যশোর সদর উপজেলার চান্দুটিয়া গ্রামে ইঞ্জিনচালিত যান ‘করিমন’ চুরি করে পালানোর অভিযোগে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিল্লাল হোসেন নামে আরেক ব্যক্তি খালে নিখোঁজ রয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় মনিরুজ্জামান নামে আরও একজন যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত, আহত ও নিখোঁজ ব্যক্তিরা পার্শ্ববর্তী ঝিকরগাছা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার গভীর রাতে মনিরুজ্জামান, মিজানুর রহমান ও বিল্লাল হোসেন চান্দুটিয়া গ্রামে একটি করিমন চুরি করে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয়রা তাদের ধাওয়া দেন। একপর্যায়ে তারা চান্দুটিয়া সুইস খালের দিকে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে মিজানুর ও বিল্লাল খালে ঝাঁপ দেন।
এ সময় মনিরুজ্জামান ও মিজানুর রহমানকে ধরে মারধর করেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মিজানুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত মনিরুজ্জামান যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে খালে ঝাঁপ দেওয়ার পর থেকে বিল্লাল হোসেনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাকে উদ্ধারে খালে তল্লাশি চালাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) তদন্ত কর্মকর্তা কাজী বাবুল হোসেন বলেন, চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আরেকজন খালে নিখোঁজ রয়েছেন এবং আহত একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নিখোঁজ ব্যক্তি খালে রয়েছেন, নাকি অন্য কোথাও পালিয়ে গেছেন, তা তল্লাশি শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাতে নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে জন্য পুলিশ নজরদারি করছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত, আহত ও নিখোঁজ ব্যক্তিরা পার্শ্ববর্তী ঝিকরগাছা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার গভীর রাতে মনিরুজ্জামান, মিজানুর রহমান ও বিল্লাল হোসেন চান্দুটিয়া গ্রামে একটি করিমন চুরি করে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয়রা তাদের ধাওয়া দেন। একপর্যায়ে তারা চান্দুটিয়া সুইস খালের দিকে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে মিজানুর ও বিল্লাল খালে ঝাঁপ দেন।
এ সময় মনিরুজ্জামান ও মিজানুর রহমানকে ধরে মারধর করেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মিজানুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত মনিরুজ্জামান যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে খালে ঝাঁপ দেওয়ার পর থেকে বিল্লাল হোসেনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাকে উদ্ধারে খালে তল্লাশি চালাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) তদন্ত কর্মকর্তা কাজী বাবুল হোসেন বলেন, চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আরেকজন খালে নিখোঁজ রয়েছেন এবং আহত একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নিখোঁজ ব্যক্তি খালে রয়েছেন, নাকি অন্য কোথাও পালিয়ে গেছেন, তা তল্লাশি শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাতে নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে জন্য পুলিশ নজরদারি করছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন