দীর্ঘ ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে আবারও কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে দক্ষিণাঞ্চলের বৃহত্তম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র মহিপুর-আলীপুরে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে হাজার হাজার জেলে মাছ ধরতে সাগরে ছুটেছেন। কলাপাড়ার পায়রা বন্দরসহ গোটা উপকূলীয় জনপদের অন্তত ৪০-৫০ হাজার জেলে পরিবারের জীবিকার অন্যতম প্রধান অবলম্বন এই সমুদ্রনির্ভর মৎস্য আহরণ। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে ফিরলেও কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা মিলছে না। পুরো মৌসুমে আশানুরূপ মাছ না পাওয়ায় ৯০ শতাংশ জেলে গড়ে ১০-১৫ লাখ, এমনকি ৫০-৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে নতুন করে সমুদ্রে পাড়ি জমিয়েছেন।
গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া ট্রলারগুলোর ফিরতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। তবে অগভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া ডেইলি ফিশিং ট্রলারগুলোর কিছু ইতোমধ্যে ফিরতে শুরু করেছে। এসব ট্রলারে ইলিশের পরিমাণ খুবই কম। পোমা, ডাডিসহ বিভিন্ন প্রজাতির সাদা মাছ নিয়ে ফিরছেন জেলেরা। তবে কয়েক দিন আগে চুপিসারে সাগরে যাওয়া কিছু বড় জালের ট্রলার ছোট-বড় আকারের ইলিশ নিয়ে মোকামে ফিরতে শুরু করেছে। কোনো কোনো ট্রলারে ৫০-৬০ মণ পর্যন্ত ইলিশ পাওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।
শুক্রবার সকালে মহিপুর-আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। দক্ষিণাঞ্চলের কলাপাড়া উপজেলার অন্যতম বৃহৎ এই ইলিশের মোকামে সরকারি তালিকা অনুযায়ী নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১৮ হাজার ৩০৫ জন। তবে বাস্তবে এ সংখ্যা প্রায় তিন গুণ বলে স্থানীয়দের দাবি। অন্যদিকে নিবন্ধিত তালিকায় থাকা অন্তত এক-তৃতীয়াংশ ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে জেলে নন, তাঁরা অন্য পেশার সঙ্গে যুক্ত। ফলে দীর্ঘদিন ধরে জেলে তালিকার যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে সরকারি সহায়তা বণ্টনেও। গত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞাকালে খাদ্যসহায়তা প্রকৃত জেলেদের অনেকের ভাগ্যে জোটেনি বলে অভিযোগ রয়েছে। তারপরও পেশা ও জীবিকার তাগিদে হাজার হাজার জেলে আবারও সাগরে নেমেছেন।
জেলেদের অভিযোগ, অবৈধ কাঠের ট্রলিং বোট দিয়ে নির্বিচারে মাছ আহরণের কারণে সাগরে মাছের সংকট বাড়ছে। এসব বোটের জালে ইলিশের পোনা জাটকাসহ বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছও ধ্বংস হচ্ছে। ফলে মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে তাঁদের ধারণা। সাগরে মাছ কমে যাওয়ার জন্য অধিকাংশ জেলে এসব অবৈধ ট্রলিং বোটকে দায়ী করছেন।
মহিপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাজু আহমেদ রাজা জানান, জেলেরা বৃহস্পতিবার রাতে গভীর ও অগভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গেছেন। অগভীর এলাকায় দৈনিক ভিত্তিতে মাছ ধরতে যাওয়া ট্রলারগুলোর কিছু ফিরতে শুরু করেছে। তবে ইলিশের তেমন দেখা মিলছে না। পোমা, ডাডিসহ বিভিন্ন প্রজাতির কিছু সাদা মাছ পাওয়া যাচ্ছে। গভীর সমুদ্রের ট্রলারগুলো ফিরলে মাছের প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে। তবে কয়েক দিন আগে গোপনে সাগরে যাওয়া কিছু ট্রলার ইলিশ নিয়ে ফিরেছে। কোনো কোনো ট্রলারে ৫০-৬০ মণ ইলিশ পাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এসব মাছের দামও তুলনামূলক বেশি। ৪৫০-৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের মণ ৩৫-৪০ হাজার টাকা বলে জানা গেছে।
কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পাওয়ায় জেলেদের মধ্যে হতাশা থাকলেও মহিপুর-আলীপুর মৎস্য বন্দরে ফিরতে শুরু করেছে কর্মচাঞ্চল্য। ভোর থেকেই জেলে, ট্রলার মালিক, আড়তদার, শ্রমিক, পাইকার ও হকারদের পদচারণায় সরব হয়ে উঠেছে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র। মাছের আমদানি কম হলেও ট্রলার ঘিরে শুরু হয়েছে বেচাকেনা ও কর্মব্যস্ততা। দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞার পর জেলে পল্লীগুলোতেও ফিরতে শুরু করেছে প্রাণচাঞ্চল্য। এখন গভীর সমুদ্র থেকে ট্রলার ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন জেলে, আড়তদার ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া ট্রলারগুলোর ফিরতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। তবে অগভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া ডেইলি ফিশিং ট্রলারগুলোর কিছু ইতোমধ্যে ফিরতে শুরু করেছে। এসব ট্রলারে ইলিশের পরিমাণ খুবই কম। পোমা, ডাডিসহ বিভিন্ন প্রজাতির সাদা মাছ নিয়ে ফিরছেন জেলেরা। তবে কয়েক দিন আগে চুপিসারে সাগরে যাওয়া কিছু বড় জালের ট্রলার ছোট-বড় আকারের ইলিশ নিয়ে মোকামে ফিরতে শুরু করেছে। কোনো কোনো ট্রলারে ৫০-৬০ মণ পর্যন্ত ইলিশ পাওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।
শুক্রবার সকালে মহিপুর-আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। দক্ষিণাঞ্চলের কলাপাড়া উপজেলার অন্যতম বৃহৎ এই ইলিশের মোকামে সরকারি তালিকা অনুযায়ী নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১৮ হাজার ৩০৫ জন। তবে বাস্তবে এ সংখ্যা প্রায় তিন গুণ বলে স্থানীয়দের দাবি। অন্যদিকে নিবন্ধিত তালিকায় থাকা অন্তত এক-তৃতীয়াংশ ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে জেলে নন, তাঁরা অন্য পেশার সঙ্গে যুক্ত। ফলে দীর্ঘদিন ধরে জেলে তালিকার যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে সরকারি সহায়তা বণ্টনেও। গত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞাকালে খাদ্যসহায়তা প্রকৃত জেলেদের অনেকের ভাগ্যে জোটেনি বলে অভিযোগ রয়েছে। তারপরও পেশা ও জীবিকার তাগিদে হাজার হাজার জেলে আবারও সাগরে নেমেছেন।
জেলেদের অভিযোগ, অবৈধ কাঠের ট্রলিং বোট দিয়ে নির্বিচারে মাছ আহরণের কারণে সাগরে মাছের সংকট বাড়ছে। এসব বোটের জালে ইলিশের পোনা জাটকাসহ বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছও ধ্বংস হচ্ছে। ফলে মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে তাঁদের ধারণা। সাগরে মাছ কমে যাওয়ার জন্য অধিকাংশ জেলে এসব অবৈধ ট্রলিং বোটকে দায়ী করছেন।
মহিপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাজু আহমেদ রাজা জানান, জেলেরা বৃহস্পতিবার রাতে গভীর ও অগভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গেছেন। অগভীর এলাকায় দৈনিক ভিত্তিতে মাছ ধরতে যাওয়া ট্রলারগুলোর কিছু ফিরতে শুরু করেছে। তবে ইলিশের তেমন দেখা মিলছে না। পোমা, ডাডিসহ বিভিন্ন প্রজাতির কিছু সাদা মাছ পাওয়া যাচ্ছে। গভীর সমুদ্রের ট্রলারগুলো ফিরলে মাছের প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে। তবে কয়েক দিন আগে গোপনে সাগরে যাওয়া কিছু ট্রলার ইলিশ নিয়ে ফিরেছে। কোনো কোনো ট্রলারে ৫০-৬০ মণ ইলিশ পাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এসব মাছের দামও তুলনামূলক বেশি। ৪৫০-৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের মণ ৩৫-৪০ হাজার টাকা বলে জানা গেছে।
কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পাওয়ায় জেলেদের মধ্যে হতাশা থাকলেও মহিপুর-আলীপুর মৎস্য বন্দরে ফিরতে শুরু করেছে কর্মচাঞ্চল্য। ভোর থেকেই জেলে, ট্রলার মালিক, আড়তদার, শ্রমিক, পাইকার ও হকারদের পদচারণায় সরব হয়ে উঠেছে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র। মাছের আমদানি কম হলেও ট্রলার ঘিরে শুরু হয়েছে বেচাকেনা ও কর্মব্যস্ততা। দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞার পর জেলে পল্লীগুলোতেও ফিরতে শুরু করেছে প্রাণচাঞ্চল্য। এখন গভীর সমুদ্র থেকে ট্রলার ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন জেলে, আড়তদার ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন