তালেবান সরকার আফিম উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত পোস্ত চাষ নিষিদ্ধ করলেও আফগানিস্তানে আফিম উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (ইউএনওডিসি) বলছে, গত বছরের তুলনায় আফগানিস্তানে পোস্ত চাষের আওতাভুক্ত জমির পরিমাণ ৩৩০ শতাংশ বেড়েছে।
আর, আফিম উৎপাদন পাঁচ গুণ বেড়ে ১৫০০ টনে পৌঁছেছে।
সংস্থাটির মতে, ২০২২ সালে তালেবান নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর এটিই আফগানিস্তানে পোস্ত চাষ ও আফিম উৎপাদনের প্রথম উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। কিছু দরিদ্র আফগান কৃষক তাদের পরিবারের জীবিকা নির্বাহের জন্য আবারও পোস্ত চাষে ফিরে গেছেন।
কয়েক দশক ধরে আফগানিস্তান ছিল বিশ্বের অবৈধ আফিমের বৃহত্তম উৎস। নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগে, বিশ্বব্যাপী মোট সরবরাহের প্রায় ৮০ শতাংশ এখান থেকেই আসত।
২০২১ সালের অগাস্ট মাসে তালেবান ক্ষমতা দখল করে। এরপর ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে, ধর্মীয় কারণ দেখিয়ে তারা পপি চাষ এবং সব ধরনের মাদকদ্রব্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (ইউএনওডিসি) বলছে, গত বছরের তুলনায় আফগানিস্তানে পোস্ত চাষের আওতাভুক্ত জমির পরিমাণ ৩৩০ শতাংশ বেড়েছে।
আর, আফিম উৎপাদন পাঁচ গুণ বেড়ে ১৫০০ টনে পৌঁছেছে।
সংস্থাটির মতে, ২০২২ সালে তালেবান নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর এটিই আফগানিস্তানে পোস্ত চাষ ও আফিম উৎপাদনের প্রথম উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। কিছু দরিদ্র আফগান কৃষক তাদের পরিবারের জীবিকা নির্বাহের জন্য আবারও পোস্ত চাষে ফিরে গেছেন।
কয়েক দশক ধরে আফগানিস্তান ছিল বিশ্বের অবৈধ আফিমের বৃহত্তম উৎস। নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগে, বিশ্বব্যাপী মোট সরবরাহের প্রায় ৮০ শতাংশ এখান থেকেই আসত।
২০২১ সালের অগাস্ট মাসে তালেবান ক্ষমতা দখল করে। এরপর ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে, ধর্মীয় কারণ দেখিয়ে তারা পপি চাষ এবং সব ধরনের মাদকদ্রব্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে