পানামায় শক্তিশালী ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পের পর আবারও ৬ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি) জানিয়েছে, সোমবার (১২ অক্টোবর) পানামায় নতুন করে এই ৬ মাত্রার ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়।
ইএমএসসির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৫ কিলোমিটার (২২ মাইল) গভীরে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) পানামায় আঘাত হানা ৭.৭ মাত্রার মূল ভূমিকম্পটির পর থেকে এখন পর্যন্ত ৩০০টিরও বেশি আফটারশক (পরবর্তী কম্পন) রেকর্ড করা হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ভূকম্পনে দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পানামা সরকার সপ্তাহান্তে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।
জরুরি উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষের তথ্য মতে, এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে এ ঘটনায় অন্তত ২৭ জন আহত হয়েছেন এবং প্রায় ৯০০টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে লস সান্তোস, কোকলে, ভেরাগুয়াস ও হেরেরা প্রদেশ।
কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের সঠিক হিসাব এখনো পুরোপুরি পাওয়া যায়নি।
উদ্ধার কাজ চলমান থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
ইএমএসসির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৫ কিলোমিটার (২২ মাইল) গভীরে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) পানামায় আঘাত হানা ৭.৭ মাত্রার মূল ভূমিকম্পটির পর থেকে এখন পর্যন্ত ৩০০টিরও বেশি আফটারশক (পরবর্তী কম্পন) রেকর্ড করা হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ভূকম্পনে দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পানামা সরকার সপ্তাহান্তে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।
জরুরি উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষের তথ্য মতে, এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে এ ঘটনায় অন্তত ২৭ জন আহত হয়েছেন এবং প্রায় ৯০০টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে লস সান্তোস, কোকলে, ভেরাগুয়াস ও হেরেরা প্রদেশ।
কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের সঠিক হিসাব এখনো পুরোপুরি পাওয়া যায়নি।
উদ্ধার কাজ চলমান থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন