মোংলা বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্রুত পণ্য খালাস নিশ্চিত করা এবং আধুনিকায়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার মোংলা বন্দর, নৌঘাঁটি ও প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দেন তিনি।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং।
প্রধানমন্ত্রী খুলনার দাকোপ হয়ে মোংলায় পৌঁছান। দুপুর পৌনে ১টার দিকে তিনি বানৌজা মোংলায় পৌঁছান। মধ্যাহ্নবিরতির পর বিকেল ৩টায় ওয়ার্ডরুমের সভাকক্ষে আয়োজিত সভায় যোগ দেন। পরে মোংলা বন্দরের জেটি ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী বন্দরের সার্বিক পরিচালন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি বন্দরের সম্প্রসারণ প্রকল্প, জেটি সুবিধা, কনটেইনার ইয়ার্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো পরিদর্শন করেন। বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
এর আগে নৌঘাঁটি থেকে সড়কপথে মোংলা বন্দরের জেটিতে যান প্রধানমন্ত্রী। বিকেল ৩টার দিকে বন্দরের প্রধান ফটক দিয়ে জেটি এলাকায় প্রবেশ করেন তিনি। এ সময় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নিজ বাসভবন থেকে সড়কপথে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। সকাল ৯টার দিকে বিমানবন্দরে পৌঁছে হেলিকপ্টারে সুন্দরবনের উদ্দেশে যাত্রা করেন। সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্টসহ বিভিন্ন এলাকা পর্যবেক্ষণ শেষে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার বহনকারী হেলিকপ্টার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে। পরে নলিয়ান লঞ্চঘাট থেকে নৌপথে মোংলার উদ্দেশে রওনা হন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে মোংলা বন্দর, প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল ও এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে। তাঁদের আশা, এ সফরের মধ্য দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আসবে, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, মোংলা বন্দরের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় জনপদে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাও গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে বন্দরের উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চলের কার্যক্রম এবং এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাবনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের পর দীর্ঘদিন ধরে থমকে থাকা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত হবে। একই সঙ্গে বিনিয়োগ বাড়বে এবং এ অঞ্চলে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং।
প্রধানমন্ত্রী খুলনার দাকোপ হয়ে মোংলায় পৌঁছান। দুপুর পৌনে ১টার দিকে তিনি বানৌজা মোংলায় পৌঁছান। মধ্যাহ্নবিরতির পর বিকেল ৩টায় ওয়ার্ডরুমের সভাকক্ষে আয়োজিত সভায় যোগ দেন। পরে মোংলা বন্দরের জেটি ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী বন্দরের সার্বিক পরিচালন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি বন্দরের সম্প্রসারণ প্রকল্প, জেটি সুবিধা, কনটেইনার ইয়ার্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো পরিদর্শন করেন। বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
এর আগে নৌঘাঁটি থেকে সড়কপথে মোংলা বন্দরের জেটিতে যান প্রধানমন্ত্রী। বিকেল ৩টার দিকে বন্দরের প্রধান ফটক দিয়ে জেটি এলাকায় প্রবেশ করেন তিনি। এ সময় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নিজ বাসভবন থেকে সড়কপথে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। সকাল ৯টার দিকে বিমানবন্দরে পৌঁছে হেলিকপ্টারে সুন্দরবনের উদ্দেশে যাত্রা করেন। সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্টসহ বিভিন্ন এলাকা পর্যবেক্ষণ শেষে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তার বহনকারী হেলিকপ্টার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে। পরে নলিয়ান লঞ্চঘাট থেকে নৌপথে মোংলার উদ্দেশে রওনা হন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে মোংলা বন্দর, প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল ও এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে। তাঁদের আশা, এ সফরের মধ্য দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আসবে, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, মোংলা বন্দরের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় জনপদে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাও গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে বন্দরের উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চলের কার্যক্রম এবং এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাবনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের পর দীর্ঘদিন ধরে থমকে থাকা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত হবে। একই সঙ্গে বিনিয়োগ বাড়বে এবং এ অঞ্চলে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন