দেশে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা ক্রমেই বাড়ছে। এক দিনে আরও ১১ জনের মৃত্যুতে চলতি বছর এডিস মশাবাহিত এ রোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০০ জনে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৭১ জন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ২৩৭ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ২ হাজার ৭১ জনকে নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬ হাজার ৪১৫ জন ডেঙ্গু রোগী। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় চিকিৎসাসেবার ওপর চাপ বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা জরুরি। বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করা, ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র ও অন্যান্য স্থানে পানি জমতে না দেওয়া এবং মশার কামড় থেকে সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
ডেঙ্গুর সংক্রমণ ও মৃত্যু কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগের পাশাপাশি জনসাধারণের সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ২৩৭ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ২ হাজার ৭১ জনকে নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬ হাজার ৪১৫ জন ডেঙ্গু রোগী। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় চিকিৎসাসেবার ওপর চাপ বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা জরুরি। বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করা, ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র ও অন্যান্য স্থানে পানি জমতে না দেওয়া এবং মশার কামড় থেকে সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
ডেঙ্গুর সংক্রমণ ও মৃত্যু কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগের পাশাপাশি জনসাধারণের সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে