পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নাস্তা আনতে সামান্য দেরি হওয়ায় লামিয়া নামের এক নারী সহকারীকে (স্টাফ) জুতাপেটা করা হয়েছে। লাথি ও পেপারওয়েট ছুড়ে মারা হয়েছে। ম্যাক্স হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. তাসলিমা ফেরদৌসী রিমার বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত ওই স্টাফকে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ম্যাক্স হাসপাতালের ওই চিকিৎসকের নিজস্ব চেম্বারে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, চেম্বারে রোগীর চিকিৎসা সেবা দিচ্ছিলেন ডা. তাসলিমা ফেরদৌসী রিমা। এরই মধ্যে এক পর্যায়ে তার জন্য মোগলাই পরাটাসহ নাস্তা আনতে বলেন অফিস স্টাফ লামিয়াকে। নাস্তা আনতে কিছুটা দেরি হওয়ায় লামিয়ার ওপর চড়াও হন ডা. তাসলিমাঅ একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি জুতাপেটা করেন। লাথি মারেন। বেধড়ক মারধরে লামিয়া ফ্লোরে পড়ে যান। সহকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে গেলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে, এই ঘটনার পর অভিযুক্ত চিকিৎসক পরিস্থিতি বেগতিক দেখে গণমাধ্যমের সাথে কোনো কথা না বলেই দ্রুত ম্যাক্স হাসপাতাল ছেড়ে অটোরিকশায় চড়ে সটকে পড়েন। কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানান, “এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ আমরা পাইনি। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বিষয়টি তাৎক্ষণিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এনিয়ে এলাকায় তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, চেম্বারে রোগীর চিকিৎসা সেবা দিচ্ছিলেন ডা. তাসলিমা ফেরদৌসী রিমা। এরই মধ্যে এক পর্যায়ে তার জন্য মোগলাই পরাটাসহ নাস্তা আনতে বলেন অফিস স্টাফ লামিয়াকে। নাস্তা আনতে কিছুটা দেরি হওয়ায় লামিয়ার ওপর চড়াও হন ডা. তাসলিমাঅ একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি জুতাপেটা করেন। লাথি মারেন। বেধড়ক মারধরে লামিয়া ফ্লোরে পড়ে যান। সহকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে গেলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে, এই ঘটনার পর অভিযুক্ত চিকিৎসক পরিস্থিতি বেগতিক দেখে গণমাধ্যমের সাথে কোনো কথা না বলেই দ্রুত ম্যাক্স হাসপাতাল ছেড়ে অটোরিকশায় চড়ে সটকে পড়েন। কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানান, “এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ আমরা পাইনি। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বিষয়টি তাৎক্ষণিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এনিয়ে এলাকায় তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে