পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ছয় দিনের ব্যবধানে ফের একই স্কুলের নয় ছাত্রী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এরা সবাই বেতমোড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী। সহপাঠিরা জানান, বুধবার (৭ অক্টোবর) আনুমানিক দেড়টার দিকে দশম শ্রেণির ছাত্রী জাকিয়া অসুস্থ হয়ে যায়। প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল তার। এরপর এক এক করে ওই বিদ্যালয়ের আরও আট ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
অন্যরা হচ্ছে দশম শ্রেণির সানজিদা, নুসরাত, নবমের মীম, অষ্টম শ্রেণির সাদিয়া, ফাইজা, সপ্তম শ্রেণির লামিয়া, নুসরাত ও মারিয়া। হঠাৎ করে ক্লাশের বিশ্রাম চলাকালে একত্রে এসব ছাত্রীরা অসুস্থ হয়ে পড়লে বিদ্যালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সকলের অসুস্থতার ধরনও এক। প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট, খিচুনি ও অর্ধচেতন হয়ে পড়া।
ওই বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি স্থপতি ইয়াকুব খান বলেন, খবর শোনার সঙ্গে সঙ্গে অসুস্থ সকল ছাত্রীকে চিকিৎসার জন্য কলাপাড়া হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসা চলছে। অভিভাবকদের খবর দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
কলাপাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. টেন মং জানান, মেডিকেল সাইন্সে এটিকে ‘মাস সাইকোজেনিক ইলনেস’ বলা হয়। একজনের অসুস্থতা দেখে অন্যজনও অসুস্থ হয়ে পড়ে। মানসিক প্রভাবের কারণে এমনটি হয়। তবে ভয় পাওয়ার তেমন কিছু নয়। সবাইকে সাধ্যমতো যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর ধানখালীর মহের উদ্দিন (এমইউ) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২৯ ছাত্রী , একজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী এভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। একদিন চিকিৎসার পরে সবাই সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে গেছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচকে/এসকে
অন্যরা হচ্ছে দশম শ্রেণির সানজিদা, নুসরাত, নবমের মীম, অষ্টম শ্রেণির সাদিয়া, ফাইজা, সপ্তম শ্রেণির লামিয়া, নুসরাত ও মারিয়া। হঠাৎ করে ক্লাশের বিশ্রাম চলাকালে একত্রে এসব ছাত্রীরা অসুস্থ হয়ে পড়লে বিদ্যালয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সকলের অসুস্থতার ধরনও এক। প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট, খিচুনি ও অর্ধচেতন হয়ে পড়া।
ওই বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি স্থপতি ইয়াকুব খান বলেন, খবর শোনার সঙ্গে সঙ্গে অসুস্থ সকল ছাত্রীকে চিকিৎসার জন্য কলাপাড়া হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসা চলছে। অভিভাবকদের খবর দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
কলাপাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. টেন মং জানান, মেডিকেল সাইন্সে এটিকে ‘মাস সাইকোজেনিক ইলনেস’ বলা হয়। একজনের অসুস্থতা দেখে অন্যজনও অসুস্থ হয়ে পড়ে। মানসিক প্রভাবের কারণে এমনটি হয়। তবে ভয় পাওয়ার তেমন কিছু নয়। সবাইকে সাধ্যমতো যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর ধানখালীর মহের উদ্দিন (এমইউ) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২৯ ছাত্রী , একজন শিক্ষক ও একজন কর্মচারী এভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। একদিন চিকিৎসার পরে সবাই সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে গেছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচকে/এসকে