ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ রাখতে দিনব্যাপী ‘ক্লিন ডে’ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর আগে ১৭ সেপ্টেম্বরের এক মতবিনিময় সভায় ৩ অক্টোবর এ কর্মসূচি আয়োজনের কথা জানানো হয়েছিল।
কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘১৭ বছর পরে গণতান্ত্রিক পথে আমরা হাঁটা শুরু করেছি। এখনই এই সরকারকে ফেলে দেওয়ার সময় আসেনি। এখনই এক দফায় যাওয়ার মতো সময় আসেনি, ধৈর্য ধরেন।’
তিনি বলেন, ‘যারা এক দফা বলেন, তারা কি গণতন্ত্রকে বিনষ্ট করতে চান? তারা কী আজকে নির্বাচনের মাধ্যমে আবার সরকার পরিবর্তন হোক, সেই পথটাকে বন্ধ করে দিতে চান?’
আবদুস সালাম আরও বলেন, ‘আজকে শুধু বাইরের আবর্জনা নয়, উদীয়মান নেতাদের মনের আবর্জনাও তারা যেভাবে উগলিয়ে দিচ্ছে, তাতেই পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। দেশের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তাদেরও বলবো ধৈর্য ধরতে।’
পরিচ্ছন্নতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পথ দেখিয়েছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তনেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বায়ুদূষণ ও অপরিচ্ছন্নতার কারণে ঢাকার অবস্থান বিশ্বে বিব্রতকর পর্যায়ে থাকে। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব নিতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি যেন একদিনে শেষ না হয়, সে বিষয়েও ছাত্রদল নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে বৃক্ষরোপণ অভিযান করেছি, মশা নিধন অভিযান করেছি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন অভিযান করেছি। আজকে আবার যে অভিযান শুরু হলো, আমি আজকে সাহস এবং নাহিদকে বলবো, এই অভিযান যেন আজকেই শেষ না হয়ে যায়, এটাকে কন্টিনিউ করতে হবে।’
টিএসসি, শহীদ মিনার ও শাহবাগ এলাকায় ফুটপাতের ব্যবসা ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনা নিয়েও কথা বলেন আবদুস সালাম। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি এসব এলাকায় ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরির আহ্বান জানান এবং পরিচয়পত্র দেওয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যবসা পরিচালনার ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দেন।
তিনি বলেন, ‘শহীদ মিনার আমাদের জন্য ঐতিহ্যের, গর্বের জায়গা। কোনোভাবেই আমরা চাইতে পারি না যে শহীদ মিনারের জায়গাটা অপরিচ্ছন্ন থাকুক।’
ক্যাম্পাসের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতে প্রয়োজন হলে ডিএসসিসির পক্ষ থেকে অতিরিক্ত কর্মী দেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের রাস্তায়, টিএসসি বা শহীদ মিনারে ময়লা-আবর্জনা না ফেলার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘ক্লিন ক্যাম্পাস, গ্রিন ক্যাম্পাস’ শুধু একদিনের কর্মসূচি নয়; সারা বছর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আজকে আমি ক্লিন ডে পালন করলাম এক দিনের জন্য—সাহস (ছাত্রদল নেতা) ওটা বলেছে এক দিনের জন্য না। শুধু এই এলাকার না। আমাকে রাখতে হবে আমার আঙিনা, আমার ঘর, আমার পাশে, আমার বারান্দা, আমার বেডরুম, আমার নিজেকে।’
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে উপাচার্য বলেন, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন আবাসিক হলে ময়লা-আবর্জনা ও জমে থাকা পানির কারণে মশার লার্ভা তৈরি হচ্ছে। তাই পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত সচেতনতা জরুরি।
তিনি বলেন, ‘আমি যেন ময়লা না ফেলি—আমাদের এই বোধ তৈরি হতে হবে। অন্যের ওপর নির্ভর না করে নিজের জায়গা থেকে পরিষ্কার রাখতে হবে।’
ঢাবি উপাচার্য আরও বলেন, শুধু একদিনের জন্য নয়, ‘৩৬৫ দিনের জন্য’ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে সবুজায়নের জন্য বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস বলেন, কর্মসূচিটি প্রতীকী বা লোকদেখানো নয়; বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সিটি করপোরেশনের সমন্বয়ে এটিকে টেকসই করার লক্ষ্য রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সবসময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে, আঙিনাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে রাত-দিন সবসময় স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে যে কোনো সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।’
সাহস আরও বলেন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হলে ক্যাম্পাসের পরিবেশ আরও সুন্দর করা সম্ভব। তিনি শিক্ষার্থীদের ব্যবহৃত বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার আহ্বান জানান।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে ক্যাম্পাসে ২০০টি ডাস্টবিন দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায়ও ২০০টি ডাস্টবিন স্থাপন এবং সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল।
কর্মসূচিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, প্রক্টর অধ্যাপক ড. এম. মাকসুদুর রহমান, ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনসহ বিশ্ববিদ্যালয় ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচিটি টিএসসি এলাকা থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী চলার কথা রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর আগে ১৭ সেপ্টেম্বরের এক মতবিনিময় সভায় ৩ অক্টোবর এ কর্মসূচি আয়োজনের কথা জানানো হয়েছিল।
কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘১৭ বছর পরে গণতান্ত্রিক পথে আমরা হাঁটা শুরু করেছি। এখনই এই সরকারকে ফেলে দেওয়ার সময় আসেনি। এখনই এক দফায় যাওয়ার মতো সময় আসেনি, ধৈর্য ধরেন।’
তিনি বলেন, ‘যারা এক দফা বলেন, তারা কি গণতন্ত্রকে বিনষ্ট করতে চান? তারা কী আজকে নির্বাচনের মাধ্যমে আবার সরকার পরিবর্তন হোক, সেই পথটাকে বন্ধ করে দিতে চান?’
আবদুস সালাম আরও বলেন, ‘আজকে শুধু বাইরের আবর্জনা নয়, উদীয়মান নেতাদের মনের আবর্জনাও তারা যেভাবে উগলিয়ে দিচ্ছে, তাতেই পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। দেশের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তাদেরও বলবো ধৈর্য ধরতে।’
পরিচ্ছন্নতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পথ দেখিয়েছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তনেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বায়ুদূষণ ও অপরিচ্ছন্নতার কারণে ঢাকার অবস্থান বিশ্বে বিব্রতকর পর্যায়ে থাকে। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব নিতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি যেন একদিনে শেষ না হয়, সে বিষয়েও ছাত্রদল নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে বৃক্ষরোপণ অভিযান করেছি, মশা নিধন অভিযান করেছি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন অভিযান করেছি। আজকে আবার যে অভিযান শুরু হলো, আমি আজকে সাহস এবং নাহিদকে বলবো, এই অভিযান যেন আজকেই শেষ না হয়ে যায়, এটাকে কন্টিনিউ করতে হবে।’
টিএসসি, শহীদ মিনার ও শাহবাগ এলাকায় ফুটপাতের ব্যবসা ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনা নিয়েও কথা বলেন আবদুস সালাম। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি এসব এলাকায় ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরির আহ্বান জানান এবং পরিচয়পত্র দেওয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যবসা পরিচালনার ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দেন।
তিনি বলেন, ‘শহীদ মিনার আমাদের জন্য ঐতিহ্যের, গর্বের জায়গা। কোনোভাবেই আমরা চাইতে পারি না যে শহীদ মিনারের জায়গাটা অপরিচ্ছন্ন থাকুক।’
ক্যাম্পাসের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতে প্রয়োজন হলে ডিএসসিসির পক্ষ থেকে অতিরিক্ত কর্মী দেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের রাস্তায়, টিএসসি বা শহীদ মিনারে ময়লা-আবর্জনা না ফেলার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘ক্লিন ক্যাম্পাস, গ্রিন ক্যাম্পাস’ শুধু একদিনের কর্মসূচি নয়; সারা বছর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আজকে আমি ক্লিন ডে পালন করলাম এক দিনের জন্য—সাহস (ছাত্রদল নেতা) ওটা বলেছে এক দিনের জন্য না। শুধু এই এলাকার না। আমাকে রাখতে হবে আমার আঙিনা, আমার ঘর, আমার পাশে, আমার বারান্দা, আমার বেডরুম, আমার নিজেকে।’
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে উপাচার্য বলেন, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন আবাসিক হলে ময়লা-আবর্জনা ও জমে থাকা পানির কারণে মশার লার্ভা তৈরি হচ্ছে। তাই পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত সচেতনতা জরুরি।
তিনি বলেন, ‘আমি যেন ময়লা না ফেলি—আমাদের এই বোধ তৈরি হতে হবে। অন্যের ওপর নির্ভর না করে নিজের জায়গা থেকে পরিষ্কার রাখতে হবে।’
ঢাবি উপাচার্য আরও বলেন, শুধু একদিনের জন্য নয়, ‘৩৬৫ দিনের জন্য’ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে সবুজায়নের জন্য বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস বলেন, কর্মসূচিটি প্রতীকী বা লোকদেখানো নয়; বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সিটি করপোরেশনের সমন্বয়ে এটিকে টেকসই করার লক্ষ্য রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সবসময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে, আঙিনাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে রাত-দিন সবসময় স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে যে কোনো সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।’
সাহস আরও বলেন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হলে ক্যাম্পাসের পরিবেশ আরও সুন্দর করা সম্ভব। তিনি শিক্ষার্থীদের ব্যবহৃত বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার আহ্বান জানান।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে ক্যাম্পাসে ২০০টি ডাস্টবিন দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায়ও ২০০টি ডাস্টবিন স্থাপন এবং সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল।
কর্মসূচিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, প্রক্টর অধ্যাপক ড. এম. মাকসুদুর রহমান, ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনসহ বিশ্ববিদ্যালয় ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচিটি টিএসসি এলাকা থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী চলার কথা রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন