চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় পূর্বশত্রুতার জেরে রাতের আঁধারে চারজন কৃষকের সাড়ে ৭ শতাধিক ফলন্ত কলাগাছ কেটে সাবাড় করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গত রোববার দিবাগত রাতে আলমডাঙ্গা উপজেলার ডামোশ গ্রামের খাল পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে সোমবার সকালে কৃষকরা জমিতে গিয়ে কেটে ফেলা গাছগুলো দেখতে পান।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সূত্রে জানা গেছে, ডামোশ গ্রামের খাল পাড়ে রোপণ করা ফলন্ত কলাগাছগুলো কয়েকদিনের মধ্যেই বাজারজাতকরণের উপযোগী হয়ে উঠত। কিন্তু রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে নির্বিচারে গাছগুলো কেটে ফেলে রেখে যায়। এতে চার কৃষকের আনুমানিক ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।
ভুক্তভোগী কৃষক আতিয়ার রহমান বলেন, আমি একজন সাধারণ দিনমজুর। খুব কষ্টে সংসার চালাই। বাড়ির পাশের খালের পাড়ে ২০০টি কলাগাছ রোপণ করেছিলাম। আর কিছুদিনের মধ্যেই কলা বিক্রি করতে পারতাম। কিন্তু সকালে গিয়ে দেখি সব গাছ কেটে তছনছ করে দেওয়া হয়েছে। এতে আমার প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
একই গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত আরেক কৃষক তুফান আলী বলেন, আমি অত্যন্ত দরিদ্র মানুষ, কারও সঙ্গে কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ বা শত্রুতা নেই। অথচ রাতের আঁধারে আমারও ২৫০টি কলাগাছ কেটে ধ্বংস করে দিয়েছে। এতে আমার ২ লাখ টাকার ওপর ক্ষতি হয়ে গেল।
এছাড়া একই রাতে একই এলাকার কৃষক মিজানুর রহমান ও আব্দুস সালামের মালিকানাধীন আরও প্রায় ৩০০টি কলাগাছ একইভাবে কেটে সাবার করেছে দুর্বৃত্তরা।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আলমডাঙ্গা থানার ওসি রাকিবুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় এখনো ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সূত্রে জানা গেছে, ডামোশ গ্রামের খাল পাড়ে রোপণ করা ফলন্ত কলাগাছগুলো কয়েকদিনের মধ্যেই বাজারজাতকরণের উপযোগী হয়ে উঠত। কিন্তু রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে নির্বিচারে গাছগুলো কেটে ফেলে রেখে যায়। এতে চার কৃষকের আনুমানিক ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।
ভুক্তভোগী কৃষক আতিয়ার রহমান বলেন, আমি একজন সাধারণ দিনমজুর। খুব কষ্টে সংসার চালাই। বাড়ির পাশের খালের পাড়ে ২০০টি কলাগাছ রোপণ করেছিলাম। আর কিছুদিনের মধ্যেই কলা বিক্রি করতে পারতাম। কিন্তু সকালে গিয়ে দেখি সব গাছ কেটে তছনছ করে দেওয়া হয়েছে। এতে আমার প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
একই গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত আরেক কৃষক তুফান আলী বলেন, আমি অত্যন্ত দরিদ্র মানুষ, কারও সঙ্গে কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ বা শত্রুতা নেই। অথচ রাতের আঁধারে আমারও ২৫০টি কলাগাছ কেটে ধ্বংস করে দিয়েছে। এতে আমার ২ লাখ টাকার ওপর ক্ষতি হয়ে গেল।
এছাড়া একই রাতে একই এলাকার কৃষক মিজানুর রহমান ও আব্দুস সালামের মালিকানাধীন আরও প্রায় ৩০০টি কলাগাছ একইভাবে কেটে সাবার করেছে দুর্বৃত্তরা।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আলমডাঙ্গা থানার ওসি রাকিবুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় এখনো ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন