ধ্রুবকে ছাড়লেও হেফাজতে সিজেপির শীর্ষ তিন নেতা

আপলোড সময় : ১১-১০-২০২৬ ১০:৪৯:০৮ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ১১-১০-২০২৬ ১০:৪৯:০৮ পূর্বাহ্ন
ভারতের ইউটিউবার ও ইনফ্লুয়েন্সার ধ্রুব রাঠীকে ছেড়ে দেওয়া হলেও পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন ককক্রোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) তিন নেতা অভিজিৎ দিপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা।

রোববার সকাল ৯টায় দিল্লি ক্যান্টনমেন্টে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে তাদের হাজির করার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে ইন্ডিয়া টুডে।

দিল্লি পুলিশের সূত্র জানিয়েছে, তিন নেতাকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার দেখানো হয়নি। জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ভারতের পুরোনো ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ও ১৫১ ধারায় তাদের আটক রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, বিক্ষোভের আগে গুরুগ্রামে নিজের বাড়ি থেকে আটক ধ্রুব রাঠীকে রোববার রাত ৩টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

শনিবার ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভের পরিকল্পনা করেছিল সিজেপি। এর আগে মুম্বাই থেকে দিল্লিতে পৌঁছানো এয়ার ইন্ডিয়ার একটি উড়োজাহাজের ভেতর থেকে তিন নেতাকে আটক করে পুলিশ।

উড়োজাহাজটি দিল্লিতে অবতরণের কয়েক মিনিটের মধ্যেই দিল্লি পুলিশের একটি দল সেখানে ওঠে। ওই দলে বেশির ভাগই ছিলেন নারী পুলিশ সদস্য। যাত্রীদের সামনেই তিন নেতাকে আটক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় কয়েকজন যাত্রী মোবাইল ফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশের সঙ্গে কথা বলার সময় অভিজিৎ দিপকেকে উত্তেজিত অবস্থায় দেখা যায়। তিনি পুলিশকে বলেন, গ্রেফতার হতেই দিল্লিতে এসেছেন তিনি।

সিজেপির আইনবিষয়ক দলের প্রধান রত্না সিং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, তিন নেতাকে রোববার সকাল ৯টায় দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হবে। দলের অন্য আইনজীবীদের সঙ্গে তিনিও সেখানে উপস্থিত থাকবেন।

এদিকে, সিজেপির শীর্ষ নেতারা আটক থাকলেও রোববার সকাল ১০টায় দিল্লির যন্তর মন্তরে নতুন করে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে দলটি। ভোটার তালিকায় কারসাজির অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছে তারা।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

বিক্ষোভের অনুমতি না দেওয়ার কথা জানিয়ে দিল্লি পুলিশ নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার উদ্বেগের কথা উল্লেখ করেছে। সিজেপির সঙ্গে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনও (আইসা) বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল।

শনিবার বিক্ষোভ ঠেকাতে দিল্লিজুড়ে তিন হাজারের বেশি মানুষকে আটক করে পুলিশ। তাদের অধিকাংশকে পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়া দিল্লিতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ২০ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। যন্তর মন্তরের আশপাশে মোতায়েন ছিলেন প্রায় ৬ হাজার ৫০০ নিরাপত্তাকর্মী।

নিরাপত্তাব্যবস্থার কারণে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় যান চলাচল ও গণপরিবহন ব্যাহত হয়। কয়েকটি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয় এবং জনপথ-কর্তব্যপথ এলাকার চার কিলোমিটার ব্যাসার্ধে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত করা হয়। শনিবার রাতে বন্ধ থাকা মেট্রো স্টেশনগুলোর প্রবেশ ও বের হওয়ার ফটক আবার খুলে দেওয়া হয়।

বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন 

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :