খাগড়াছড়ির পাহাড়ে এবারে সবুজ মাল্টার ব্যাপক উৎপাদন হয়েছে। পাহাড়ের বাগানগুলোতে থোকায় থোকায় ঝুলছে সুস্বাদু ও রসালো মাল্টা। মাটি ও আবহাওয়া মাল্টা চাষের উপযোগী হওয়ায় দিন দিন এ চাষের দিকে ঝুঁকছেন পাহাড়ের কৃষক ও বাগানিরা।
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ভাইবোনছড়া ইউনিয়নের ছোট নালাগ্রামের অবসরপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিভূতি রঞ্জন চাকমা এক একর জমিতে মাল্টা চাষ করেছেন। কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় সেচ মেশিন, মাল্টার চারা ও সারসহ বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তিগত সহায়তা পেয়েছেন তিনি।
বাগানে এবার প্রায় ৩ লাখ টাকার মাল্টা বিক্রি করেছেন বলে জানান বিভূতি রঞ্জন চাকমা। সামনে আরও প্রায় ৩ লাখ টাকার মাল্টা বিক্রির আশা করছেন তিনি। তাঁর বাগানে চাষ হচ্ছে ‘রিং’ জাতের মাল্টা। মিষ্টি, সুস্বাদু ও গুণগত মান ভালো হওয়ায় এ জাতের মাল্টার চাহিদাও রয়েছে বেশ।
বিভূতি রঞ্জন চাকমা জানান, মৌসুমের শুরুতে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে মাল্টা বিক্রি করলেও বর্তমানে বাগান থেকেই ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। ব্যবসায়ীরা বাগান থেকে মাল্টা কিনে নিয়ে বাজারে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। মাল্টা চাষে লাভবান হয়ে পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরেছে বলেও জানান তিনি। আগামীতে বাগানের পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
তাঁর সাফল্য দেখে আশপাশের অনেক কৃষক মাল্টা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। ভাইবোনছড়া ব্লকের দায়িত্বে থাকা কৃষি বিভাগের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গায়ত্রী খীসা জানান, মাল্টা চাষিদের প্রযুক্তিগত পরামর্শসহ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে বাগান রক্ষায় নিয়মিত পরামর্শ ও মাঠ পরিদর্শন করা হচ্ছে।
কৃষি বিভাগের উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী জানান, বিভূতি রঞ্জন চাকমার বাগানেও সেচ সুবিধাসহ বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ের মাটি ও আবহাওয়া মাল্টা চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় ভবিষ্যতে এর চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করেন।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে খাগড়াছড়ি জেলায় ৫৯৮ হেক্টর পাহাড়ি জমিতে মাল্টা চাষ হয়েছে। এসব বাগান থেকে প্রায় ৪ হাজার ৫০৬ মেট্রিক টন মাল্টা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার ভাইবোনছড়া ইউনিয়নের ছোট নালাগ্রামের অবসরপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিভূতি রঞ্জন চাকমা এক একর জমিতে মাল্টা চাষ করেছেন। কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় সেচ মেশিন, মাল্টার চারা ও সারসহ বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তিগত সহায়তা পেয়েছেন তিনি।
বাগানে এবার প্রায় ৩ লাখ টাকার মাল্টা বিক্রি করেছেন বলে জানান বিভূতি রঞ্জন চাকমা। সামনে আরও প্রায় ৩ লাখ টাকার মাল্টা বিক্রির আশা করছেন তিনি। তাঁর বাগানে চাষ হচ্ছে ‘রিং’ জাতের মাল্টা। মিষ্টি, সুস্বাদু ও গুণগত মান ভালো হওয়ায় এ জাতের মাল্টার চাহিদাও রয়েছে বেশ।
বিভূতি রঞ্জন চাকমা জানান, মৌসুমের শুরুতে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে মাল্টা বিক্রি করলেও বর্তমানে বাগান থেকেই ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। ব্যবসায়ীরা বাগান থেকে মাল্টা কিনে নিয়ে বাজারে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। মাল্টা চাষে লাভবান হয়ে পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরেছে বলেও জানান তিনি। আগামীতে বাগানের পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
তাঁর সাফল্য দেখে আশপাশের অনেক কৃষক মাল্টা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। ভাইবোনছড়া ব্লকের দায়িত্বে থাকা কৃষি বিভাগের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গায়ত্রী খীসা জানান, মাল্টা চাষিদের প্রযুক্তিগত পরামর্শসহ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে বাগান রক্ষায় নিয়মিত পরামর্শ ও মাঠ পরিদর্শন করা হচ্ছে।
কৃষি বিভাগের উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী জানান, বিভূতি রঞ্জন চাকমার বাগানেও সেচ সুবিধাসহ বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ের মাটি ও আবহাওয়া মাল্টা চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় ভবিষ্যতে এর চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করেন।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে খাগড়াছড়ি জেলায় ৫৯৮ হেক্টর পাহাড়ি জমিতে মাল্টা চাষ হয়েছে। এসব বাগান থেকে প্রায় ৪ হাজার ৫০৬ মেট্রিক টন মাল্টা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন