বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য কমলে দেশের বাজারেও দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে যশোর সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত জেলা হাসপাতাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে জ্বালানির দাম আরও বৃদ্ধির কোনো চিন্তা নেই সরকারের। বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে জনগণকে স্বস্তি দিতে জ্বালানির মূল্য সমন্বয়ের চেষ্টা করবে সরকার।
দেশে গ্যাস নিয়ে সাময়িক যে সমস্যা ছিল, তা কেটে গেছে। এখন গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক বলে এ সময় উল্লেখ করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গোপসাগরে বৈরি আবহাওয়ার কারণে এলএনজিবাহী জাহাজ থেকে গ্যাস খালাসে কিছুটা বিলম্ব হওয়ায় সাময়িকভাবে গ্যাসের চাপ কম ছিল। তবে শুক্রবার সকাল ৭টা ১৮ মিনিট থেকে খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা দুপুরের মধ্যে স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমে আসবে।
যশোরে স্বাস্থ্য বিভাগে চলমান কার্যক্রম তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যশোরবাসীকে পূর্ণাঙ্গ করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) সেবা নিশ্চিত করা হবে। গুরুতর হৃদরোগীদের যেন আর চিকিৎসার জন্য অন্য জেলায় দৌঁড়াতে না হয়, সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচকে/এসকে
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে যশোর সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত জেলা হাসপাতাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে জ্বালানির দাম আরও বৃদ্ধির কোনো চিন্তা নেই সরকারের। বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে জনগণকে স্বস্তি দিতে জ্বালানির মূল্য সমন্বয়ের চেষ্টা করবে সরকার।
দেশে গ্যাস নিয়ে সাময়িক যে সমস্যা ছিল, তা কেটে গেছে। এখন গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক বলে এ সময় উল্লেখ করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গোপসাগরে বৈরি আবহাওয়ার কারণে এলএনজিবাহী জাহাজ থেকে গ্যাস খালাসে কিছুটা বিলম্ব হওয়ায় সাময়িকভাবে গ্যাসের চাপ কম ছিল। তবে শুক্রবার সকাল ৭টা ১৮ মিনিট থেকে খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা দুপুরের মধ্যে স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমে আসবে।
যশোরে স্বাস্থ্য বিভাগে চলমান কার্যক্রম তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যশোরবাসীকে পূর্ণাঙ্গ করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) সেবা নিশ্চিত করা হবে। গুরুতর হৃদরোগীদের যেন আর চিকিৎসার জন্য অন্য জেলায় দৌঁড়াতে না হয়, সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচকে/এসকে