টাইপ-২ ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় আসতে পারে বড় পরিবর্তন। সুইজারল্যান্ডের ইটিএইচ জুরিখের গবেষকরা এমন একটি ছোট যন্ত্র তৈরি করেছেন, যা শরীরে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে রক্তের অতিরিক্ত চিনি ভেঙে ফেলতে পারে।
গবেষক মার্টিন ফুসেনেগারের নেতৃত্বে তৈরি এই যন্ত্রটি তার ছাড়াই কাজ করে।
রক্তে চিনির মাত্রা স্বাভাবিক হয়ে গেলে যন্ত্রটি নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে ভবিষ্যতে ডায়াবেটিসের ওষুধের প্রয়োজন নাও হতে পারে। যন্ত্রটির ভেতরে রয়েছে গ্রাফাইটের তন্তু দিয়ে তৈরি একটি বিশেষ উপাদান।
এর ওপর সোনার ও প্লাটিনামের অতি ক্ষুদ্র কণা লাগানো আছে। এই উপাদানটি রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটাতে সাহায্য করে। যন্ত্রটিতে কোনো জীবিত কোষ বা ওষুধ ব্যবহার করা হয়নি। বাহুতে পরার একটি বিশেষ সেন্সর রক্তে চিনির মাত্রা পর্যবেক্ষণ করে।
খাবার খাওয়ার পর রক্তে চিনির মাত্রা বেড়ে গেলে সেন্সরটি মোবাইল ফোন বা স্মার্টঘড়িতে সংকেত পাঠায়। এরপর ওই যন্ত্রের মাধ্যমে শরীরে বসানো ইমপ্লান্টটি চালু হয়।
ইমপ্লান্টটির ভেতরের বিশেষ উপাদানটি গ্লুকোজকে গ্লুকোনেটে পরিণত করে। গ্লুকোনেট এমন একটি যৌগ, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। পরে প্রস্রাবের সঙ্গে এটি শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।
রক্তে চিনির মাত্রা আবার নির্ধারিত সীমায় ফিরে এলে যন্ত্রটি নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে গবেষকেরা দেখেছেন, যন্ত্রটি টানা ছয় সপ্তাহ রক্তে চিনির মাত্রা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে। ইঁদুরগুলোর ওজনও কমেছে। এ ছাড়া, যন্ত্রটি ব্যবহারের কারণে তাদের শরীরের কোনো কলায় ক্ষতির লক্ষণ দেখা যায়নি।
গবেষকদের ধারণা, শরীরে অতিরিক্ত চিনি চর্বি হিসেবে জমার পরিমাণ কমাতে পারায় এই যন্ত্রটি টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও স্থূলতা—দুই সমস্যার চিকিৎসায় কাজে লাগতে পারে। এতে প্রতিদিন বড়ি খাওয়া বা ইনজেকশন নেওয়ার প্রয়োজনও এড়ানো যেতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত যন্ত্রটি শুধু ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা করা হয়েছে। মানুষের ওপর পরীক্ষা চালানো এখনো বাকি।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
গবেষক মার্টিন ফুসেনেগারের নেতৃত্বে তৈরি এই যন্ত্রটি তার ছাড়াই কাজ করে।
রক্তে চিনির মাত্রা স্বাভাবিক হয়ে গেলে যন্ত্রটি নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে ভবিষ্যতে ডায়াবেটিসের ওষুধের প্রয়োজন নাও হতে পারে। যন্ত্রটির ভেতরে রয়েছে গ্রাফাইটের তন্তু দিয়ে তৈরি একটি বিশেষ উপাদান।
এর ওপর সোনার ও প্লাটিনামের অতি ক্ষুদ্র কণা লাগানো আছে। এই উপাদানটি রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটাতে সাহায্য করে। যন্ত্রটিতে কোনো জীবিত কোষ বা ওষুধ ব্যবহার করা হয়নি। বাহুতে পরার একটি বিশেষ সেন্সর রক্তে চিনির মাত্রা পর্যবেক্ষণ করে।
খাবার খাওয়ার পর রক্তে চিনির মাত্রা বেড়ে গেলে সেন্সরটি মোবাইল ফোন বা স্মার্টঘড়িতে সংকেত পাঠায়। এরপর ওই যন্ত্রের মাধ্যমে শরীরে বসানো ইমপ্লান্টটি চালু হয়।
ইমপ্লান্টটির ভেতরের বিশেষ উপাদানটি গ্লুকোজকে গ্লুকোনেটে পরিণত করে। গ্লুকোনেট এমন একটি যৌগ, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। পরে প্রস্রাবের সঙ্গে এটি শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।
রক্তে চিনির মাত্রা আবার নির্ধারিত সীমায় ফিরে এলে যন্ত্রটি নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে গবেষকেরা দেখেছেন, যন্ত্রটি টানা ছয় সপ্তাহ রক্তে চিনির মাত্রা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে। ইঁদুরগুলোর ওজনও কমেছে। এ ছাড়া, যন্ত্রটি ব্যবহারের কারণে তাদের শরীরের কোনো কলায় ক্ষতির লক্ষণ দেখা যায়নি।
গবেষকদের ধারণা, শরীরে অতিরিক্ত চিনি চর্বি হিসেবে জমার পরিমাণ কমাতে পারায় এই যন্ত্রটি টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও স্থূলতা—দুই সমস্যার চিকিৎসায় কাজে লাগতে পারে। এতে প্রতিদিন বড়ি খাওয়া বা ইনজেকশন নেওয়ার প্রয়োজনও এড়ানো যেতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত যন্ত্রটি শুধু ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা করা হয়েছে। মানুষের ওপর পরীক্ষা চালানো এখনো বাকি।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন