শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটিকে ঘিরে টানা পাঁচ দিনের ছুটির আমেজে পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটায় বাড়ছে পর্যটকদের আগমনের সম্ভাবনা। এরই মধ্যে সৈকতনগরীর অধিকাংশ হোটেল-মোটেলের কক্ষ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটকদের বরণে প্রস্তুতি নিচ্ছেন হোটেল, রেস্টুরেন্টসহ পর্যটননির্ভর বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা।
হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কুয়াকাটায় থাকা প্রায় তিন শতাধিক আবাসিক হোটেল-মোটেলের মধ্যে প্রথম শ্রেণির হোটেলগুলো আগামী ১৬, ১৭, ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর প্রায় শতভাগ কক্ষ ইতোমধ্যে বুকিং হয়ে গেছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির হোটেলগুলোতে গড়ে প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ কক্ষ অগ্রিম বুকিং হয়েছে। এর পরে আগামী ২৩-২৪ অক্টোবর কুয়াকাটা পর্যটন কার্নিভ্যাল-২০২৬ উপলক্ষ্যেও অগ্রিম বুকিং শুরু হয়েছে। ছুটি ঘনিয়ে এলে এসব হোটেলের বাকি কক্ষগুলোও পূর্ণ হয়ে যাবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
ট্যুর অপারেটস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, ইতোমধ্যে কুয়াকাটার প্রায় ৮০ শতাংশ হোটেলকক্ষ বুকিং হয়ে গেছে। কুয়াকাটায় ছোট-বড় ৩০০টির বেশি আবাসিক হোটেল-মোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। এসব আবাসনকেন্দ্রে একসঙ্গে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার পর্যটকের রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া ছুটিতে বাড়তি পর্যটকের চাপ সামাল দিতে আশপাশের পাঁচটি গ্রামের প্রায় ৬০০টি বাসাবাড়ি হোমস্টে হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এতে পর্যটকদের আবাসনসংকট মোকাবিলায় বাড়তি সুবিধা হবে বলে আশা করছি।
কুয়াকাটা ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কেএম বাচ্চু বলেন, দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে এবার দীর্ঘ ছুটি পাচ্ছেন পর্যটকরা। পর্যটকদের স্বাগত জানাতে হোটেল-মোটেল, রেস্টুরেন্ট, ফিশ ফ্রাই, আচার, ঝিনুকসহ পর্যটননির্ভর প্রায় ১৬টি পেশার পাঁচ-সাত হাজারের বেশি শ্রমিক প্রস্তুত রয়েছেন। আমাদের শতাধিক প্রশিক্ষিত ট্যুর গাইড প্রস্তুত পাশাপাশি অন্য সেক্টর থেকেও আরও দুইশতাধিক শ্রমিককে প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে এসেছি আমরা।
হোটেল বেস্ট সাউদার্নের পরিচালক জনি বলেন, আমাদের হোটেলের ৩১টি কক্ষ আগামী ১৬, ১৭, ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর জন্য শতভাগ বুকিং হয়েছে। এ ছাড়াও ২৪ তারিখ পর্যন্ত বাকিদিনগুলোতে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে। এখনও অনেকেই ফোন করছেন, কিন্তু কক্ষ খালি না থাকায় তাদের দিতে পারছি না।
হোটেল সাউথ স্টারের পরিচালক মো. মিঠুন তালুকদার বলেন, আমাদের দ্বিতীয় শ্রেণির হোটেল। এতে মোট কক্ষ ২২টি, ইতোমধ্যে গড়ে ৭০ শতাংশ বুকিং, তবে আমরা অন্যন্য সময়ে প্রায় ৪০-৫০ শতাংশ ছাড় দিতাম এখন দিচ্ছি ১০-২০ শতাংশ এতে অনেক ফোন আসলেও বুকিং সবাই দিচ্ছে না। দিনের বেশিরভাগ সময়ে জেনারেটর ব্যবহার করা, বিদ্যুতের মূল্য বেশীসহ আমাদের খরচ বাড়ছে প্রতিদিন। এতে আমাদের এই ৩-৪ মাস ব্যবসা করে চলতে হয় সারাবছর।
দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে আগামী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ছুটি পাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ সময়ে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে টানা ছুটির আগে ১৭ অক্টোবর সরকারি অফিস খোলা থাকবে। সরকারের ছুটির সূচি অনুযায়ী, ১৬ অক্টোবর শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি। এরপর ১৭ অক্টোবর সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস খোলা থাকবে। ১৮ অক্টোবর ও ১৯ অক্টোবর নিয়মিত কর্মদিবস। এরপর ২০ থেকে ২২ অক্টোবর দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে অতিরিক্ত সরকারি ছুটি রয়েছে। এর সঙ্গে ২৩ অক্টোবর শুক্রবার ও ২৪ অক্টোবর শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটি হচ্ছে।
সব মিলিয়ে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর সরকারি অফিসে টানা পাঁচ দিনের ছুটি থাকায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ছুটির আমেজ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ এই ছুটিতে অনেকে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটানো কিংবা বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন। অন্যদিকে, ছুটির আগে ১৭ অক্টোবর শনিবার অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কর্মদিবস ও ছুটির মধ্যে সমন্বয় করা হয়েছে।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ফিন্যান্স সেক্রেটারি ও হোটেল খান প্যালেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খান মো. রাসেল বলেন, কুয়াকাটায় বছরে সবচেয়ে বেশি পর্যটক যে সময়গুলোতে হয়ে থাকে তার এই পূজার সয়য়টা অন্যতম। তাই যারা এই সময়ে কুযাকাটাতে আসবেন তাদের নিরাপত্তা ও সঠিকভাবে ভ্রমণে আমরা শতভাগ সহযোগিতা ও ব্যবস্থা করবো। ইতোমধ্যে আবাসিক হোটেল মোটেল মালিক ও পরিচালকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে কেউ ভাড়া বাড়িয়ে না রাখে এবং খাবারের মান ও দামের প্রতি নজর রাখে।
পর্যটন মৌসুমকে সামনে রেখে কুয়াকাটায় প্রায় তিন শতাধিক আবাসিক হোটেল-মোটেল পর্যটক বরণের প্রস্তুতি নিয়েছে। পর্যটন খাতকে ঘিরে ব্যবসায়ীরা হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করলেও সৈকত ও সড়কসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন না হওয়ায় হতাশা রয়েছে তাদের মধ্যে।
দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় সমুদ্রসৈকত কুয়াকাটায় দাঁড়িয়ে একই স্থান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগের সুযোগ থাকায় বছরজুড়েই এখানে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের আনাগোনা থাকে। সাধারণত অক্টোবর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়কে পর্যটন মৌসুম ধরা হলেও পদ্মা সেতু চালুর পর সারা বছরই পর্যটকদের উপস্থিতি বেড়েছে। তবে পর্যটকের সংখ্যা বাড়লেও সৈকত ও সড়ক ব্যবস্থাপনা নিয়ে রয়েছে নানা অভিযোগ।
ব্যবসায়ীদের মতে, পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে কুয়াকাটার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি সৈকত সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা, যোগাযোগব্যবস্থা ও পর্যটন অবকাঠামোর উন্নয়ন জরুরি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কুয়াকাটায় থাকা প্রায় তিন শতাধিক আবাসিক হোটেল-মোটেলের মধ্যে প্রথম শ্রেণির হোটেলগুলো আগামী ১৬, ১৭, ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর প্রায় শতভাগ কক্ষ ইতোমধ্যে বুকিং হয়ে গেছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির হোটেলগুলোতে গড়ে প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ কক্ষ অগ্রিম বুকিং হয়েছে। এর পরে আগামী ২৩-২৪ অক্টোবর কুয়াকাটা পর্যটন কার্নিভ্যাল-২০২৬ উপলক্ষ্যেও অগ্রিম বুকিং শুরু হয়েছে। ছুটি ঘনিয়ে এলে এসব হোটেলের বাকি কক্ষগুলোও পূর্ণ হয়ে যাবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
ট্যুর অপারেটস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, ইতোমধ্যে কুয়াকাটার প্রায় ৮০ শতাংশ হোটেলকক্ষ বুকিং হয়ে গেছে। কুয়াকাটায় ছোট-বড় ৩০০টির বেশি আবাসিক হোটেল-মোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে। এসব আবাসনকেন্দ্রে একসঙ্গে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার পর্যটকের রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া ছুটিতে বাড়তি পর্যটকের চাপ সামাল দিতে আশপাশের পাঁচটি গ্রামের প্রায় ৬০০টি বাসাবাড়ি হোমস্টে হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এতে পর্যটকদের আবাসনসংকট মোকাবিলায় বাড়তি সুবিধা হবে বলে আশা করছি।
কুয়াকাটা ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কেএম বাচ্চু বলেন, দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে এবার দীর্ঘ ছুটি পাচ্ছেন পর্যটকরা। পর্যটকদের স্বাগত জানাতে হোটেল-মোটেল, রেস্টুরেন্ট, ফিশ ফ্রাই, আচার, ঝিনুকসহ পর্যটননির্ভর প্রায় ১৬টি পেশার পাঁচ-সাত হাজারের বেশি শ্রমিক প্রস্তুত রয়েছেন। আমাদের শতাধিক প্রশিক্ষিত ট্যুর গাইড প্রস্তুত পাশাপাশি অন্য সেক্টর থেকেও আরও দুইশতাধিক শ্রমিককে প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে এসেছি আমরা।
হোটেল বেস্ট সাউদার্নের পরিচালক জনি বলেন, আমাদের হোটেলের ৩১টি কক্ষ আগামী ১৬, ১৭, ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর জন্য শতভাগ বুকিং হয়েছে। এ ছাড়াও ২৪ তারিখ পর্যন্ত বাকিদিনগুলোতে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে। এখনও অনেকেই ফোন করছেন, কিন্তু কক্ষ খালি না থাকায় তাদের দিতে পারছি না।
হোটেল সাউথ স্টারের পরিচালক মো. মিঠুন তালুকদার বলেন, আমাদের দ্বিতীয় শ্রেণির হোটেল। এতে মোট কক্ষ ২২টি, ইতোমধ্যে গড়ে ৭০ শতাংশ বুকিং, তবে আমরা অন্যন্য সময়ে প্রায় ৪০-৫০ শতাংশ ছাড় দিতাম এখন দিচ্ছি ১০-২০ শতাংশ এতে অনেক ফোন আসলেও বুকিং সবাই দিচ্ছে না। দিনের বেশিরভাগ সময়ে জেনারেটর ব্যবহার করা, বিদ্যুতের মূল্য বেশীসহ আমাদের খরচ বাড়ছে প্রতিদিন। এতে আমাদের এই ৩-৪ মাস ব্যবসা করে চলতে হয় সারাবছর।
দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে আগামী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ছুটি পাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ সময়ে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে টানা ছুটির আগে ১৭ অক্টোবর সরকারি অফিস খোলা থাকবে। সরকারের ছুটির সূচি অনুযায়ী, ১৬ অক্টোবর শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি। এরপর ১৭ অক্টোবর সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস খোলা থাকবে। ১৮ অক্টোবর ও ১৯ অক্টোবর নিয়মিত কর্মদিবস। এরপর ২০ থেকে ২২ অক্টোবর দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে অতিরিক্ত সরকারি ছুটি রয়েছে। এর সঙ্গে ২৩ অক্টোবর শুক্রবার ও ২৪ অক্টোবর শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটি হচ্ছে।
সব মিলিয়ে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর সরকারি অফিসে টানা পাঁচ দিনের ছুটি থাকায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ছুটির আমেজ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ এই ছুটিতে অনেকে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটানো কিংবা বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন। অন্যদিকে, ছুটির আগে ১৭ অক্টোবর শনিবার অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কর্মদিবস ও ছুটির মধ্যে সমন্বয় করা হয়েছে।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ফিন্যান্স সেক্রেটারি ও হোটেল খান প্যালেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খান মো. রাসেল বলেন, কুয়াকাটায় বছরে সবচেয়ে বেশি পর্যটক যে সময়গুলোতে হয়ে থাকে তার এই পূজার সয়য়টা অন্যতম। তাই যারা এই সময়ে কুযাকাটাতে আসবেন তাদের নিরাপত্তা ও সঠিকভাবে ভ্রমণে আমরা শতভাগ সহযোগিতা ও ব্যবস্থা করবো। ইতোমধ্যে আবাসিক হোটেল মোটেল মালিক ও পরিচালকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে কেউ ভাড়া বাড়িয়ে না রাখে এবং খাবারের মান ও দামের প্রতি নজর রাখে।
পর্যটন মৌসুমকে সামনে রেখে কুয়াকাটায় প্রায় তিন শতাধিক আবাসিক হোটেল-মোটেল পর্যটক বরণের প্রস্তুতি নিয়েছে। পর্যটন খাতকে ঘিরে ব্যবসায়ীরা হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করলেও সৈকত ও সড়কসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন না হওয়ায় হতাশা রয়েছে তাদের মধ্যে।
দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় সমুদ্রসৈকত কুয়াকাটায় দাঁড়িয়ে একই স্থান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগের সুযোগ থাকায় বছরজুড়েই এখানে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের আনাগোনা থাকে। সাধারণত অক্টোবর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়কে পর্যটন মৌসুম ধরা হলেও পদ্মা সেতু চালুর পর সারা বছরই পর্যটকদের উপস্থিতি বেড়েছে। তবে পর্যটকের সংখ্যা বাড়লেও সৈকত ও সড়ক ব্যবস্থাপনা নিয়ে রয়েছে নানা অভিযোগ।
ব্যবসায়ীদের মতে, পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে কুয়াকাটার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি সৈকত সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা, যোগাযোগব্যবস্থা ও পর্যটন অবকাঠামোর উন্নয়ন জরুরি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন