এশিয়ান গেমসে পদক ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে জাপানে গিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে শেষ পর্যন্ত সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি। ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কার কাছে বড় ব্যবধানে হেরে পদকহীন ফিরতে হচ্ছে লিটন দাসের দলকে। দলের এমন ব্যর্থতার পর দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬৩ রানে হারে বাংলাদেশ। আগে ব্যাটে নেমে লঙ্কানরা ৯ উইকেটে ১৬৫ রান করে। জবাবে নেমে ১৭.৩ ওভারে ১০২ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করেন সালাউদ্দিন।
তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমরা দেশবাসীর কাছে আসলে খুবই লজ্জিত। কোচ হিসেবে মনে হচ্ছে, আমরা ব্যর্থ হয়েছি। আমরা দেশবাসীকে যে আশা দিয়েছিলাম, সেখানে কিছু করতে পারিনি। খুবই হতাশাজনক। পুরো দেশবাসীর কাছে আমরা লজ্জিত এবং ক্ষমাপ্রার্থী।’
এশিয়ান গেমসের আগের আসরে পূর্ণশক্তির দল না পাঠিয়েও ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার মূল দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে অংশ নিয়েও সেই পদক ধরে রাখতে পারেনি তারা। পাকিস্তানের পর শ্রীলঙ্কার কাছেও হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। দলের ব্যর্থতার পেছনে বোলিং ও ব্যাটিং-দুই বিভাগেই ঘাটতি দেখছেন সালাউদ্দিন। বিশেষ করে পাওয়ার-প্লেতে দ্রুত একাধিক উইকেট হারানোকে ম্যাচ হারের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।
সালাউদ্দিন বলেন, ‘আজকে যে উইকেটটা ছিল, সেখানে বোলাররা কয়েকটা ওভার খুবই খারাপ বল করেছে। বিশেষ করে যারা প্রিমিয়াম বোলার, টি-টুয়েন্টি বিশেষজ্ঞ, তারা আজকে বেশি রান দিয়ে দিয়েছে। বোলিংয়ে আমাদের একটা ব্যর্থতা ছিল। আর ব্যাটিংয়ে পাওয়ার-প্লেতে বেশি উইকেট পড়ে যাওয়াতে এখান থেকে ম্যাচটা জেতা কঠিন হয়ে যায়।’
পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে না পারার কথাও স্বীকার করেছেন সালাউদ্দিন। বলেন, ‘খেলোয়াড়রা তাদের সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে, কিন্তু আমরা পরিকল্পনা ঠিকমতো কাজে লাগাতে পারিনি। আমাদের প্রিমিয়াম বোলাররা এই উইকেটে যেরকম বল করবে আশা করেছিলাম, সেটা আমরা করতে পারিনি। স্পিনাররা খুবই ভালো বল করেছে।’
ব্যাটিংয়ে তাড়াহুড়ো করার কারণেও দল চাপে পড়ে যায় বলে মনে করছেন তিনি। সালাউদ্দিন বলেন, ‘পাওয়ার প্লেতে যখন চার-পাঁচটা উইকেট পড়ে যায়, আসলে এখান থেকে ম্যাচ বের করাটা খুব কঠিন ছিল। কারণ অন্যান্য দলের মতো আমাদের আসলে খুব বেশি অলরাউন্ডার নেই।’
এশিয়ান গেমসে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে পারেননি মোস্তাফিজুর রহমান। তবে অভিজ্ঞ এই পেসারের ওপর আস্থা হারাচ্ছেন না কোচ। বরং খারাপ সময়েও তাকে সমর্থন করার কথা জানিয়েছেন সালাউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘মোস্তাফিজ তো সারা জীবনই আমাদের ডেথ ওভার বিশেষজ্ঞ। আমাদের তার ওপর এখনো বিশ্বাস আছে। সে যদি আরও খারাপ করে, তবুও আমরা হয়তো তাকে সেভাবে ব্যাক করাবো।’
দলের পারফরম্যান্সে হতাশ হলেও ভবিষ্যতে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা করে সালাউদ্দিন বলেন, ‘তারা দেশের জন্য সবসময়ই লড়াই করে। তারা ব্যর্থ হয়েছে, সেটা নিয়ে আমরা অবশ্যই লজ্জিত। আমরা দল হিসেবে ভালো পারফর্ম করিনি। সবাই এখানে জেতার জন্য এসেছি, একটা লক্ষ্য নিয়ে এসেছি। সেখানে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। আশা করি, ভবিষ্যতে তারা ভালো খেলবে।’
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচকে/এসকে
শনিবার (৩ অক্টোবর) তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬৩ রানে হারে বাংলাদেশ। আগে ব্যাটে নেমে লঙ্কানরা ৯ উইকেটে ১৬৫ রান করে। জবাবে নেমে ১৭.৩ ওভারে ১০২ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করেন সালাউদ্দিন।
তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমরা দেশবাসীর কাছে আসলে খুবই লজ্জিত। কোচ হিসেবে মনে হচ্ছে, আমরা ব্যর্থ হয়েছি। আমরা দেশবাসীকে যে আশা দিয়েছিলাম, সেখানে কিছু করতে পারিনি। খুবই হতাশাজনক। পুরো দেশবাসীর কাছে আমরা লজ্জিত এবং ক্ষমাপ্রার্থী।’
এশিয়ান গেমসের আগের আসরে পূর্ণশক্তির দল না পাঠিয়েও ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার মূল দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে অংশ নিয়েও সেই পদক ধরে রাখতে পারেনি তারা। পাকিস্তানের পর শ্রীলঙ্কার কাছেও হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। দলের ব্যর্থতার পেছনে বোলিং ও ব্যাটিং-দুই বিভাগেই ঘাটতি দেখছেন সালাউদ্দিন। বিশেষ করে পাওয়ার-প্লেতে দ্রুত একাধিক উইকেট হারানোকে ম্যাচ হারের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।
সালাউদ্দিন বলেন, ‘আজকে যে উইকেটটা ছিল, সেখানে বোলাররা কয়েকটা ওভার খুবই খারাপ বল করেছে। বিশেষ করে যারা প্রিমিয়াম বোলার, টি-টুয়েন্টি বিশেষজ্ঞ, তারা আজকে বেশি রান দিয়ে দিয়েছে। বোলিংয়ে আমাদের একটা ব্যর্থতা ছিল। আর ব্যাটিংয়ে পাওয়ার-প্লেতে বেশি উইকেট পড়ে যাওয়াতে এখান থেকে ম্যাচটা জেতা কঠিন হয়ে যায়।’
পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে না পারার কথাও স্বীকার করেছেন সালাউদ্দিন। বলেন, ‘খেলোয়াড়রা তাদের সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে, কিন্তু আমরা পরিকল্পনা ঠিকমতো কাজে লাগাতে পারিনি। আমাদের প্রিমিয়াম বোলাররা এই উইকেটে যেরকম বল করবে আশা করেছিলাম, সেটা আমরা করতে পারিনি। স্পিনাররা খুবই ভালো বল করেছে।’
ব্যাটিংয়ে তাড়াহুড়ো করার কারণেও দল চাপে পড়ে যায় বলে মনে করছেন তিনি। সালাউদ্দিন বলেন, ‘পাওয়ার প্লেতে যখন চার-পাঁচটা উইকেট পড়ে যায়, আসলে এখান থেকে ম্যাচ বের করাটা খুব কঠিন ছিল। কারণ অন্যান্য দলের মতো আমাদের আসলে খুব বেশি অলরাউন্ডার নেই।’
এশিয়ান গেমসে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে পারেননি মোস্তাফিজুর রহমান। তবে অভিজ্ঞ এই পেসারের ওপর আস্থা হারাচ্ছেন না কোচ। বরং খারাপ সময়েও তাকে সমর্থন করার কথা জানিয়েছেন সালাউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘মোস্তাফিজ তো সারা জীবনই আমাদের ডেথ ওভার বিশেষজ্ঞ। আমাদের তার ওপর এখনো বিশ্বাস আছে। সে যদি আরও খারাপ করে, তবুও আমরা হয়তো তাকে সেভাবে ব্যাক করাবো।’
দলের পারফরম্যান্সে হতাশ হলেও ভবিষ্যতে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা করে সালাউদ্দিন বলেন, ‘তারা দেশের জন্য সবসময়ই লড়াই করে। তারা ব্যর্থ হয়েছে, সেটা নিয়ে আমরা অবশ্যই লজ্জিত। আমরা দল হিসেবে ভালো পারফর্ম করিনি। সবাই এখানে জেতার জন্য এসেছি, একটা লক্ষ্য নিয়ে এসেছি। সেখানে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। আশা করি, ভবিষ্যতে তারা ভালো খেলবে।’
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচকে/এসকে