২০৩২ সালে অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেন শহরে বসবে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের আসর। এ লক্ষ্যে আগামী সোমবার (৫ অক্টোবর) ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ খ্যাত মেগা এই আসরের প্রতীকগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচনের কথা ছিল আয়োজকদের। তবে নির্ধারত সময়ের তিন দিন আগেই ভুলবশত গেমসের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে প্রতীকগুলো ফাঁস হয়ে গেছে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) ব্রিসবেন ২০৩২-এর ইউটিউব অ্যাকাউন্টে প্রতীকগুলোর প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যাকারী একটি ভিডিও সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য প্রকাশ করা হয়। এতে আসরটিতে ‘ককাটু’ (এক ধরণের অস্ট্রেলীয় তোতা পাখি) দ্বারা অনুপ্রাণিত সেই প্রতীকগুলো পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়ে পড়ে। ভিডিওর ওপরের ডানদিকের কোণায় অলিম্পিকের জন্য গোলাপি ককাটু এবং প্যারালিম্পিকের জন্য হলুদ-ঝুঁটিযুক্ত ককাটুর ছবিসহ প্রতীকগুলো দেখানো হয়। পাশাপাশি ভিডিওর বিবরণীতে এগুলোর পেছনের অনুপ্রেরণার বিষয়টিও বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা ছিল।
পরবর্তীতে রেডিটে লোগোটির একটি স্ক্রিনশট পোস্ট করা হয়, যা পরে রেডিটের আইনি কার্যক্রম পরিচালনাকারী দল (লিগাল অপারেশনস টিম) সরিয়ে নেয়। পরে বিট্রিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান সংশ্লিষ্ট আয়োজকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ভুলবশত ফাঁস হওয়া লোগোটি সঠিক বলে দাবি করে ব্রিসবেন অলিম্পিক কমিটি।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে কমিটি লোগো দুটি পূর্ণাঙ্গরূপে প্রকাশ করে এবং ক্যাপশনে লেখে, এটিকে আপনাদের জন্য আনুষ্ঠানিক উন্মোচন হিসেবেই ধরে নিন। পোস্টে আরও বলা হয়, আমাদের প্রবাল প্রাচীর (রিফ), সমুদ্রসৈকত, অভ্যন্তরীণ অঞ্চল এবং এর মধ্যবর্তী সবকিছু থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরি এই লোগোগুলো সেই স্থান, মানুষ এবং উদ্দীপনাকে একত্রিত করেছে। যা আমাদের ২০৩২ সালের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। অনন্য। নিঃসন্দেহে কুইন্সল্যান্ডের নিজস্ব বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। এবং কিছুটা চঞ্চল ও প্রাণবন্ত।
এরপর সকালে ‘নাইন’-এর ‘টুডে শো’-তে কুইন্সল্যান্ডের অলিম্পিক বিষয়ক মন্ত্রী টিম ম্যান্ডারকে এই অনিচ্ছাকৃত তথ্য ফাঁসের বিষয়ে কঠোর প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। তবে তিনি ঘটনাটিকে খুব একটা গুরুত্ব দেননি। তিনি বলেন, বিষয়টি অবশেষে সবার সামনে আসায় আমি আসলে উচ্ছ্বসিত। আমরা পুরো সপ্তাহটি কুইন্সল্যান্ডের উপকূলীয় এলাকায় ধাপে ধাপে এই প্রতীকটি উন্মোচন করা হয়েছে।
ম্যান্ডার বলেন, কীভাবে এই তথ্য ফাঁস হলো তা নিয়ে মানুষের নানা ধারণা থাকতে পারে। তবে তিনি মূলত তাদেরই দায়ী করেন যারা ‘প্রতীকটি দেখার জন্য এতটাই উদগ্রীব’। ব্রিসবেনে ২০৩২ অলিম্পিক পার্ক স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। শহরের ভেতরের পার্ক বা সবুজ এলাকা হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সৃষ্ট উদ্বেগ প্রশমনের লক্ষ্যে আগস্ট মাসে কুইন্সল্যান্ড সরকার স্টেডিয়াম সংলগ্ন পার্ক এলাকার একটি নকশা বা ধারণামূলক চিত্র প্রকাশ করেছিল। সমালোচকরা এই পরিকল্পনাকে কল্পনাবিলাসী পরিকল্পনা’ বলে অভিহিত করেছেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচকে/এসকে
শুক্রবার (২ অক্টোবর) ব্রিসবেন ২০৩২-এর ইউটিউব অ্যাকাউন্টে প্রতীকগুলোর প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যাকারী একটি ভিডিও সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য প্রকাশ করা হয়। এতে আসরটিতে ‘ককাটু’ (এক ধরণের অস্ট্রেলীয় তোতা পাখি) দ্বারা অনুপ্রাণিত সেই প্রতীকগুলো পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়ে পড়ে। ভিডিওর ওপরের ডানদিকের কোণায় অলিম্পিকের জন্য গোলাপি ককাটু এবং প্যারালিম্পিকের জন্য হলুদ-ঝুঁটিযুক্ত ককাটুর ছবিসহ প্রতীকগুলো দেখানো হয়। পাশাপাশি ভিডিওর বিবরণীতে এগুলোর পেছনের অনুপ্রেরণার বিষয়টিও বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা ছিল।
পরবর্তীতে রেডিটে লোগোটির একটি স্ক্রিনশট পোস্ট করা হয়, যা পরে রেডিটের আইনি কার্যক্রম পরিচালনাকারী দল (লিগাল অপারেশনস টিম) সরিয়ে নেয়। পরে বিট্রিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান সংশ্লিষ্ট আয়োজকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ভুলবশত ফাঁস হওয়া লোগোটি সঠিক বলে দাবি করে ব্রিসবেন অলিম্পিক কমিটি।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে কমিটি লোগো দুটি পূর্ণাঙ্গরূপে প্রকাশ করে এবং ক্যাপশনে লেখে, এটিকে আপনাদের জন্য আনুষ্ঠানিক উন্মোচন হিসেবেই ধরে নিন। পোস্টে আরও বলা হয়, আমাদের প্রবাল প্রাচীর (রিফ), সমুদ্রসৈকত, অভ্যন্তরীণ অঞ্চল এবং এর মধ্যবর্তী সবকিছু থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরি এই লোগোগুলো সেই স্থান, মানুষ এবং উদ্দীপনাকে একত্রিত করেছে। যা আমাদের ২০৩২ সালের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। অনন্য। নিঃসন্দেহে কুইন্সল্যান্ডের নিজস্ব বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। এবং কিছুটা চঞ্চল ও প্রাণবন্ত।
এরপর সকালে ‘নাইন’-এর ‘টুডে শো’-তে কুইন্সল্যান্ডের অলিম্পিক বিষয়ক মন্ত্রী টিম ম্যান্ডারকে এই অনিচ্ছাকৃত তথ্য ফাঁসের বিষয়ে কঠোর প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। তবে তিনি ঘটনাটিকে খুব একটা গুরুত্ব দেননি। তিনি বলেন, বিষয়টি অবশেষে সবার সামনে আসায় আমি আসলে উচ্ছ্বসিত। আমরা পুরো সপ্তাহটি কুইন্সল্যান্ডের উপকূলীয় এলাকায় ধাপে ধাপে এই প্রতীকটি উন্মোচন করা হয়েছে।
ম্যান্ডার বলেন, কীভাবে এই তথ্য ফাঁস হলো তা নিয়ে মানুষের নানা ধারণা থাকতে পারে। তবে তিনি মূলত তাদেরই দায়ী করেন যারা ‘প্রতীকটি দেখার জন্য এতটাই উদগ্রীব’। ব্রিসবেনে ২০৩২ অলিম্পিক পার্ক স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। শহরের ভেতরের পার্ক বা সবুজ এলাকা হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সৃষ্ট উদ্বেগ প্রশমনের লক্ষ্যে আগস্ট মাসে কুইন্সল্যান্ড সরকার স্টেডিয়াম সংলগ্ন পার্ক এলাকার একটি নকশা বা ধারণামূলক চিত্র প্রকাশ করেছিল। সমালোচকরা এই পরিকল্পনাকে কল্পনাবিলাসী পরিকল্পনা’ বলে অভিহিত করেছেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচকে/এসকে