দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫১২ জন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার ৫০২ জনে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে দুজন ঢাকা সিটির এবং বাকি দুজন ময়মনসিংহ সিটির বাসিন্দা।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগের ২৩১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ২৯৪ জন, ঢাকা বিভাগের (সিটি করপোরেশন বাদে) ২৫০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১১১ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৪৬ জন রয়েছেন।
এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ২০৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬০ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৬২ জন, রংপুর বিভাগে ৪৪ জন এবং সিলেট বিভাগে আটজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
চলতি বছরে মৃত্যু ৩৬৮
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৩৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ১১১ জন।
ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যুর ধারাবাহিকতা জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এ অবস্থায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে দুজন ঢাকা সিটির এবং বাকি দুজন ময়মনসিংহ সিটির বাসিন্দা।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগের ২৩১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ২৯৪ জন, ঢাকা বিভাগের (সিটি করপোরেশন বাদে) ২৫০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১১১ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৪৬ জন রয়েছেন।
এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ২০৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬০ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৬২ জন, রংপুর বিভাগে ৪৪ জন এবং সিলেট বিভাগে আটজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
চলতি বছরে মৃত্যু ৩৬৮
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৩৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ১১১ জন।
ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যুর ধারাবাহিকতা জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এ অবস্থায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে