মাগুরা শালিখা উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া শাখার এক গ্রাহকের অস্বাভাবিক বিল আসার ঘটনায় তিন কর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই ঘটনায় ওই শাখার উপমহাব্যবস্থাপক রেজাউল করিমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মোহাম্মদ মোহাম্মদ মহিতুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বরখাস্ত হওয়া তিন কর্মী হলেন মিটার রিডার তোরাব আলী, বিল সুপারভাইজার সিমা রানী রায় ও বিলিং সহকারী সোমা রানী ঘোষ।
মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের ভুক্তভোগী গ্রাহক মোছা. আলেয়া খাতুনের বাড়ির বিলে এমন অসঙ্গতি দেখা যায়। তার প্রকৃত বিল ছিল এক হাজার নয় শ ৬৩ টাকা কিন্তু পল্লী বিদ্যুতের বিল সংশ্লিষ্টদের ভুলের কারণে ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার বিল প্রদর্শিত হয়। যা সামাজিক যোগাযোগ ও গণ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ শালিখার আড়পাড়া শাখার উপ-ব্যবস্থাপক রেজাউল করিম বলেন, ‘উনার মিটারটি বদল করা হয়েছে। অনুমোদিত লোডিং-এর ঘরে ৪২ এর বদলে অসাবধানতাবশত সিল নম্বর ১১ ৪৯ ২৭ ৬৫৮ ৬৫৮ বসে। আসলে যেখানে বসবে ৪২। ফলে মিটারের প্রতি কিলোওয়াট এর ডিমান্ড চার্জ ২ টাকা হিসাবে ২ কিলোওয়াটে ৮৪ টাকা হয়। সেখানে একটি বৃহৎ সংখ্যার সিল নম্বর বসে যাওয়ায় ৫% ভ্যাটসহ এই বিল দাঁড়িয়েছে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচকে/এসকে
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মোহাম্মদ মোহাম্মদ মহিতুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বরখাস্ত হওয়া তিন কর্মী হলেন মিটার রিডার তোরাব আলী, বিল সুপারভাইজার সিমা রানী রায় ও বিলিং সহকারী সোমা রানী ঘোষ।
মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের ভুক্তভোগী গ্রাহক মোছা. আলেয়া খাতুনের বাড়ির বিলে এমন অসঙ্গতি দেখা যায়। তার প্রকৃত বিল ছিল এক হাজার নয় শ ৬৩ টাকা কিন্তু পল্লী বিদ্যুতের বিল সংশ্লিষ্টদের ভুলের কারণে ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার বিল প্রদর্শিত হয়। যা সামাজিক যোগাযোগ ও গণ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ শালিখার আড়পাড়া শাখার উপ-ব্যবস্থাপক রেজাউল করিম বলেন, ‘উনার মিটারটি বদল করা হয়েছে। অনুমোদিত লোডিং-এর ঘরে ৪২ এর বদলে অসাবধানতাবশত সিল নম্বর ১১ ৪৯ ২৭ ৬৫৮ ৬৫৮ বসে। আসলে যেখানে বসবে ৪২। ফলে মিটারের প্রতি কিলোওয়াট এর ডিমান্ড চার্জ ২ টাকা হিসাবে ২ কিলোওয়াটে ৮৪ টাকা হয়। সেখানে একটি বৃহৎ সংখ্যার সিল নম্বর বসে যাওয়ায় ৫% ভ্যাটসহ এই বিল দাঁড়িয়েছে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচকে/এসকে