ফেনীর মুহুরী বাঁধ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপলোড সময় : ০১-১০-২০২৬ ০৩:১৫:৪২ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০১-১০-২০২৬ ০৫:০৪:২২ অপরাহ্ন
ফেনীর মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প উদ্বোধণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে ফেনীর পরশুরামের খেয়াঘাট এলাকায় মুহুরি নদীর তীরে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে এ ম্যাগা প্রকল্পটি উদ্বোধন করেন তিনি।

প্রকল্পের আওতায় বাঁধ পুনর্বাসন, নদীতীর সংরক্ষণ, নদী ও জলাধার পুনঃখনন এবং সেচ অবকাঠামো সংস্কারের কাজ করা হবে। স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ হলে বন্যা ও নদীভাঙনের ক্ষয়ক্ষতি কমার পাশাপাশি এলাকার কৃষি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

প্রতি বছর ভারতীয় উজানের পাহাড়ি ঢল ও বন্যার পানিতে ফেনীর মুহুরী নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ থেকে ফেনীবাসীকে রক্ষা করতে এবার স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুর দুইটার দিকে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে পরশুরাম এসে পৌঁছান। এসএসএফ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে পরশুরাম-সুবার বাজার সড়কের স্টিল ব্রিজ সংলগ্ন মুহুরি নদীর তীরে নির্ধারিত স্থানে বহুকাঙ্ক্ষিত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন। এ সময় পানি সম্পদমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিব উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, প্রকল্পটি গত ১৬ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় নদী ও জলাধার পুনঃখনন, বাঁধ পুনর্বাসন, নদীতীর সংরক্ষণ এবং সেচ অবকাঠামো সংস্কারের কাজ করা হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, প্রায় ৬৮ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, নদীতীর প্রতিরক্ষা এবং সেচ অবকাঠামো সংস্কার করা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদী তীরবর্তী এলাকার বন্যা ও নদীভাঙনের ক্ষয়ক্ষতি কমবে বলে আশা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। 

বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন 
 

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :