রয়টার্সের প্রতিবেদন

হাম মোকাবিলায় লড়ছে বাংলাদেশ, অন্য দেশের জন্য সতর্কবার্তা

আপলোড সময় : ১৭-১০-২০২৬ ১২:০০:৩৬ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৭-১০-২০২৬ ০১:৪৯:৩২ অপরাহ্ন
বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে লড়ছে বাংলাদেশ। দুর্বল তথ্যব্যবস্থা, অপর্যাপ্ত প্রচার কার্যক্রম এবং টিকাদানের ঘাটতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদানের হার কমে যাওয়ার প্রাণঘাতী ঝুঁকি সম্পর্কে অন্য দেশগুলোর জন্যও সতর্কবার্তা বাংলাদেশের এই পরিস্থিতি। শনিবার (১৭ অক্টোবর) এক বিস্তারিত প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি ব্যাহত হওয়ার পর বাংলাদেশে মার্চের মাঝামাঝি শুরু হওয়া হামের প্রাদুর্ভাবে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২ লাখ ২ হাজার সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ২২ হাজার রোগীর পরীক্ষাগারে সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। চলতি বছর বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় বাংলাদেশে সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা বেশি।

ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, অত্যন্ত সংক্রামক এই রোগে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ১৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের ৯৪ শতাংশই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু। বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে, টিকাদানের আওতা ৯৫ শতাংশের নিচে নেমে গেলে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণ করা কতটা কঠিন হয়ে পড়ে। ডব্লিউএইচওর মতে, প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে টিকাদানের হার অন্তত ৯৫ শতাংশ হওয়া প্রয়োজন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ প্রায় সেই লক্ষ্যে পৌঁছে গিয়েছিল। কিন্তু ২০২৫ সালে টিকাদানের হার কমে যায়।

ডব্লিউএইচওর নথি পর্যালোচনা এবং এক ডজনের বেশি বিজ্ঞানী, স্বাস্থ্যকর্মী ও কর্মকর্তার সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশকে আরও বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। এর মধ্যে ছিল লাখ লাখ শিশুকে হিসাবে না রাখা তথ্য, প্রস্তুতির ঘাটতি এবং পর্যাপ্তসংখ্যক অভিভাবকের কাছে পৌঁছাতে না পারা।

নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব গ্লোবাল পাবলিক হেলথের অধ্যাপক এবং ডব্লিউএইচওর টিকা-বিষয়ক উপদেষ্টা মার্ক জিট বলেন, ‘এটি প্রতিটি দেশের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার চেয়ে টিকাদানের মাধ্যমে প্রাদুর্ভাব ঠেকানো সহজ, সস্তা ও নিরাপদ।’ 

জিট বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত এই পদক্ষেপে প্রাদুর্ভাব থামবে। কিন্তু এর মধ্যে অনেকেই হামে আক্রান্ত হবেন, আর তাদের মধ্যে কেউ কেউ মারা যাবেন।’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী জিয়াউদ্দিন হায়দার সেপ্টেম্বরে রয়টার্সকে বলেছিলেন, প্রাদুর্ভাব শেষ করতে সরকার সম্ভব সবকিছু করছে।


‘ছেলেকে দাফন করার পরই তারা এল’
১৭ কোটি ৮০ লাখ মানুষের দেশ বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত অঞ্চলগুলোর একটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট। সেখানে গত জুলাইয়ে দুই বছর বয়সী আরমান হোসেন টিকা না নেয়ায় হামে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। চিকিৎসার খরচ জোগাতে পরিবারের তিন চাকার অটোরিকশাটি বিক্রি করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে। ভর্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। তবে টিকা না নেয়া চার বছর বয়সী বোন বেঁচে গেছে।

আরমানের বাবা ২৬ বছর বয়সী আমিন মিয়া বলেন, ‘সিলেটের প্রত্যন্ত গ্রামে সময়মতো টিকা দেয়ার জন্য কোনো স্বাস্থ্যকর্মী আসেননি। ছেলেকে দাফন করার পরই তারা এসেছিল।’ ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, সাধারণত প্রতি এক হাজার হামে আক্রান্ত রোগীর মধ্যে দুই থেকে তিনজন মারা যান। তবে অপুষ্টির মতো কারণে দরিদ্র দেশগুলোতে এই রোগ আরও প্রাণঘাতী হতে পারে।

সিলেটেরই ছাতক শহরে ৩০ বছর বয়সী কাঠমিস্ত্রি হুমায়ুন রশিদের নয় মাস বয়সী মেয়ে লাবিবা আক্তার গত জুনে টিকা না নেয়ায় হামে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। জরুরি কর্মসূচির আওতায় টিকা নেয়ার বয়সসীমা নয় মাস থেকে কমিয়ে ছয় মাস করায় এপ্রিলে টিকা পাওয়ার সুযোগ ছিল তার। লাবিবার বাবা বলেন, ‘আমাদের জানানোর জন্য কোনো স্বাস্থ্যকর্মী আসেননি।’

গত মে মাসে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছিলেন, জরুরি টিকাদান কর্মসূচির ফলে সংক্রমণের হটস্পটগুলোতে রোগীর সংখ্যা ‘প্রায় শূন্যে’ নেমে এসেছে এবং প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কিন্তু সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার ১৯৮ জন নতুন হামে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। উচ্চ জ্বর, কাশি ও বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ফুসকুড়ি সৃষ্টিকারী এই রোগে দৈনিক আক্রান্তের এই সংখ্যা ছিল মে মাসের পর সর্বোচ্চ।

বিশ্বজুড়ে টিকা নিতে অনীহা বাড়ার সময়ে বাংলাদেশে হামের এই প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ধনী দেশগুলোতে এ প্রবণতা বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রের মতো ব্যক্তিরা টিকা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করায় এ প্রবণতা আরও আলোচনায় এসেছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে টিকার প্রাপ্যতা ও সচেতনতার অভাবই বড় বাধা।

জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে হামের প্রথম ডোজের টিকাদানের আওতা ছিল ৯৬ শতাংশ এবং দ্বিতীয় ডোজের ক্ষেত্রে ৯৩ শতাংশ। প্রথম ডোজে অল্পসংখ্যক শিশুর শরীরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি না হওয়ায় তাদের সুরক্ষিত করতে দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হয়।

কিন্তু একই বছর বিক্ষোভের মুখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটে। পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতায় স্বাস্থ্যকর্মীরা ধর্মঘটে যান, টিকা কেনার আদেশে বিলম্ব হয় এবং নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে সাধারণত পরিচালিত পরবর্তী টিকাদান কার্যক্রমও ব্যাহত হয়।

চলতি বছরের জুলাইয়ে প্রকাশিত ডব্লিউএইচও ও ইউনিসেফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালে প্রথম ডোজের টিকাদানের হার কমে ৯০ শতাংশে এবং দ্বিতীয় ডোজের হার ৮৬ শতাংশে নেমে আসে। এই হার গোষ্ঠীগত রোগ প্রতিরোধক্ষমতা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় ৯৫ শতাংশের চেয়ে কয়েক শতাংশ কম।

প্রতিবেদনে ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত হামসহ বিভিন্ন রোগের টিকাদান নিয়ে সরকারি তথ্যের মান নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। এতে বলা হয়, প্রাথমিক হিসাবে কখনো কখনো দেখা গেছে, টিকা নেয়া শিশুর সংখ্যা লক্ষ্যমাত্রার ১০০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। এটি টিকার ডোজ অথবা লক্ষ্যমাত্রার সংখ্যা গণনায় ভুলের ইঙ্গিত দেয়।

জরুরি কর্মসূচিতে বাদ পড়ে লাখ লাখ শিশু
হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হলে বাংলাদেশ দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। প্রথম দিকে মনে হচ্ছিল, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে। এপ্রিল ও মে মাসে প্রায় দুই কোটি শিশুকে টিকা দেয়ার পর নতুন রোগীর সংখ্যা কমতে শুরু করে। জরুরি কর্মসূচির পর সরকার দাবি করেছিল, ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী লক্ষ্যগোষ্ঠীর প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে।

কিন্তু বাস্তবে কর্মসূচিটি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি। জুনে একই বয়সী শিশুদের নিয়ে আরেকটি নিয়মিত স্বাস্থ্য কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রার তালিকায় হামের টিকাদান কর্মসূচির চেয়ে ৪০ লাখ বেশি শিশুর নাম পাওয়া গেলে বিষয়টি সামনে আসে।

১৪ সেপ্টেম্বর হামের সংক্রমণ আবার বাড়ার সময় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার রয়টার্সকে বলেন, ‘টিকাদান কর্মসূচিতে ঘাটতি রয়েছে।’ অভিভাবকদের টিকা নিতে অনীহা অথবা শিশুদের অসুস্থতার কারণে তাদের টিকাদানকেন্দ্রে না আসাকে তিনি এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

এ ছাড়া আরও কিছু সমস্যা সামনে এসেছে। এপ্রিল ও আগস্টে সরকার, ডব্লিউএইচও এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সহযোগী সংস্থার বৈঠকের কার্যবিবরণী পর্যালোচনা করেছে রয়টার্স। এসব নথি আগে প্রকাশিত হয়নি। এতে দেখা যায়, দ্রুত পদক্ষেপ নিতে গিয়ে কিছু ঘাটতি তৈরি হয়ে থাকতে পারে।

১৯ এপ্রিলের বৈঠকের কার্যবিবরণীতে বলা হয়, সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরুর আগে সরকার প্রস্তুতি যাচাইয়ের মাত্র এক দফা পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেয়। সাধারণত এ ধরনের কর্মসূচির আগে চার দফা পরীক্ষা করা হয়। এসব পরীক্ষায় টিকা সংরক্ষণের জন্য ফ্রিজের ব্যবস্থা থেকে শুরু করে কত শিশুকে টিকা দিতে হবে, তা নির্ধারণ করা হয়। কার্যবিবরণী অনুযায়ী, এক দফা পরীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, অধিকাংশ জেলা প্রস্তুত থাকলেও সব জেলা প্রস্তুত ছিল না।

‘সবচেয়ে দরিদ্ররাই মাশুল দেয়’
বাংলাদেশের হামের সংক্রমণ ও রুবেলা নির্মূলবিষয়ক জাতীয় যাচাই কমিটির চেয়ারম্যান এবং রোগতত্ত্ববিদ অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘প্রস্তুতি যাচাই যথাযথভাবে না হলে প্রায়ই সবচেয়ে দরিদ্র এবং দুর্গম এলাকায় বসবাসকারী শিশুরাই টিকা পাওয়া থেকে বাদ পড়ে যায় এবং এর মাশুল দেয়।’

হায়দার বলেন, এপ্রিলের টিকাদান কর্মসূচি চার সপ্তাহের মধ্যে চালু করা হয়েছিল। তবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে টিকাদান কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেয়া তাজুল ইসলাম আব্দুল বারী বলেন, এ ধরনের কর্মসূচির পরিকল্পনা করতে সাধারণত কয়েক মাস সময় প্রয়োজন হয়।

আগস্টের বৈঠকে কর্মসূচি বাস্তবায়নের ঘাটতিগুলো চিহ্নিত করা হয়। কার্যবিবরণীতে বলা হয়, পরীক্ষাগারে হাম নিশ্চিত হওয়া রোগীদের মধ্যে টিকা না নেয়া শিশুর অনুপাত কর্মসূচির আগে ৮২ শতাংশ এবং পরে ৮৫ শতাংশ ছিল। অর্থাৎ, এ অনুপাত ‘প্রায় অপরিবর্তিত’ ছিল, যা টিকাদানের আওতায় স্থায়ী ঘাটতির বিষয়টি তুলে ধরে।

এপ্রিল ও আগস্টের বৈঠক নিয়ে প্রশ্নের জবাব দেয়নি ডব্লিউএইচও। তবে বাংলাদেশে সংস্থাটির উপপ্রতিনিধি ডা. রাজেশ নারওয়াল বলেন, ঝুঁকিতে থাকা প্রতিটি শিশুকে টিকা দেয়ার লক্ষ্যে সরকারকে সহায়তা দিতে ডব্লিউএইচও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, ‘যাতে এ ধরনের ঘাটতি আবার তৈরি না হয়, সে জন্য নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিকে আরও কার্যকর ও স্থিতিস্থাপক করতে হবে।’

সরকারি নথি অনুযায়ী, সিলেটে হামে ১৮০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেপ্টেম্বরে রয়টার্সের সাক্ষাৎকার নেয়া ১৬টি পরিবারের মধ্যে আটটি জানিয়েছে, তারা টিকা দেয়ার জন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের আসতে দেখেনি। অন্তত ছয়টি পরিবার বলেছে, তাদের এলাকায় কোনো শিশু হামে মারা যাওয়ার পরই স্বাস্থ্যকর্মীরা এসেছিলেন।

সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে সরকার নতুন একটি টিকাদান কর্মসূচি চালু করে। এর লক্ষ্য আগে বাদ পড়ে যাওয়া ৩৪ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা। এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো শিশু যেন বাদ না পড়ে, সে জন্য আমরা গ্রামের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করব।’

তবে প্রতিটি শিশুর কাছে পৌঁছানো এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। ইউনিসেফ ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ৪০ শতাংশ পর্যন্ত শিশুর জন্মনিবন্ধন হয় না। অন্যদিকে সরকারি তথ্য বলছে, স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পদ শূন্য রয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা পাঁচ বছরের বেশি বয়সী শিশুদেরও টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন। ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, এই বয়সী শিশুরা হামের মোট রোগীর এক-তৃতীয়াংশ।

এ ছাড়া ছয় মাস পর্যন্ত বয়সী শিশুদের শরীরে প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণ খুঁজতে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা গবেষণা করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বয়সী শিশুরা সাধারণত মায়ের শরীর থেকে পাওয়া অ্যান্টিবডির মাধ্যমে সুরক্ষিত থাকে। ডব্লিউএইচও বলছে, আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে লড়াই করতে থাকা বাংলাদেশের জন্য এটিও আরেকটি চ্যালেঞ্জ।

বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন 

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :