পেঙ্গুইনের মলের কারণে অ্যান্টার্কটিকার বরফ আগের চেয়ে অনেক দ্রুত গলছে, সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমন তথ্যই উঠে এসেছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পেঙ্গুইনগুলো এখন দক্ষিণ মেরুর আরও কাছাকাছি চলে যাচ্ছে। ফলে আগে যা সেভাবে কারও নজরে আসেনি, সেই এই ঘটনাটি ভবিষ্যতে আরও বিশাল অঞ্চলজুড়ে প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন গবেষকরা।
তুষার শ্যাওলা (স্নো অ্যালগি) হলো এমন এক ধরনের ক্ষুদ্র এককোষী উদ্ভিদ, যা পৃথিবীর অন্যতম শীতল কিছু জায়গায় বসবাস করে। যখন পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি দেখা দেয়, তখন এই শ্যাওলাগুলো রোদ থেকে নিজেদের রক্ষা করতে এবং বৃদ্ধির গতি ধীর করতে লাল রঙের রঞ্জক পদার্থ তৈরি করে।
আর যখন প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়, তখন এরা দ্রুত বংশবিস্তার করে। এ সময় সালোকসংশ্লেষণ বাড়াতে এবং নিজেদের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এরা তাদের কোষে সবুজ ক্লোরোফিল ভরিয়ে তোলে। লাল শ্যাওলাযুক্ত বরফের তুলনায় সবুজ শ্যাওলাযুক্ত বরফ সূর্যের তাপ বা সৌর শক্তি অনেক বেশি পরিমাণে শোষণ করে, যার ফলে বরফ আরও দ্রুত গলতে শুরু করে।
কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের আলিয়া খান এবং তার গবেষণা দল পেঙ্গুইনের মলের সঙ্গে তুষার শ্যাওলার সম্পর্কের প্রভাব বুঝতে চেয়েছিলেন। এই উদ্দেশ্যে তারা নাক বন্ধ করে পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকা উপদ্বীপের উপকূলীয় অঞ্চল থেকে, যেখানে পেঙ্গুইনের কলোনি রয়েছে এবং যেখানে নেই; এমন উভয় স্থান থেকেই লাল ও সবুজ তুষার শ্যাওলার নমুনা সংগ্রহ করেন।
‘জার্নাল অফ জিওফিজিক্যাল রিসার্চ: বায়োসাইন্সেস’-এ প্রকাশিত তাদের গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে যে, পেঙ্গুইনগুলো তাদের চলাফেরার মাধ্যমে বরফের ওপর নিজেদের মল বা গুয়ানো ছড়িয়ে দিচ্ছে। এর ফলে অজান্তেই শ্যাওলাগুলোর খাবারের জোগান হচ্ছে এবং সবুজ শ্যাওলার বিস্তার বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে, যা বরফ গলে যাওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলা সম্পর্কিত বর্তমান কোনো পূর্বাভাস বা প্রক্ষেপণেই এখনও এই বিষয়টিকে হিসাবে ধরা হয়নি। তবে এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে, বিশেষ করে যেহেতু পেনগুইনগুলো এখন দক্ষিণ দিকে সরে যাচ্ছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
তুষার শ্যাওলা (স্নো অ্যালগি) হলো এমন এক ধরনের ক্ষুদ্র এককোষী উদ্ভিদ, যা পৃথিবীর অন্যতম শীতল কিছু জায়গায় বসবাস করে। যখন পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি দেখা দেয়, তখন এই শ্যাওলাগুলো রোদ থেকে নিজেদের রক্ষা করতে এবং বৃদ্ধির গতি ধীর করতে লাল রঙের রঞ্জক পদার্থ তৈরি করে।
আর যখন প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়, তখন এরা দ্রুত বংশবিস্তার করে। এ সময় সালোকসংশ্লেষণ বাড়াতে এবং নিজেদের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এরা তাদের কোষে সবুজ ক্লোরোফিল ভরিয়ে তোলে। লাল শ্যাওলাযুক্ত বরফের তুলনায় সবুজ শ্যাওলাযুক্ত বরফ সূর্যের তাপ বা সৌর শক্তি অনেক বেশি পরিমাণে শোষণ করে, যার ফলে বরফ আরও দ্রুত গলতে শুরু করে।
কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের আলিয়া খান এবং তার গবেষণা দল পেঙ্গুইনের মলের সঙ্গে তুষার শ্যাওলার সম্পর্কের প্রভাব বুঝতে চেয়েছিলেন। এই উদ্দেশ্যে তারা নাক বন্ধ করে পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকা উপদ্বীপের উপকূলীয় অঞ্চল থেকে, যেখানে পেঙ্গুইনের কলোনি রয়েছে এবং যেখানে নেই; এমন উভয় স্থান থেকেই লাল ও সবুজ তুষার শ্যাওলার নমুনা সংগ্রহ করেন।
‘জার্নাল অফ জিওফিজিক্যাল রিসার্চ: বায়োসাইন্সেস’-এ প্রকাশিত তাদের গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে যে, পেঙ্গুইনগুলো তাদের চলাফেরার মাধ্যমে বরফের ওপর নিজেদের মল বা গুয়ানো ছড়িয়ে দিচ্ছে। এর ফলে অজান্তেই শ্যাওলাগুলোর খাবারের জোগান হচ্ছে এবং সবুজ শ্যাওলার বিস্তার বহুগুণ বেড়ে যাচ্ছে, যা বরফ গলে যাওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলা সম্পর্কিত বর্তমান কোনো পূর্বাভাস বা প্রক্ষেপণেই এখনও এই বিষয়টিকে হিসাবে ধরা হয়নি। তবে এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে, বিশেষ করে যেহেতু পেনগুইনগুলো এখন দক্ষিণ দিকে সরে যাচ্ছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে