পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধানখালী এমইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অন্তত ৩০ শিক্ষার্থী হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ক্লাস চলাকালীন প্রথমে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর একটার দিকে প্রথমে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সানজিদা অসুস্থ হয়ে পড়ে। সে বিদ্যালয়ের সিড়িতে অবস্থানকালে অসুস্থ হয়ে যায়। তার প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। এর পর পরই এক এক করে অন্তত ৩০ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে।
হাইস্কুল সংলগ্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আসাদুজ্জামান সোহাগ জানান, তিনি তাৎক্ষণিক অসুস্থদের কয়েকজনকে স্কুল থেকে ৩-৪ কিলোমিটার দূরে কলেজ বাজারের চিকিৎসকদের কাছে নিয়ে যান। তারপরে সেখান থেকে দ্রুততম সময়ে কলাপাড়া উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সন্ধ্যা পর্যন্ত অন্তত ২৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার খবর মিলেছে। এর মধ্যে ১১ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী হঠাৎ করে অচেতন হয়ে যায়। সন্তানের হঠাৎ করে অসুস্থতার দৃশ্য দেখে অভিভাবকরা অনেকে কান্না জুড়ে দেন। হাসপাতাল এলাকায় এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নানা শঙ্কায় অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। সহপাঠিরা জানায়, অসুস্থ হয়েপড়া অধিকাংশরাই নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
একাধিক শিক্ষক জানান, স্কুলের ক্লাসের মাঝখানে (লেইজার) দুপুরের বিশ্রাম চলছিল। তখন থেকে এক এক করে ছাত্রীরা অসুস্থ হয়ে পড়তে থাকে। এরই মধ্যে ওই স্কুলের শরীরচর্চা শিক্ষক ইকবাল হোসেনও অসুস্থ হয়ে পড়েন।
তবে কলাপাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. টেন মং জানান, মেডিকেল সাইন্সে এটিকে ‘মাস সাইকোজেনিক ইলনেস’ বলা হয়। একজনের অসুস্থতা দেখে অন্যজনও অসুস্থ হয়ে পড়ে। মানসিক প্রভাবের কারণে এমনটি হয়। তবে ভয় পাওয়ার তেমন কিছু নয়। সবাইকে সাধ্যমতো যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সবাই সুস্থ হয়ে যাবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচকে/এসকে
হাইস্কুল সংলগ্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আসাদুজ্জামান সোহাগ জানান, তিনি তাৎক্ষণিক অসুস্থদের কয়েকজনকে স্কুল থেকে ৩-৪ কিলোমিটার দূরে কলেজ বাজারের চিকিৎসকদের কাছে নিয়ে যান। তারপরে সেখান থেকে দ্রুততম সময়ে কলাপাড়া উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সন্ধ্যা পর্যন্ত অন্তত ২৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার খবর মিলেছে। এর মধ্যে ১১ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী হঠাৎ করে অচেতন হয়ে যায়। সন্তানের হঠাৎ করে অসুস্থতার দৃশ্য দেখে অভিভাবকরা অনেকে কান্না জুড়ে দেন। হাসপাতাল এলাকায় এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নানা শঙ্কায় অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। সহপাঠিরা জানায়, অসুস্থ হয়েপড়া অধিকাংশরাই নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
একাধিক শিক্ষক জানান, স্কুলের ক্লাসের মাঝখানে (লেইজার) দুপুরের বিশ্রাম চলছিল। তখন থেকে এক এক করে ছাত্রীরা অসুস্থ হয়ে পড়তে থাকে। এরই মধ্যে ওই স্কুলের শরীরচর্চা শিক্ষক ইকবাল হোসেনও অসুস্থ হয়ে পড়েন।
তবে কলাপাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. টেন মং জানান, মেডিকেল সাইন্সে এটিকে ‘মাস সাইকোজেনিক ইলনেস’ বলা হয়। একজনের অসুস্থতা দেখে অন্যজনও অসুস্থ হয়ে পড়ে। মানসিক প্রভাবের কারণে এমনটি হয়। তবে ভয় পাওয়ার তেমন কিছু নয়। সবাইকে সাধ্যমতো যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সবাই সুস্থ হয়ে যাবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচকে/এসকে