ভোলার চরফ্যাশনে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে হঠাৎ বেড়েছে ইলিশের সরবরাহ। গত তিন থেকে চার দিন ধরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ। প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে সামরাজ, বেতুয়া, ঢালচর খেজুরগাছিয়া, পাঁচকপাট, আটকপাট ও মাইনুদ্দিনসহ বিভিন্ন মৎস্য ঘাটে।
একেকটি নৌকায় এক খেপে পাওয়া যাচ্ছে দুই থেকে তিন মণ পর্যন্ত ইলিশ। দীর্ঘদিন মাছের সংকটে থাকা জেলেরা নতুন করে আশার আলো দেখছেন। একই সঙ্গে ঘাটগুলোয় আনাগোনা বেড়েছে পাইকার ও মাছ ব্যবসায়ীদের।
শনিবার সকাল থেকে চরফ্যাশনের বিভিন্ন ঘাট ঘুরে দেখা যায়, নদী থেকে ফিরে আসা নৌকাগুলো থেকে ঝুড়িভর্তি ইলিশ নামানো হচ্ছে। এসব ইলিশের মধ্যে বেশি আছে ৫০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের মাছ।
গত দুই মাস নদীতে তেমন মাছ না পাওয়ায় অনেকেই ধারদেনা করে সংসার চালিয়েছেন জানিয়েছেন জেলেরা। কেউ কেউ মাছ ধরার নৌকা ও জাল তীরে তুলে রেখেছিলেন। তবে গত তিন থেকে চার দিন ধরে নদীতে ইলিশের উপস্থিতি বাড়ায় আবারও কর্মচঞ্চল হয়ে উঠেছে জেলেপল্লি।
তবে কোস্ট গার্ডের টহল জোরদার থাকলেও কিছু অসাধু ব্যক্তি এখনো নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে জাটকা ধরছে। ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন রক্ষায় জাটকা নিধন বন্ধে আরও কঠোর নজরদারি ও অভিযান প্রয়োজন বলে মনে করছেন জেলেরা।
বেতুয়া ঘাটের জেলে বেল্লাল হোসেন বললেন, ‘আল্লাহ মুখ তুলে চেয়েছেন। কয়েক দিন খালি হাতে ফিরেছি। এখন জাল ফেললেই ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। বাজারেও ভালো দাম পাচ্ছি।’
নতুর স্লুইজ ঘাটের মাছ ব্যবসায়ী মো. আকতার মেম্বর জানালেন, মাছের সরবরাহ বাড়ায় ভিড়ও বেড়েছে পাইকারদের। এখন ১ কেজি ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা এবং ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
চরফ্যাশন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞার সময় মা ইলিশ রক্ষা ও জাটকা নিধন বন্ধে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের সুফল পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও উজানের পানির কারণে সাগর থেকে ইলিশ নদীতে প্রবেশ করছে।
এদিকে ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন রক্ষায় আগামী ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হবে নিষেধাজ্ঞা। আরও ১৫ দিন পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জেলেরা। তারা জানান, নদীতে ইলিশের সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। এ অবস্থায় আরও কিছুদিন মাছ ধরার সুযোগ পেলে তারা সাম্প্রতিক মাছের সংকটে হওয়া ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারবেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
একেকটি নৌকায় এক খেপে পাওয়া যাচ্ছে দুই থেকে তিন মণ পর্যন্ত ইলিশ। দীর্ঘদিন মাছের সংকটে থাকা জেলেরা নতুন করে আশার আলো দেখছেন। একই সঙ্গে ঘাটগুলোয় আনাগোনা বেড়েছে পাইকার ও মাছ ব্যবসায়ীদের।
শনিবার সকাল থেকে চরফ্যাশনের বিভিন্ন ঘাট ঘুরে দেখা যায়, নদী থেকে ফিরে আসা নৌকাগুলো থেকে ঝুড়িভর্তি ইলিশ নামানো হচ্ছে। এসব ইলিশের মধ্যে বেশি আছে ৫০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের মাছ।
গত দুই মাস নদীতে তেমন মাছ না পাওয়ায় অনেকেই ধারদেনা করে সংসার চালিয়েছেন জানিয়েছেন জেলেরা। কেউ কেউ মাছ ধরার নৌকা ও জাল তীরে তুলে রেখেছিলেন। তবে গত তিন থেকে চার দিন ধরে নদীতে ইলিশের উপস্থিতি বাড়ায় আবারও কর্মচঞ্চল হয়ে উঠেছে জেলেপল্লি।
তবে কোস্ট গার্ডের টহল জোরদার থাকলেও কিছু অসাধু ব্যক্তি এখনো নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে জাটকা ধরছে। ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন রক্ষায় জাটকা নিধন বন্ধে আরও কঠোর নজরদারি ও অভিযান প্রয়োজন বলে মনে করছেন জেলেরা।
বেতুয়া ঘাটের জেলে বেল্লাল হোসেন বললেন, ‘আল্লাহ মুখ তুলে চেয়েছেন। কয়েক দিন খালি হাতে ফিরেছি। এখন জাল ফেললেই ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। বাজারেও ভালো দাম পাচ্ছি।’
নতুর স্লুইজ ঘাটের মাছ ব্যবসায়ী মো. আকতার মেম্বর জানালেন, মাছের সরবরাহ বাড়ায় ভিড়ও বেড়েছে পাইকারদের। এখন ১ কেজি ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা এবং ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
চরফ্যাশন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞার সময় মা ইলিশ রক্ষা ও জাটকা নিধন বন্ধে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের সুফল পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও উজানের পানির কারণে সাগর থেকে ইলিশ নদীতে প্রবেশ করছে।
এদিকে ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন রক্ষায় আগামী ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হবে নিষেধাজ্ঞা। আরও ১৫ দিন পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জেলেরা। তারা জানান, নদীতে ইলিশের সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। এ অবস্থায় আরও কিছুদিন মাছ ধরার সুযোগ পেলে তারা সাম্প্রতিক মাছের সংকটে হওয়া ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারবেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন