শুরুতে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ইংল্যান্ডকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে স্পেন। ওয়েম্বলিতে এই জয়ের মধ্য দিয়ে নেশন্স লিগের নতুন আসরে শুভসূচনা করেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০২৪ ইউরোর ফাইনালের পর আবারও ইংল্যান্ডকে হারানোর স্বাদ পেল স্পেন।
ম্যাচের শুরুতেই ইংল্যান্ডের ভুলের সুযোগ নিয়ে এগিয়ে যায় স্পেন। দ্বিতীয় মিনিটে ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার মার্ক গেহির কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে গোল করেন লামিনে ইয়ামাল। ওয়েম্বলিতে নিজের প্রথম ম্যাচের শুরুতেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন স্প্যানিশ তরুণ তারকা।
এরপর অবশ্য ম্যাচে ফেরার সুযোগ তৈরি করে স্পেন। ১৮ ও ৩২ মিনিটে দুটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন ফারান তোরেস। প্রথম সুযোগে তাঁর শট ঠেকিয়ে দেন ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জেমস ট্র্যাফোর্ড। দ্বিতীয় সুযোগটি বাইরে মেরে দেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।
এরপর দ্রুত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে নেয় ইংল্যান্ড। ৩৬ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে মাত্র ৩ মিনিট ১২ সেকেন্ডের ব্যবধানে দুটি গোল করে তারা। জুড বেলিংহামের পাস থেকে অ্যান্থনি গর্ডন গোল করে ইংল্যান্ডকে সমতায় ফেরান।
চার মিনিট পর ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন হ্যারি কেইন। নিকো ও’রাইলির চিপ থেকে পাওয়া বলে ডাইভিং হেড করেন কেইন। বল স্পেনের লেফটব্যাক মার্ক কুকুরেয়ার উরুতে লেগে জালে জড়ায়। প্রথমে আত্মঘাতী গোল মনে হলেও পরে গোলটি কেইনের নামেই দেওয়া হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পায় ইংল্যান্ড। ৫৪ মিনিটে স্পেন অধিনায়ক রদ্রির চ্যালেঞ্জে বক্সে জুড বেলিংহাম পড়ে গেলে ভিএআরের সহায়তায় পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। কিন্তু ৫৫ মিনিটে স্পটকিক থেকে গোল করতে পারেননি কেইন। তাঁর শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। পরে রিপ্লেতে দেখা যায়, শট নেওয়ার সময় কেইনের বাঁ পা কিছুটা পিছলে যাওয়ায় তিনি ভারসাম্য হারিয়েছিলেন।
এর এক মিনিট পরই সমতায় ফেরে স্পেন। ইংল্যান্ডের লেফটব্যাক নিকো ও’রাইলির ভুল পাস থেকে আক্রমণ তৈরি করে গোল করেন বায়েনা। ফলে ২-২ সমতায় ফিরে আসে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের ৭৪ মিনিটে আবারও ইংল্যান্ডের জালে বল পাঠায় স্পেন। বায়েনার বাড়ানো বলে চিপ শটে গোলরক্ষক ট্র্যাফোর্ডকে পরাস্ত করেন বদলি হিসেবে মাঠে নামা মিকেল ওইয়ারসাবাল। দুই বছর আগে ইউরোর ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়সূচক গোল করা ওইয়ারসাবাল এবারও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল করে স্পেনকে জয় এনে দেন।
শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এটিই ছিল তাদের প্রথম ম্যাচ। এই জয়ের ফলে স্পেনের অপরাজিত থাকার ধারাও বেড়ে দাঁড়াল টানা ৩৯ ম্যাচে।
অন্যদিকে বিশ্বকাপে তৃতীয় হয়ে ফেরা ইংল্যান্ড ঘরের মাঠে শুরুতে এগিয়ে গিয়েও জয় ধরে রাখতে পারেনি। গেহি ও ও’রাইলির দুটি ভুল এবং কেইনের পেনাল্টি মিস তাদের হতাশার বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচকে/এসকে
ম্যাচের শুরুতেই ইংল্যান্ডের ভুলের সুযোগ নিয়ে এগিয়ে যায় স্পেন। দ্বিতীয় মিনিটে ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার মার্ক গেহির কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে গোল করেন লামিনে ইয়ামাল। ওয়েম্বলিতে নিজের প্রথম ম্যাচের শুরুতেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন স্প্যানিশ তরুণ তারকা।
এরপর অবশ্য ম্যাচে ফেরার সুযোগ তৈরি করে স্পেন। ১৮ ও ৩২ মিনিটে দুটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন ফারান তোরেস। প্রথম সুযোগে তাঁর শট ঠেকিয়ে দেন ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জেমস ট্র্যাফোর্ড। দ্বিতীয় সুযোগটি বাইরে মেরে দেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।
এরপর দ্রুত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে নেয় ইংল্যান্ড। ৩৬ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে মাত্র ৩ মিনিট ১২ সেকেন্ডের ব্যবধানে দুটি গোল করে তারা। জুড বেলিংহামের পাস থেকে অ্যান্থনি গর্ডন গোল করে ইংল্যান্ডকে সমতায় ফেরান।
চার মিনিট পর ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন হ্যারি কেইন। নিকো ও’রাইলির চিপ থেকে পাওয়া বলে ডাইভিং হেড করেন কেইন। বল স্পেনের লেফটব্যাক মার্ক কুকুরেয়ার উরুতে লেগে জালে জড়ায়। প্রথমে আত্মঘাতী গোল মনে হলেও পরে গোলটি কেইনের নামেই দেওয়া হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পায় ইংল্যান্ড। ৫৪ মিনিটে স্পেন অধিনায়ক রদ্রির চ্যালেঞ্জে বক্সে জুড বেলিংহাম পড়ে গেলে ভিএআরের সহায়তায় পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। কিন্তু ৫৫ মিনিটে স্পটকিক থেকে গোল করতে পারেননি কেইন। তাঁর শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। পরে রিপ্লেতে দেখা যায়, শট নেওয়ার সময় কেইনের বাঁ পা কিছুটা পিছলে যাওয়ায় তিনি ভারসাম্য হারিয়েছিলেন।
এর এক মিনিট পরই সমতায় ফেরে স্পেন। ইংল্যান্ডের লেফটব্যাক নিকো ও’রাইলির ভুল পাস থেকে আক্রমণ তৈরি করে গোল করেন বায়েনা। ফলে ২-২ সমতায় ফিরে আসে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের ৭৪ মিনিটে আবারও ইংল্যান্ডের জালে বল পাঠায় স্পেন। বায়েনার বাড়ানো বলে চিপ শটে গোলরক্ষক ট্র্যাফোর্ডকে পরাস্ত করেন বদলি হিসেবে মাঠে নামা মিকেল ওইয়ারসাবাল। দুই বছর আগে ইউরোর ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়সূচক গোল করা ওইয়ারসাবাল এবারও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল করে স্পেনকে জয় এনে দেন।
শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এটিই ছিল তাদের প্রথম ম্যাচ। এই জয়ের ফলে স্পেনের অপরাজিত থাকার ধারাও বেড়ে দাঁড়াল টানা ৩৯ ম্যাচে।
অন্যদিকে বিশ্বকাপে তৃতীয় হয়ে ফেরা ইংল্যান্ড ঘরের মাঠে শুরুতে এগিয়ে গিয়েও জয় ধরে রাখতে পারেনি। গেহি ও ও’রাইলির দুটি ভুল এবং কেইনের পেনাল্টি মিস তাদের হতাশার বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচকে/এসকে