প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থের লেনদেন, সঞ্চয় এবং দেশে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া আরও সহজ ও গতিশীল করতে নন-রেসিডেন্ট কনভার্টেবল টাকা অ্যাকাউন্ট পরিচালনার নিয়মে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন আনা হয়েছে।
এখন থেকে শুধু অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটেই নয়, বরং দেশের যেকোনো অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের শাখায় এই বিশেষ হিসাব চালু করা সম্ভব হবে। প্রবাসীরা তাদের আর্থিক প্রয়োজন ও পছন্দ অনুযায়ী সঞ্চয়ী, চলতি কিংবা মেয়াদি এই তিন ধরনের হিসাবের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নেওয়ার পূর্ণ সুযোগ পাবেন। এই নতুন ব্যবস্থার ফলে দূর প্রবাসে বসেও দেশের ব্যাংকিং খাতের সুবিধাগুলো আরও কার্যকরভাবে উপভোগ করতে পারবেন সাধারণ প্রবাসীরা।
বৈধ উপায়ে বিভিন্ন এক্সচেঞ্জ হাউজ, বাণিজ্যিক ব্যাংক বা অনুমোদিত মানি ট্রান্সফার অপারেটরের মাধ্যমে বিদেশ থেকে পাঠানো অর্থ এখন সরাসরি এই হিসাবে জমা করা যাবে। পাশাপাশি প্রবাসীরা নিজেদের বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব থেকে সহজেই টাকা স্থানান্তর করে এই হিসাবে জমা রাখতে পারবেন।
এই হিসাবে সংরক্ষিত অর্থ দিয়ে দেশে দৈনন্দিন পারিবারিক খরচ মেটানোর পাশাপাশি অন্যান্য ব্যাংক হিসাবেও টাকা পাঠানোর সুযোগ থাকছে। এর ফলে প্রবাসীদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা আগের চেয়ে অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যময় ও ঝামেলামুক্ত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
একাউন্টে জমা অর্থের ওপর ভিত্তি করে প্রবাসীরা প্রয়োজনে ব্যাংক থেকে জামানত রেখে আকর্ষণীয় ঋণ সুবিধাও গ্রহণ করতে পারবেন। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এই হিসাবের মূল টাকা এবং এর বিপরীতে অর্জিত সব ধরনের মুনাফা বা সুদ কোনো জটিলতা ছাড়াই সম্পূর্ণ নিরাপদে বিদেশে ফেরত পাঠানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। এমনকি দেশের অনুমোদিত বিভিন্ন লাভজনক খাতে প্রবাসীরা নিজেদের জমানো অর্থ নিরাপদে ও আইনগতভাবে বিনিয়োগ করার পথও এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি উন্মুক্ত ও সহজ করা হয়েছে।
প্রবাসীদের ভোগান্তি কমাতে দেশের ব্যাংকগুলো এখন থেকে সম্পূর্ণ অনলাইনে নতুন হিসাব খোলাসহ যাবতীয় আধুনিক ই-ব্যাংকিং সেবা প্রদান করবে। এর ফলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে বসেই প্রবাসীরা তাদের আর্থিক লেনদেন ও সঞ্চয় অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পরিচালনা করতে পারবেন। প্রবাসীদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা নিরাপদে জমা রাখা, ব্যবহার এবং দেশের অর্থনীতিতে তা সঠিকভাবে কাজে লাগানোর জন্য এটি একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও কার্যকরী ব্যাংকিং ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচকে/এসকে
এখন থেকে শুধু অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটেই নয়, বরং দেশের যেকোনো অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের শাখায় এই বিশেষ হিসাব চালু করা সম্ভব হবে। প্রবাসীরা তাদের আর্থিক প্রয়োজন ও পছন্দ অনুযায়ী সঞ্চয়ী, চলতি কিংবা মেয়াদি এই তিন ধরনের হিসাবের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নেওয়ার পূর্ণ সুযোগ পাবেন। এই নতুন ব্যবস্থার ফলে দূর প্রবাসে বসেও দেশের ব্যাংকিং খাতের সুবিধাগুলো আরও কার্যকরভাবে উপভোগ করতে পারবেন সাধারণ প্রবাসীরা।
বৈধ উপায়ে বিভিন্ন এক্সচেঞ্জ হাউজ, বাণিজ্যিক ব্যাংক বা অনুমোদিত মানি ট্রান্সফার অপারেটরের মাধ্যমে বিদেশ থেকে পাঠানো অর্থ এখন সরাসরি এই হিসাবে জমা করা যাবে। পাশাপাশি প্রবাসীরা নিজেদের বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব থেকে সহজেই টাকা স্থানান্তর করে এই হিসাবে জমা রাখতে পারবেন।
এই হিসাবে সংরক্ষিত অর্থ দিয়ে দেশে দৈনন্দিন পারিবারিক খরচ মেটানোর পাশাপাশি অন্যান্য ব্যাংক হিসাবেও টাকা পাঠানোর সুযোগ থাকছে। এর ফলে প্রবাসীদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা আগের চেয়ে অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যময় ও ঝামেলামুক্ত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
একাউন্টে জমা অর্থের ওপর ভিত্তি করে প্রবাসীরা প্রয়োজনে ব্যাংক থেকে জামানত রেখে আকর্ষণীয় ঋণ সুবিধাও গ্রহণ করতে পারবেন। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এই হিসাবের মূল টাকা এবং এর বিপরীতে অর্জিত সব ধরনের মুনাফা বা সুদ কোনো জটিলতা ছাড়াই সম্পূর্ণ নিরাপদে বিদেশে ফেরত পাঠানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। এমনকি দেশের অনুমোদিত বিভিন্ন লাভজনক খাতে প্রবাসীরা নিজেদের জমানো অর্থ নিরাপদে ও আইনগতভাবে বিনিয়োগ করার পথও এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি উন্মুক্ত ও সহজ করা হয়েছে।
প্রবাসীদের ভোগান্তি কমাতে দেশের ব্যাংকগুলো এখন থেকে সম্পূর্ণ অনলাইনে নতুন হিসাব খোলাসহ যাবতীয় আধুনিক ই-ব্যাংকিং সেবা প্রদান করবে। এর ফলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে বসেই প্রবাসীরা তাদের আর্থিক লেনদেন ও সঞ্চয় অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পরিচালনা করতে পারবেন। প্রবাসীদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা নিরাপদে জমা রাখা, ব্যবহার এবং দেশের অর্থনীতিতে তা সঠিকভাবে কাজে লাগানোর জন্য এটি একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও কার্যকরী ব্যাংকিং ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচকে/এসকে