নাটোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হওয়া চিকিৎসক ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেয়াসহ প্রয়োজনে সাময়িক বরখাস্তের ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
এ পরিস্থিতিকে অত্যন্ত দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিষয়টি স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনা হবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা তার দায়িত্ব। রোববার (১৮ অক্টোবর) তিনি হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন।
হাসপাতালের বাথরুম ও শৌচাগারের অপরিচ্ছন্নতা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন হুইপ দুলু। তিনি বলেন, হাসপাতালের বাথরুম অপরিষ্কার থাকলে রোগীরা আরও অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। এ কারণে হাসপাতালের সর্বত্র নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
পরিদর্শনকালে চিকিৎসক ও কর্মচারীদের সময়মতো উপস্থিত না থাকার বিষয়টিও তার নজরে আসে। সকাল ৮টার মধ্যে হাসপাতালে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও অনেক চিকিৎসককে পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।
হুইপ দুলু বলেন, সরকারি বেতন ও সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেও যারা নির্ধারিত সময়ে হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে রোগীদের সেবা দেবেন না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এ বিষয়ে তিনি সিভিল সার্জনকে অনুপস্থিত চিকিৎসক ও কর্মচারীদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে সাময়িক বরখাস্তের ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।
পরিদর্শনকালে নাটোরের সিভিল সার্জন ডা. মশিউর রহমান, হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মাহাবুবুর রহমানসহ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
এ পরিস্থিতিকে অত্যন্ত দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিষয়টি স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনা হবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা তার দায়িত্ব। রোববার (১৮ অক্টোবর) তিনি হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন।
হাসপাতালের বাথরুম ও শৌচাগারের অপরিচ্ছন্নতা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন হুইপ দুলু। তিনি বলেন, হাসপাতালের বাথরুম অপরিষ্কার থাকলে রোগীরা আরও অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। এ কারণে হাসপাতালের সর্বত্র নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
পরিদর্শনকালে চিকিৎসক ও কর্মচারীদের সময়মতো উপস্থিত না থাকার বিষয়টিও তার নজরে আসে। সকাল ৮টার মধ্যে হাসপাতালে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও অনেক চিকিৎসককে পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।
হুইপ দুলু বলেন, সরকারি বেতন ও সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেও যারা নির্ধারিত সময়ে হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে রোগীদের সেবা দেবেন না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এ বিষয়ে তিনি সিভিল সার্জনকে অনুপস্থিত চিকিৎসক ও কর্মচারীদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে সাময়িক বরখাস্তের ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।
পরিদর্শনকালে নাটোরের সিভিল সার্জন ডা. মশিউর রহমান, হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মাহাবুবুর রহমানসহ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে