে নতুন চারটি শাবক। নতুন জন্ম নেয়া শাবকগুলো দিনভর মায়ের ছায়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে বনজুড়ে। খুনসুটি করে সময় পার করছে। তবে দর্শনার্থীদের দেখলেই দৌড়ে পালিয়ে যায় বনের ভেতর। অন্যদিকে শাবকগুলো দেখে আনন্দ পাচ্ছে পার্কে আসা দর্শনার্থীরা বিশেষ করে শিশুরা। পার্ক কর্তৃপক্ষও শাবকগুলোকে বিশেষ পরিচর্যা দিচ্ছে।
নীল গাই দেখতে অনেকটা গরু ও হরিণের মতো হলেও এটি প্রকৃতপক্ষে অ্যান্টিলোপ প্রজাতির বন্য প্রাণী। পুরুষ নীল গাইয়ের শরীর নীলচে-ধূসর এবং স্ত্রী নীল গাইয়ের শরীর বাদামি রঙের হয়ে থাকে। এরা সাধারণত খোলা বন, তৃণভূমি ও ঝোপঝাড়পূর্ণ এলাকায় বসবাস করে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এ প্রাণীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত গাজীপুর সাফারি পার্কের কোর সাফারিতে গিয়ে দেখা যায় খুব সতর্ক অবস্থায় গাছের ছায়ায় শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছে শাবক গুলো। পাশেই সামান্য দুরে সতর্ক অবস্থায় শাবকের দিকে তীক্ষ্ণ নজর রেখেছে মা নীলগাই ।
গাজীপুর সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক তারেক রহমান জানান, মাস দেড়েক আগে গাজীপুর সাফারি পার্কের কোর সাফারির হরিণ সাফারিতে নীলগাইয়ের সাথে নতুন চারটি শাবককে বিচরণরত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। এরপর থেকেই তাদের প্রতি বিশেষ যত্ন রাখা হচ্ছে, সর্বক্ষণ একজনকে তাদের দেখভালের জন্য হরিণ সাফারিতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে শাবক গুলোর বয়স দেড় মাসের মতো হবে। তবে শাবক গুলো মাদী না পুরুষ তা এখনো শনাক্ত করা যায়নি। নিরাপত্তার জন্য কাছাকাছি গিয়ে তা নির্ধারণের চেষ্টাও করেনি কর্তৃপক্ষ।
তিনি আরও জানান, বিভিন্ন সময় দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে নীলগাই উদ্ধার করে গাজীপুর সাফারি পার্কে আনা হয়। পরবর্তীতে বেশ কয়েকটি শাবকের জন্ম দেয় গাজীপুর সাফারি পার্কে। সবশেষ পার্কে ১১টি নীল গাই ছিল, এর মধ্যে দুইটি নীলগাই কক্সবাজারের ডুলাহাজরা সাফারি পার্কে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পার্কে ৯টি নীল গাই রয়েছে এর মধ্যে নতুন শাবক ৪টি নিয়ে বর্তমানে পার্কে নীলগাইয়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩টিতে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
নীল গাই দেখতে অনেকটা গরু ও হরিণের মতো হলেও এটি প্রকৃতপক্ষে অ্যান্টিলোপ প্রজাতির বন্য প্রাণী। পুরুষ নীল গাইয়ের শরীর নীলচে-ধূসর এবং স্ত্রী নীল গাইয়ের শরীর বাদামি রঙের হয়ে থাকে। এরা সাধারণত খোলা বন, তৃণভূমি ও ঝোপঝাড়পূর্ণ এলাকায় বসবাস করে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এ প্রাণীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত গাজীপুর সাফারি পার্কের কোর সাফারিতে গিয়ে দেখা যায় খুব সতর্ক অবস্থায় গাছের ছায়ায় শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছে শাবক গুলো। পাশেই সামান্য দুরে সতর্ক অবস্থায় শাবকের দিকে তীক্ষ্ণ নজর রেখেছে মা নীলগাই ।
গাজীপুর সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক তারেক রহমান জানান, মাস দেড়েক আগে গাজীপুর সাফারি পার্কের কোর সাফারির হরিণ সাফারিতে নীলগাইয়ের সাথে নতুন চারটি শাবককে বিচরণরত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। এরপর থেকেই তাদের প্রতি বিশেষ যত্ন রাখা হচ্ছে, সর্বক্ষণ একজনকে তাদের দেখভালের জন্য হরিণ সাফারিতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে শাবক গুলোর বয়স দেড় মাসের মতো হবে। তবে শাবক গুলো মাদী না পুরুষ তা এখনো শনাক্ত করা যায়নি। নিরাপত্তার জন্য কাছাকাছি গিয়ে তা নির্ধারণের চেষ্টাও করেনি কর্তৃপক্ষ।
তিনি আরও জানান, বিভিন্ন সময় দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে নীলগাই উদ্ধার করে গাজীপুর সাফারি পার্কে আনা হয়। পরবর্তীতে বেশ কয়েকটি শাবকের জন্ম দেয় গাজীপুর সাফারি পার্কে। সবশেষ পার্কে ১১টি নীল গাই ছিল, এর মধ্যে দুইটি নীলগাই কক্সবাজারের ডুলাহাজরা সাফারি পার্কে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পার্কে ৯টি নীল গাই রয়েছে এর মধ্যে নতুন শাবক ৪টি নিয়ে বর্তমানে পার্কে নীলগাইয়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩টিতে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে