ময়মনসিংহের ফুলপুরে সার্ভিস তারে হুকিংয়ের মাধ্যমে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে মৎস্য খামার চালানোর অভিযোগে হান্নান সরকার (হাজী) নামে এক গ্রাহকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো)। এ ঘটনায় বিদ্যুৎ বিভাগের ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২৩ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, সোমবার ফুলপুরের চর ভারতী এলাকায় বিউবোর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের বিশেষ অভিযানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করা হয়। এ সময় ব্যবহৃত সার্ভিস তার জব্দ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অভিযুক্ত গ্রাহক হান্নান সরকার বাণিজ্যিক সংযোগের আওতায় প্রিপেইড মিটার ব্যবহার করছিলেন। তার গ্রাহক নম্বর ৯০০৫৮৪০৮ ও মিটার নম্বর ০১০২১১২২২৫৭২। তিনি সার্ভিস তারে হুকিংয়ের মাধ্যমে ছয়টি দেড় হর্সপাওয়ারের মোটর চালিয়ে অবৈধভাবে মৎস্য খামার পরিচালনা করছিলেন। এসব মোটরের মোট বৈদ্যুতিক লোড ৬ দশমিক ৭১৪ কিলোওয়াট।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এর আগেও দুইবার অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। আগের মামলাগুলোর বিপরীতে নির্ধারিত ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৪৭৩ টাকা জরিমানা পরিশোধ না করেই তিনি পুনরায় অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বিদ্যুৎ আইন, ২০১৮-এর ৩২(২), ৩৩(১) ও ৪৪ ধারা অনুযায়ী ময়মনসিংহ বিদ্যুৎ আদালতে সোমবার (১৯ অক্টোবর) মামলা করা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, সোমবার ফুলপুরের চর ভারতী এলাকায় বিউবোর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের বিশেষ অভিযানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করা হয়। এ সময় ব্যবহৃত সার্ভিস তার জব্দ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অভিযুক্ত গ্রাহক হান্নান সরকার বাণিজ্যিক সংযোগের আওতায় প্রিপেইড মিটার ব্যবহার করছিলেন। তার গ্রাহক নম্বর ৯০০৫৮৪০৮ ও মিটার নম্বর ০১০২১১২২২৫৭২। তিনি সার্ভিস তারে হুকিংয়ের মাধ্যমে ছয়টি দেড় হর্সপাওয়ারের মোটর চালিয়ে অবৈধভাবে মৎস্য খামার পরিচালনা করছিলেন। এসব মোটরের মোট বৈদ্যুতিক লোড ৬ দশমিক ৭১৪ কিলোওয়াট।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এর আগেও দুইবার অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। আগের মামলাগুলোর বিপরীতে নির্ধারিত ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৪৭৩ টাকা জরিমানা পরিশোধ না করেই তিনি পুনরায় অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বিদ্যুৎ আইন, ২০১৮-এর ৩২(২), ৩৩(১) ও ৪৪ ধারা অনুযায়ী ময়মনসিংহ বিদ্যুৎ আদালতে সোমবার (১৯ অক্টোবর) মামলা করা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে