রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরের ‘রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার’ নামের একটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা, লুটপাট ও ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হামলায় অংশ নেওয়া বাকিদেরও গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শাহ আলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম জানান, সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঘটনায় সরাসরি সম্পৃক্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জনের একটি মাস্ক পরা সশস্ত্র দল চিকিৎসাকেন্দ্রটিতে হামলা চালায়। তারা নিরাপত্তাকর্মীদের হাত-পা বেঁধে জিম্মি করে ভেতরে প্রবেশ করে।
দুষ্কৃতকারীরা চিকিৎসাকেন্দ্রের চিকিৎসা সামগ্রী, ওষুধ, ফ্রিজ, এসি, নগদ টাকা, আলট্রাসনোগ্রাম মেশিনসহ প্রায় দেড় কোটি টাকার মালামাল লুটপাট করে। এরপর ভারী এক্সকাভেটর ও স্ক্যাভেটর দিয়ে কেন্দ্রটির একটি পাকা ও তিনটি সেমিপাকা ভবন পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেয়।
কেন্দ্রটি ভেঙে ফেলার পর হামলাকারীরা সেখানে ‘সম্মাননা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামের একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেয়। স্থানীয় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই দখল ও হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার বাদী হয়ে শাহ আলী থানায় স্থানীয় বিএনপি নেতা হানিল মিয়াকে প্রধান আসামি করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় ২০০–২৫০ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন।
প্রায় চার দশক ধরে দরিদ্র নারী ও শিশুদের বিনামূল্যে এবং স্বল্পমূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও সরকারি ইপিআই টিকাদান সেবা দিয়ে আসছিল প্রতিষ্ঠানটি। হঠাৎ এই ধ্বংসযজ্ঞের কারণে কেন্দ্রটির স্বাস্থ্যসেবা ও টিকাদান কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শাহ আলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম জানান, সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঘটনায় সরাসরি সম্পৃক্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জনের একটি মাস্ক পরা সশস্ত্র দল চিকিৎসাকেন্দ্রটিতে হামলা চালায়। তারা নিরাপত্তাকর্মীদের হাত-পা বেঁধে জিম্মি করে ভেতরে প্রবেশ করে।
দুষ্কৃতকারীরা চিকিৎসাকেন্দ্রের চিকিৎসা সামগ্রী, ওষুধ, ফ্রিজ, এসি, নগদ টাকা, আলট্রাসনোগ্রাম মেশিনসহ প্রায় দেড় কোটি টাকার মালামাল লুটপাট করে। এরপর ভারী এক্সকাভেটর ও স্ক্যাভেটর দিয়ে কেন্দ্রটির একটি পাকা ও তিনটি সেমিপাকা ভবন পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেয়।
কেন্দ্রটি ভেঙে ফেলার পর হামলাকারীরা সেখানে ‘সম্মাননা দোকানদার সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামের একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেয়। স্থানীয় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই দখল ও হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার বাদী হয়ে শাহ আলী থানায় স্থানীয় বিএনপি নেতা হানিল মিয়াকে প্রধান আসামি করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় ২০০–২৫০ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন।
প্রায় চার দশক ধরে দরিদ্র নারী ও শিশুদের বিনামূল্যে এবং স্বল্পমূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও সরকারি ইপিআই টিকাদান সেবা দিয়ে আসছিল প্রতিষ্ঠানটি। হঠাৎ এই ধ্বংসযজ্ঞের কারণে কেন্দ্রটির স্বাস্থ্যসেবা ও টিকাদান কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন