​বিশ্ববাজারে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম

আপলোড সময় : ০৪-১১-২০২৬ ০৫:৩৮:৩৩ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৪-১১-২০২৬ ০৫:৩৮:৩৩ অপরাহ্ন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির বিপর্যয়ের পর দেশটির রাজনৈতিক ও সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।

এসব কারণে বুধবার আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। খবর রয়টার্স

বুধবার (৪ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭৬ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ১০৪ ডলার ৩৬ সেন্টে দাঁড়ায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেল ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ৬৩ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৯৬ ডলার ৭২ সেন্টে ওঠে। এর আগে লেনদেনের শুরুতে দুই ধরনের তেলের দাম কমেছিল।

এর আগের দিন ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় চার সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। ইউক্রেন ও ইরানের যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা এগোনোর সম্ভাবনা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আশাবাদের প্রভাব পড়েছিল বাজারে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট গণনার মধ্যে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে ডেমোক্রেটিক পার্টি। ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বাকি সময়ে কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাচ্ছে রিপাবলিকানরা।

বাজার বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ফিলিপ নোভার বাজার বিশ্লেষণ বিভাগের প্রধান প্রিয়াঙ্কা সচদেবা বলেন, ট্রাম্পের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের কারণে বিনিয়োগকারীরা বাজারের গতিপ্রকৃতি বুঝতে পারছেন না। একদিকে ইরানে সামরিক হামলা চলছে, অন্যদিকে ট্রাম্প সংঘাত আরো বাড়ার আশঙ্কা কমিয়ে দেখাচ্ছেন।

প্রিয়াঙ্কা সচদেবার মতে, অক্টোবরে তেলের দামে বড় উত্থানের পর কিছু বিনিয়োগকারী মুনাফা তুলে নিচ্ছেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ কমাচ্ছেন। তবে হরমুজ প্রণালিতে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা এখনো রয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের মজুদ অপ্রত্যাশিতভাবে কমে যাওয়ায় দাম বাড়ার পক্ষে সমর্থন তৈরি হয়েছে।

তেলের বাজারে দাম বাড়ার আরেকটি কারণ যুক্তরাষ্ট্রের মজুদ কমে যাওয়া। বাজারসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বুধবার রয়টার্স জানায়, ৩০ অক্টোবর শেষ হওয়া সপ্তাহে দেশটির অপরিশোধিত তেলের মজুদ ৫২ লাখ ৭০ হাজার ব্যারেল কমেছে। আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের (এপিআই) তথ্য অনুযায়ী, মজুদের এই পতন বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের বিপরীত।

রয়টার্সের জরিপে অংশ নেওয়া আটজন বিশ্লেষক ওই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের মজুদ গড়ে ৮ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল বাড়বে বলে ধারণা করেছিলেন।

একই সময়ে দেশটিতে গ্যাসোলিনের মজুদ ১৪ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল বেড়েছে। তবে ডিজেলসহ অন্যান্য পাতনজাত জ্বালানির মজুদ কমেছে ১১ লাখ ৯০ হাজার ব্যারেল।

বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :