রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে পরাজিত করে মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদ। নির্বাচিত হলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সিনেটে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম মুসলিম আমেরিকান হিসেবে নতুন ইতিহাস গড়বেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সিনেট নির্বাচনে আবদুল এল-সায়েদের জয়ী হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে ডিসিশন ডেস্ক এইচকিউ। রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে হারিয়ে সিনেটের উচ্চকক্ষে যাওয়ার পথে রয়েছেন তিনি। তাঁর এই জয় নিশ্চিত হলে মার্কিন সিনেটে প্রথম মুসলিম আমেরিকানের প্রতিনিধিত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে।
পেশায় চিকিৎসক এল-সায়েদ এর আগে ডেট্রয়েট ও ওয়েইন কাউন্টির স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক রজার্স সাবেক কংগ্রেস সদস্য এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থনপুষ্ট প্রার্থী। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মিশিগানে অল্প ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন ট্রাম্প।
বুধবার (০৪ নভেম্বর) ভোর পর্যন্ত ৫২ শতাংশ ভোট গণনা শেষে এল-সায়েদ পেয়েছিলেন ৫০ শতাংশের কিছু বেশি ভোট। অন্যদিকে রজার্সের প্রাপ্ত ভোট ছিল ৪৭ শতাংশের বেশি।
স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনযাত্রার ব্যয় প্রচারের মূল ইস্যু
নির্বাচনী প্রচারে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং মিশিগানের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বিষয়টিকে গুরুত্ব দেন এল-সায়েদ। তবে তাঁর মুসলিম পরিচয় এবং ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধ নিয়ে অবস্থানকে কেন্দ্র করে প্রচারের সময় তাঁকে নানা বিতর্ক ও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে।
নির্বাচনের কয়েক দিন আগে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভেতরেও বড় ধরনের বিরোধ দেখা দেয়। মিশিগানের ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি হ্যালি স্টিভেন্স এবারের গ্রীষ্মে দলীয় প্রাইমারিতে এল-সায়েদের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। কিন্তু সিনেটর গ্যারি পিটার্সের ছেড়ে দেওয়া আসনে নির্বাচনের কয়েক দিন আগে তিনি হঠাৎ রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের প্রতি সমর্থন জানান।
স্টিভেন্সের এ সিদ্ধান্তে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতারা ক্ষুব্ধ হন। দলের শীর্ষ নেতারা তাঁর পদক্ষেপকে 'বিশ্বাসঘাতকতা' বলে অভিহিত করেন। এমনকি তাঁর নির্বাচনী দপ্তরের কয়েকজন কর্মীও পদত্যাগ করেন।
স্টিভেন্সের দাবি, ঘৃণামূলক বক্তব্য এবং রাজনৈতিকভাবে বামপন্থী অনলাইন ভাষ্যকার হাসান পাইকারের সঙ্গে এল-সায়েদের সম্পর্কের কারণেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এর আগে স্টিভেন্স রজার্সকে প্রেসিডেন্টের 'বিপজ্জনক রাজনৈতিক কর্মসূচির অন্ধ সমর্থক' বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।
তবে স্টিভেন্সের সমর্থন ঘোষণাকে গুরুত্ব দিতে চাননি এল-সায়েদ। বরং ওই ঘোষণার পর মাত্র চার ঘণ্টায় তাঁর নির্বাচনী তহবিলে ১২ লাখ ডলার জমা পড়েছে বলে জানান তিনি।
মুসলিম পরিচয় ঘিরে রাজনৈতিক আক্রমণ
২০২৪ সালের সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী এলিসা স্লটকিনের কাছে অল্প ব্যবধানে হেরেছিলেন মাইক রজার্স। ওই নির্বাচনে ট্রাম্প মিশিগানে জয় পেলেও সিনেট আসনটি নিজেদের দখলে নিতে পারেনি রিপাবলিকানরা।
এবারের প্রচারে রজার্স এল-সায়েদকে উগ্রপন্থী হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেন। অন্যদিকে মুসলিম ব্রাদারহুড নামের ইসলামপন্থী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ নাকচ করেন এল-সায়েদ।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে শেষ মুহূর্তের প্রচারে অংশ নেন ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। এ সময় এল-সায়েদের মুসলিম পরিচয় নিয়ে আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
তিনি এল-সায়েদকে 'সহিংস সন্ত্রাসী' বলে আখ্যায়িত করেন। তবে ট্রাম্পের এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত হতে অস্বীকৃতি জানান রজার্স। এ ছাড়া ট্রাম্প এল-সায়েদকে তাঁর মধ্যনাম 'মোহাম্মদ' বলেও সম্বোধন করেন।
এর জবাবে এল-সায়েদ বলেন, ‘তিনি আমার নাম কীভাবে উচ্চারণ করেন, তা নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই। এমনকি তিনি আমার পুরো নাম মনে রাখলেন কি না, সেটিও আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ নভেম্বরের পর তিনি আমাকে শুধু ‘সিনেটর’ বলেই ডাকতে পারবেন। আপনার কাছে আমি সিনেটর মোহাম্মদ হয়েই থাকব, ভাই।’
হাসান পাইকারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বিতর্কের পর তাঁর নির্বাচনী প্রচার থেকেও দূরত্ব বজায় রাখার উদ্যোগ নেন এল-সায়েদ।
ওবামা ও কমলা হ্যারিসের সমর্থন
মিশিগানের গুরুত্বপূর্ণ এ নির্বাচনে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসসহ ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রভাবশালী নেতাদের সমর্থন পেয়েছেন এল-সায়েদ।
নির্বাচনের আগে প্রকাশিত জনমত জরিপেও রজার্সের চেয়ে এগিয়ে ছিলেন তিনি। ভোটের আগের সপ্তাহান্তে প্রকাশিত নিউইয়র্ক টাইমস ও সিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরিপে এল-সায়েদের পক্ষে ১১ শতাংশ পয়েন্টের ব্যবধান দেখা যায়।
এ ছাড়া কয়েকটি বড় নির্বাচনী পূর্বাভাস সংস্থা মিশিগানের আসনটিকে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের অনুকূলে বিবেচনা করতে শুরু করে। এর ফলে মধ্যবর্তী নির্বাচনে দলটির বড় সাফল্যের প্রত্যাশা আরও জোরালো হয়।
মিশিগানে জন্ম, সিনেটে প্রথম মুসলিম আমেরিকান
আবদুল এল-সায়েদের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে। তাঁর বাবা-মা মিসরীয় অভিবাসী।
পেশায় চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এল-সায়েদ এর আগে ডেট্রয়েট ও ওয়েইন কাউন্টির স্বাস্থ্য বিভাগের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে তাঁর জয় যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে মুসলিম আমেরিকানদের প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক ঘটনা হতে যাচ্ছে। নির্বাচিত হলে মার্কিন সিনেটে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম মুসলিম আমেরিকান হবেন তিনি।
তবে প্রকাশিত নির্বাচনী পূর্বাভাস অনুযায়ী এল-সায়েদ জয়ী হলেও পূর্বাভাস এবং আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যয়িত নির্বাচনী ফলাফল এক নয়।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সিনেট নির্বাচনে আবদুল এল-সায়েদের জয়ী হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে ডিসিশন ডেস্ক এইচকিউ। রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে হারিয়ে সিনেটের উচ্চকক্ষে যাওয়ার পথে রয়েছেন তিনি। তাঁর এই জয় নিশ্চিত হলে মার্কিন সিনেটে প্রথম মুসলিম আমেরিকানের প্রতিনিধিত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে।
পেশায় চিকিৎসক এল-সায়েদ এর আগে ডেট্রয়েট ও ওয়েইন কাউন্টির স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক রজার্স সাবেক কংগ্রেস সদস্য এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থনপুষ্ট প্রার্থী। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মিশিগানে অল্প ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন ট্রাম্প।
বুধবার (০৪ নভেম্বর) ভোর পর্যন্ত ৫২ শতাংশ ভোট গণনা শেষে এল-সায়েদ পেয়েছিলেন ৫০ শতাংশের কিছু বেশি ভোট। অন্যদিকে রজার্সের প্রাপ্ত ভোট ছিল ৪৭ শতাংশের বেশি।
স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনযাত্রার ব্যয় প্রচারের মূল ইস্যু
নির্বাচনী প্রচারে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং মিশিগানের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বিষয়টিকে গুরুত্ব দেন এল-সায়েদ। তবে তাঁর মুসলিম পরিচয় এবং ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধ নিয়ে অবস্থানকে কেন্দ্র করে প্রচারের সময় তাঁকে নানা বিতর্ক ও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে।
নির্বাচনের কয়েক দিন আগে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভেতরেও বড় ধরনের বিরোধ দেখা দেয়। মিশিগানের ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি হ্যালি স্টিভেন্স এবারের গ্রীষ্মে দলীয় প্রাইমারিতে এল-সায়েদের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। কিন্তু সিনেটর গ্যারি পিটার্সের ছেড়ে দেওয়া আসনে নির্বাচনের কয়েক দিন আগে তিনি হঠাৎ রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের প্রতি সমর্থন জানান।
স্টিভেন্সের এ সিদ্ধান্তে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতারা ক্ষুব্ধ হন। দলের শীর্ষ নেতারা তাঁর পদক্ষেপকে 'বিশ্বাসঘাতকতা' বলে অভিহিত করেন। এমনকি তাঁর নির্বাচনী দপ্তরের কয়েকজন কর্মীও পদত্যাগ করেন।
স্টিভেন্সের দাবি, ঘৃণামূলক বক্তব্য এবং রাজনৈতিকভাবে বামপন্থী অনলাইন ভাষ্যকার হাসান পাইকারের সঙ্গে এল-সায়েদের সম্পর্কের কারণেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এর আগে স্টিভেন্স রজার্সকে প্রেসিডেন্টের 'বিপজ্জনক রাজনৈতিক কর্মসূচির অন্ধ সমর্থক' বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।
তবে স্টিভেন্সের সমর্থন ঘোষণাকে গুরুত্ব দিতে চাননি এল-সায়েদ। বরং ওই ঘোষণার পর মাত্র চার ঘণ্টায় তাঁর নির্বাচনী তহবিলে ১২ লাখ ডলার জমা পড়েছে বলে জানান তিনি।
মুসলিম পরিচয় ঘিরে রাজনৈতিক আক্রমণ
২০২৪ সালের সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী এলিসা স্লটকিনের কাছে অল্প ব্যবধানে হেরেছিলেন মাইক রজার্স। ওই নির্বাচনে ট্রাম্প মিশিগানে জয় পেলেও সিনেট আসনটি নিজেদের দখলে নিতে পারেনি রিপাবলিকানরা।
এবারের প্রচারে রজার্স এল-সায়েদকে উগ্রপন্থী হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেন। অন্যদিকে মুসলিম ব্রাদারহুড নামের ইসলামপন্থী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ নাকচ করেন এল-সায়েদ।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে শেষ মুহূর্তের প্রচারে অংশ নেন ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। এ সময় এল-সায়েদের মুসলিম পরিচয় নিয়ে আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
তিনি এল-সায়েদকে 'সহিংস সন্ত্রাসী' বলে আখ্যায়িত করেন। তবে ট্রাম্পের এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত হতে অস্বীকৃতি জানান রজার্স। এ ছাড়া ট্রাম্প এল-সায়েদকে তাঁর মধ্যনাম 'মোহাম্মদ' বলেও সম্বোধন করেন।
এর জবাবে এল-সায়েদ বলেন, ‘তিনি আমার নাম কীভাবে উচ্চারণ করেন, তা নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই। এমনকি তিনি আমার পুরো নাম মনে রাখলেন কি না, সেটিও আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ নভেম্বরের পর তিনি আমাকে শুধু ‘সিনেটর’ বলেই ডাকতে পারবেন। আপনার কাছে আমি সিনেটর মোহাম্মদ হয়েই থাকব, ভাই।’
হাসান পাইকারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বিতর্কের পর তাঁর নির্বাচনী প্রচার থেকেও দূরত্ব বজায় রাখার উদ্যোগ নেন এল-সায়েদ।
ওবামা ও কমলা হ্যারিসের সমর্থন
মিশিগানের গুরুত্বপূর্ণ এ নির্বাচনে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসসহ ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রভাবশালী নেতাদের সমর্থন পেয়েছেন এল-সায়েদ।
নির্বাচনের আগে প্রকাশিত জনমত জরিপেও রজার্সের চেয়ে এগিয়ে ছিলেন তিনি। ভোটের আগের সপ্তাহান্তে প্রকাশিত নিউইয়র্ক টাইমস ও সিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরিপে এল-সায়েদের পক্ষে ১১ শতাংশ পয়েন্টের ব্যবধান দেখা যায়।
এ ছাড়া কয়েকটি বড় নির্বাচনী পূর্বাভাস সংস্থা মিশিগানের আসনটিকে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের অনুকূলে বিবেচনা করতে শুরু করে। এর ফলে মধ্যবর্তী নির্বাচনে দলটির বড় সাফল্যের প্রত্যাশা আরও জোরালো হয়।
মিশিগানে জন্ম, সিনেটে প্রথম মুসলিম আমেরিকান
আবদুল এল-সায়েদের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে। তাঁর বাবা-মা মিসরীয় অভিবাসী।
পেশায় চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এল-সায়েদ এর আগে ডেট্রয়েট ও ওয়েইন কাউন্টির স্বাস্থ্য বিভাগের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে তাঁর জয় যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে মুসলিম আমেরিকানদের প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক ঘটনা হতে যাচ্ছে। নির্বাচিত হলে মার্কিন সিনেটে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম মুসলিম আমেরিকান হবেন তিনি।
তবে প্রকাশিত নির্বাচনী পূর্বাভাস অনুযায়ী এল-সায়েদ জয়ী হলেও পূর্বাভাস এবং আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যয়িত নির্বাচনী ফলাফল এক নয়।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে